১
আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
তিন- আল্লাহর জন্য ভালোবাসার আরেকটি নিদর্শন মু’মিদের জান-মাল দিয়ে সাহায্য ও সহযোগিতা করা:
মুসলিম ভাইয়ের সাহায্য ও সহযোগিতায় নিজের পকেট থেকে ব্যয় করা। এতে একজন মুমিনের সাথে মহব্বত বাড়ে, মহা সাওয়াবের অধিকারী হয়, মুসলিম বন্ধন সু-দৃঢ় ও মজবুত হয় এবং পারস্পরিক সম্পর্ক স্থায়ী হয়। ফলে শত্রুরা মুসলিমদের দেখে ভয় পায় এবং আতংকিত হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَإِنِ ٱسۡتَنصَرُوكُمۡ فِي ٱلدِّينِ فَعَلَيۡكُمُ ٱلنَّصۡرُ إِلَّا عَلَىٰ قَوۡمِۢ بَيۡنَكُمۡ وَبَيۡنَهُم مِّيثَٰقٞۗ ٧٢﴾ [ الانفال : ٧٢ ]
“আর যদি তারা দীনের ব্যাপারে তোমাদের নিকট কোন সহযোগিতা চায়, তাহলে সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য। তবে এমন কওমের বিরুদ্ধে নয়, যাদের সাথে তোমাদের একে অপরের চুক্তি রয়েছে।” [সূরা আল-আনফাল, আয়াত: ৭২]
হাদীসে এসেছে,
«بَيْنَمَا نَحْنُ فِي سَفَرٍ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ عَلَى رَاحِلَةٍ لَهُ، قَالَ : فَجَعَلَ يَصْرِفُ بَصَرَهُ يَمِينًا وَشِمَالًا، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : «مَنْ كَانَ مَعَهُ فَضْلُ ظَهْرٍ، فَلْيَعُدْ بِهِ عَلَى مَنْ لَا ظَهْرَ لَهُ، وَمَنْ كَانَ لَهُ فَضْلٌ مِنْ زَادٍ، فَلْيَعُدْ بِهِ عَلَى مَنْ لَا زَادَ لَهُ» ، قَالَ : فَذَكَرَ مِنْ أَصْنَافِ الْمَالِ مَا ذَكَرَ حَتَّى رَأَيْنَا أَنَّهُ لَا حَقَّ لِأَحَدٍ مِنَّا فِي فَضْلٍ»
“একবার আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একটি সফরে ছিলেন। একলোক তার বাহণের উপর চড়ে উপস্থিত হলো এবং ডানে বামে চোখ ঘোরাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “যার নিকট সাওয়ারীর অতিরিক্ত জায়গা থাকে সে যেন এমন একজনকে তুলে নেয় যার কোনো সাওয়ারী নাই। আর যার নিকট প্রয়োজনের অতিরিক্ত আসবাব পত্র থাকে সে যেন যার কোনো আসবাব পত্র নেই তাকে শরীক করে নেয়”। আবু সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, “এভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক প্রকারের প্রয়োজনীয় জিনিসের নাম উল্লেখ করলেন, তাতে আমরা দেখতে পেলাম, আমাদের কারোরই অতিরিক্ত কোনো বস্তুর মধ্যে কোনো অধিকার রইল না। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৭২৮; আবু দাউদ, হাদীস নং ১৬৬৩]”
তবে বর্তমানে মুসলিমদের অবস্থার দিক তাকালে আমরা এর সম্পূর্ণ বিপরীত ও উল্টো দেখতে পাই। তারা তাদের স্বার্থের বাহিরে কোন কাজ করতে রাজি নয়। কেউ কারো সহযোগিতা করে না। একজন মানুষ মারা গেলেও তার সাহায্যে এগিয়ে আসে না।
﴿وَإِنِ ٱسۡتَنصَرُوكُمۡ فِي ٱلدِّينِ فَعَلَيۡكُمُ ٱلنَّصۡرُ إِلَّا عَلَىٰ قَوۡمِۢ بَيۡنَكُمۡ وَبَيۡنَهُم مِّيثَٰقٞۗ ٧٢﴾ [ الانفال : ٧٢ ]
“আর যদি তারা দীনের ব্যাপারে তোমাদের নিকট কোন সহযোগিতা চায়, তাহলে সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য। তবে এমন কওমের বিরুদ্ধে নয়, যাদের সাথে তোমাদের একে অপরের চুক্তি রয়েছে।” [সূরা আল-আনফাল, আয়াত: ৭২]
হাদীসে এসেছে,
«بَيْنَمَا نَحْنُ فِي سَفَرٍ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ عَلَى رَاحِلَةٍ لَهُ، قَالَ : فَجَعَلَ يَصْرِفُ بَصَرَهُ يَمِينًا وَشِمَالًا، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : «مَنْ كَانَ مَعَهُ فَضْلُ ظَهْرٍ، فَلْيَعُدْ بِهِ عَلَى مَنْ لَا ظَهْرَ لَهُ، وَمَنْ كَانَ لَهُ فَضْلٌ مِنْ زَادٍ، فَلْيَعُدْ بِهِ عَلَى مَنْ لَا زَادَ لَهُ» ، قَالَ : فَذَكَرَ مِنْ أَصْنَافِ الْمَالِ مَا ذَكَرَ حَتَّى رَأَيْنَا أَنَّهُ لَا حَقَّ لِأَحَدٍ مِنَّا فِي فَضْلٍ»
“একবার আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একটি সফরে ছিলেন। একলোক তার বাহণের উপর চড়ে উপস্থিত হলো এবং ডানে বামে চোখ ঘোরাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “যার নিকট সাওয়ারীর অতিরিক্ত জায়গা থাকে সে যেন এমন একজনকে তুলে নেয় যার কোনো সাওয়ারী নাই। আর যার নিকট প্রয়োজনের অতিরিক্ত আসবাব পত্র থাকে সে যেন যার কোনো আসবাব পত্র নেই তাকে শরীক করে নেয়”। আবু সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, “এভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক প্রকারের প্রয়োজনীয় জিনিসের নাম উল্লেখ করলেন, তাতে আমরা দেখতে পেলাম, আমাদের কারোরই অতিরিক্ত কোনো বস্তুর মধ্যে কোনো অধিকার রইল না। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৭২৮; আবু দাউদ, হাদীস নং ১৬৬৩]”
তবে বর্তমানে মুসলিমদের অবস্থার দিক তাকালে আমরা এর সম্পূর্ণ বিপরীত ও উল্টো দেখতে পাই। তারা তাদের স্বার্থের বাহিরে কোন কাজ করতে রাজি নয়। কেউ কারো সহযোগিতা করে না। একজন মানুষ মারা গেলেও তার সাহায্যে এগিয়ে আসে না।