১
আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
সাত- মুসলিমদের ভালোবাসার আরেকটি আলামত হলো তাদের সম্মান বজায় রাখা, অসম্মান না করা:
তুমি তোমার মুসলিম ভাইকে অসম্মান, অপমান অপদস্থ করবে না। মুসলিম ভাইয়ের সম্মানহানি হয় এমন কোনো কিছু করতে যাবে না, বরং সবসময় তার প্রশংসা করবে, তার কল্যাণকামী হবে, তুমি তোমার হাত ও মুখ দ্বারা তার সাহায্য করবে। তার কোনো ক্ষতি করবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَا مِنَ امْرِئٍ يَخْذُلُ امْرَأً مُسْلِمًا فِي مَوْضِعٍ تُنْتَهَكُ فِيهِ حُرْمَتُهُ وَيُنْتَقَصُ فِيهِ مِنْ عِرْضِهِ، إِلَّا خَذَلَهُ اللَّهُ فِي مَوْطِنٍ يُحِبُّ فِيهِ نُصْرَتَهُ، وَمَا مِنَ امْرِئٍ يَنْصُرُ مُسْلِمًا فِي مَوْضِعٍ يُنْتَقَصُ فِيهِ مِنْ عِرْضِهِ وَيُنْتَهَكُ فِيهِ مِنْ حُرْمَتِهِ، إِلَّا نَصَرَهُ اللَّهُ فِي مَوْطِنٍ يُحِبُّ نُصْرَتَهُ»
“কোনো মুসলিম তার অপর মুসলিম ভাই যদি এমন স্থানে অপমান করে যেখানে তার সম্মানহানি হয়, তার ইয্যতের ওপর আঘাত আসে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে এমন জায়গায় বে-ইয্যত করবে, যেখানে সে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার মুখাপেক্ষী। আর কোনো মুসলিম তার অপর মুসলিম ভাইকে যদি এমন স্থানে সাহায্য করে যেখানে তার সম্মানহানি হয়, তার ইজ্জতের ওপর আঘাত আসে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে এমন জায়গায় সাহায্য করবে, যেখানে সে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার মুখাপেক্ষী”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৮৮৪; আহমদ, হাদীস নং ১৬৩৬৮, তাবরানী ফিল আওসাত, হাদীসটি হাসান।]
এদের সাথে তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যারা কল্যাণ ও কল্যাণকামীদের মহব্বতের দাবিদার অথচ তারা বাতিলপন্থীদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখে না এবং যখন কোনো মজলিসে মুসলিমদের দুর্নাম করা হয়, তাদের বিরুদ্ধাচরণ বা তাদের প্রতি বিদ্রূপ করতে শোনে তখন প্রতিবাদ করে না। তাদের প্রতি কঠিন হুমকি প্রত্যক্ষ করছি। তুমিও এ বিষয়ে সতর্ক হও। কারণ, এটি অবশ্যই যুলুম, অপমান ও মানুষকে খাটো করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«المسلم اخو المسلم لايظلمه ولايخذله ولا يحقره ... » .
“একজন মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। সে তার মুসলিম ভাইয়ের জুলুম করতে পারে না, তাকে অপমান করতে পারে না এবং তাকে হেয় করতে পারে না”। [সহীহ মুসলিম]
সাত- মুসলিম ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসার আরেকটি আলামত হলো তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা:
মুসলিম ভাইয়ের জন্য ক্ষমা চাওয়া, যদি কোন অন্যায় করার পর অন্যায় স্বীকার ও তওবা করে ফিরে আসে তাকে ক্ষমা ও মাপ করে দেওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱسۡتَغۡفِرۡ لِذَنۢبِكَ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۗ ١٩﴾ [ محمد : ١٩ ]
“আর তুমি তোমার গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের জন্য।” [সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ১৯]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لَنَا وَلِإِخۡوَٰنِنَا ٱلَّذِينَ سَبَقُونَا بِٱلۡإِيمَٰنِ وَلَا تَجۡعَلۡ فِي قُلُوبِنَا غِلّٗا لِّلَّذِينَ ءَامَنُواْ رَبَّنَآ إِنَّكَ رَءُوفٞ رَّحِيمٌ ١٠﴾ [ الحشر : ١٠ ]
“হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন; এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রাখবেন না। হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম দয়ালু।” [সূরা আল-হাশর, আয়াত: ১০]
«مَا مِنَ امْرِئٍ يَخْذُلُ امْرَأً مُسْلِمًا فِي مَوْضِعٍ تُنْتَهَكُ فِيهِ حُرْمَتُهُ وَيُنْتَقَصُ فِيهِ مِنْ عِرْضِهِ، إِلَّا خَذَلَهُ اللَّهُ فِي مَوْطِنٍ يُحِبُّ فِيهِ نُصْرَتَهُ، وَمَا مِنَ امْرِئٍ يَنْصُرُ مُسْلِمًا فِي مَوْضِعٍ يُنْتَقَصُ فِيهِ مِنْ عِرْضِهِ وَيُنْتَهَكُ فِيهِ مِنْ حُرْمَتِهِ، إِلَّا نَصَرَهُ اللَّهُ فِي مَوْطِنٍ يُحِبُّ نُصْرَتَهُ»
“কোনো মুসলিম তার অপর মুসলিম ভাই যদি এমন স্থানে অপমান করে যেখানে তার সম্মানহানি হয়, তার ইয্যতের ওপর আঘাত আসে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে এমন জায়গায় বে-ইয্যত করবে, যেখানে সে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার মুখাপেক্ষী। আর কোনো মুসলিম তার অপর মুসলিম ভাইকে যদি এমন স্থানে সাহায্য করে যেখানে তার সম্মানহানি হয়, তার ইজ্জতের ওপর আঘাত আসে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে এমন জায়গায় সাহায্য করবে, যেখানে সে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার মুখাপেক্ষী”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৮৮৪; আহমদ, হাদীস নং ১৬৩৬৮, তাবরানী ফিল আওসাত, হাদীসটি হাসান।]
এদের সাথে তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যারা কল্যাণ ও কল্যাণকামীদের মহব্বতের দাবিদার অথচ তারা বাতিলপন্থীদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখে না এবং যখন কোনো মজলিসে মুসলিমদের দুর্নাম করা হয়, তাদের বিরুদ্ধাচরণ বা তাদের প্রতি বিদ্রূপ করতে শোনে তখন প্রতিবাদ করে না। তাদের প্রতি কঠিন হুমকি প্রত্যক্ষ করছি। তুমিও এ বিষয়ে সতর্ক হও। কারণ, এটি অবশ্যই যুলুম, অপমান ও মানুষকে খাটো করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«المسلم اخو المسلم لايظلمه ولايخذله ولا يحقره ... » .
“একজন মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। সে তার মুসলিম ভাইয়ের জুলুম করতে পারে না, তাকে অপমান করতে পারে না এবং তাকে হেয় করতে পারে না”। [সহীহ মুসলিম]
সাত- মুসলিম ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসার আরেকটি আলামত হলো তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা:
মুসলিম ভাইয়ের জন্য ক্ষমা চাওয়া, যদি কোন অন্যায় করার পর অন্যায় স্বীকার ও তওবা করে ফিরে আসে তাকে ক্ষমা ও মাপ করে দেওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱسۡتَغۡفِرۡ لِذَنۢبِكَ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۗ ١٩﴾ [ محمد : ١٩ ]
“আর তুমি তোমার গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের জন্য।” [সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ১৯]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لَنَا وَلِإِخۡوَٰنِنَا ٱلَّذِينَ سَبَقُونَا بِٱلۡإِيمَٰنِ وَلَا تَجۡعَلۡ فِي قُلُوبِنَا غِلّٗا لِّلَّذِينَ ءَامَنُواْ رَبَّنَآ إِنَّكَ رَءُوفٞ رَّحِيمٌ ١٠﴾ [ الحشر : ١٠ ]
“হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন; এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রাখবেন না। হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম দয়ালু।” [সূরা আল-হাশর, আয়াত: ১০]