১
রাসূলের শানে সমসাময়িক ধৃষ্টতা আকার-প্রকৃতি ও নেপথ্য কাহিনী
লেখকঃ নাসের বিন সুলাইমান আল-উমর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
মুসলমানদের পক্ষ থেকে ইসলাম ও তার নবীকে স্বচ্ছভাবে পেশ না করার পেছনে কয়েকটি কারণ দায়ী :
প্রাথমিক অবস্থাতেই ইসলাম ও তার নবী সম্পর্কে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য প্রচার ও সম্প্রসারণে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়া।
পাশ্চাত্য কিংবা প্রাচ্যবিদদের সন্দেহগুলো নিরসনে গাফিলতি অথবা অযোগ্যতার পরিচয় দেয়া।
ইসলাম ও তার নবী সম্পর্কে দেশি-বিদেশি অপপ্রচারগুলো সংশোধনে ত্রুটি করা। কারণ যখন এর সাথে ইসলামকে সংশ্লিষ্ট করা হয় এবং মানব সমাজকে এ ধারণা দেয়া হয় যে, মুহাম্মদ এ ধর্ম নিয়েই এসেছেন, তখন এর অপনোদন করা না হলে এবং ইসলাম ও তার নবীর সাথে এর কোনও সম্পর্ক নেই সমানভাবে প্রচার না করলে, প্রকারান্তরে তাদের বক্তব্য ও মন্তব্যের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। আর মানুষের মগজে বদ্যমূল হয়ে যায় যে, এসব কিছুই সঠিক। বলাবাহুল্য এর সঠিক বিহিত গ্রহণ করা না হলে মুসলিম সমাজেও এর বিস্তার ঘটতে বাধ্য।
আমাদের মতে অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বের এসব কারণেই পাশ্চাত্য জগৎ ইসলাম ও তার নবী সম্পর্কে স্বচ্ছ ও স্পষ্ট ধারণা থেকে বঞ্চিত।
এর সাথে আরেকটি শক্তিশালী ও কার্যকরী কারণ যুক্ত করা যায়, আর তা হচ্ছে মুসলমানদের দুর্বলতা। তাদের আধুনিক আবিষ্কার থেকে পশ্চাৎ বিমুখতা। অন্যথায় পাশ্চাত্যজগতে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে সমীহ করার রেওয়াজ বিদ্যমান। আর এ জন্যই বর্তমান ক্যাথলিক সম্প্রদায় প্রোটেস্টান্ট সম্প্রদায়কে গাল মন্দ করে না। এর বিপরীতও হয় না। আবার তারা কেউ ইহুদিদের গাল মন্দ করে না। অথচ ঐতিহাসিক ঘটনাবলী অনুসন্ধান করলে দেখা যায় যে, তাদের ভেতর অনেক মত বিরোধ ও মত পার্থক্য রয়েছে। কারণ, কথা একটাই শক্তিশালী সম্প্রদায়কে সম্মান দিতে হবে। কোনো এক কবি বলেছেন : ‘‘তুমি দেখবে, তারা যাকে দুর্বল মনে করে, তার উপর জুলুম করছে; আর যাকে শক্তিশালী কিংবা বীর মনে করে, তার থেকে বিরত থাকে।’’ মানুষ শক্তের ভক্ত, নরমের যম।
পাশ্চাত্য কিংবা প্রাচ্যবিদদের সন্দেহগুলো নিরসনে গাফিলতি অথবা অযোগ্যতার পরিচয় দেয়া।
ইসলাম ও তার নবী সম্পর্কে দেশি-বিদেশি অপপ্রচারগুলো সংশোধনে ত্রুটি করা। কারণ যখন এর সাথে ইসলামকে সংশ্লিষ্ট করা হয় এবং মানব সমাজকে এ ধারণা দেয়া হয় যে, মুহাম্মদ এ ধর্ম নিয়েই এসেছেন, তখন এর অপনোদন করা না হলে এবং ইসলাম ও তার নবীর সাথে এর কোনও সম্পর্ক নেই সমানভাবে প্রচার না করলে, প্রকারান্তরে তাদের বক্তব্য ও মন্তব্যের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। আর মানুষের মগজে বদ্যমূল হয়ে যায় যে, এসব কিছুই সঠিক। বলাবাহুল্য এর সঠিক বিহিত গ্রহণ করা না হলে মুসলিম সমাজেও এর বিস্তার ঘটতে বাধ্য।
আমাদের মতে অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বের এসব কারণেই পাশ্চাত্য জগৎ ইসলাম ও তার নবী সম্পর্কে স্বচ্ছ ও স্পষ্ট ধারণা থেকে বঞ্চিত।
এর সাথে আরেকটি শক্তিশালী ও কার্যকরী কারণ যুক্ত করা যায়, আর তা হচ্ছে মুসলমানদের দুর্বলতা। তাদের আধুনিক আবিষ্কার থেকে পশ্চাৎ বিমুখতা। অন্যথায় পাশ্চাত্যজগতে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে সমীহ করার রেওয়াজ বিদ্যমান। আর এ জন্যই বর্তমান ক্যাথলিক সম্প্রদায় প্রোটেস্টান্ট সম্প্রদায়কে গাল মন্দ করে না। এর বিপরীতও হয় না। আবার তারা কেউ ইহুদিদের গাল মন্দ করে না। অথচ ঐতিহাসিক ঘটনাবলী অনুসন্ধান করলে দেখা যায় যে, তাদের ভেতর অনেক মত বিরোধ ও মত পার্থক্য রয়েছে। কারণ, কথা একটাই শক্তিশালী সম্প্রদায়কে সম্মান দিতে হবে। কোনো এক কবি বলেছেন : ‘‘তুমি দেখবে, তারা যাকে দুর্বল মনে করে, তার উপর জুলুম করছে; আর যাকে শক্তিশালী কিংবা বীর মনে করে, তার থেকে বিরত থাকে।’’ মানুষ শক্তের ভক্ত, নরমের যম।