১
আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
এক- সুখে দুঃখে সচ্চল ও অসচ্চল সর্বাবস্তায় মুমিনদের সাথে থাকা:
আল্লাহর জন্য ভালোবাসা বা বন্ধুত্বের নিদর্শন হলো, সুখে দুঃখে সচ্চল অসচ্চল সর্ববস্তায় মুমিনদের সাথে থাকা, তাদের সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখা এবং তাদের সহযোগিতা করা। মুমিনদের খুশিতে খুশি হওয়া এবং তাদের ব্যথায় ব্যথিত হওয়া, তাদের দুঃখে দুঃখিত হওয়া। একেই বলে আল্লাহর জন্য ভালোবাসা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَٱلۡمُؤۡمِنُونَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتُ بَعۡضُهُمۡ أَوۡلِيَآءُ بَعۡضٖۚ﴾ [ التوبة : ٧١ ]
“মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা একে অপরের বন্ধু”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৭১]
তোমরা মুনাফিকদের মতো হবে না, যারা সুখে তোমাদের সাথে থাকে আর যখন তোমাদের ওপর কোনো বিপদ আসে তখন তারা পলায়ন করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ٱلَّذِينَ يَتَرَبَّصُونَ بِكُمۡ فَإِن كَانَ لَكُمۡ فَتۡحٞ مِّنَ ٱللَّهِ قَالُوٓاْ أَلَمۡ نَكُن مَّعَكُمۡ وَإِن كَانَ لِلۡكَٰفِرِينَ نَصِيبٞ قَالُوٓاْ أَلَمۡ نَسۡتَحۡوِذۡ عَلَيۡكُمۡ وَنَمۡنَعۡكُم مِّنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۚ فَٱللَّهُ يَحۡكُمُ بَيۡنَكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ ١٤١﴾ [ النساء : ١٤١ ]
“যারা তোমাদের ব্যাপারে (অকল্যাণের) অপেক্ষায় থাকে, অতঃপর আল্লাহর পক্ষ থেকে যদি তোমাদের বিজয় হয় তবে তারা বলে, ‘আমরা কি তোমাদের সাথে ছিলাম না’? আর যদি কাফিরদের আংশিক বিজয় হয়, তবে তারা বলে, ‘আমরা কি তোমাদের উপর কর্তৃত্ব করিনি এবং মুমিনদের কবল থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করি নি’? সুতরাং আল্লাহ কিয়ামতের দিন তোমাদের মধ্যে বিচার করবেন। আর আল্লাহ কখনো মুমিনদের বিপক্ষে কাফিরদের জন্য পথ রাখবেন না।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৪১]
এ ধরনের চরিত্র অবলম্বন থেকে বিরত থাকতে হবে। সুখে দুঃখে সর্বাবস্থায় মুমিনদের সাথে থাকতে হবে, মুমিনদেরকেই সাথী নির্বাচন করতে হবে। যেমন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لَا تُصَاحِبْ إِلَّا مُؤْمِنًا، وَلَا يَأْكُلْ طَعَامَكَ إِلَّا تَقِيٌّ»
“তুমি মুমিন ছাড়া কাউকে সাথী বানাবে না আর তোমার খাবার যেন মুত্তাকী ছাড়া কেউ না খায়”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৮৩২; তিরমিযি, হাদীস নং ২৩৯৫]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«مَثَلُ الْمُؤْمِنِينَ فِي تَوَادِّهِمْ، وَتَرَاحُمِهِمْ، وَتَعَاطُفِهِمْ مَثَلُ الْجَسَدِ إِذَا اشْتَكَى مِنْهُ عُضْوٌ تَدَاعَى لَهُ سَائِرُ الْجَسَدِ بِالسَّهَرِ وَالْحُمَّى»
“মুমিনদের দৃষ্টান্ত পরস্পর মহব্বত করা, দয়া করা এবং নম্রতা পদর্শন করার দিক দিয়ে একটি দেহের মতো। যখন দেহের একটি অঙ্গ আক্রান্ত হয়, তার পুরো দেহই ব্যথা অনুভব করে এবং নির্ঘুম হয়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৮৬; মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৮৩৭২]
﴿وَٱلۡمُؤۡمِنُونَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتُ بَعۡضُهُمۡ أَوۡلِيَآءُ بَعۡضٖۚ﴾ [ التوبة : ٧١ ]
“মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীরা একে অপরের বন্ধু”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৭১]
তোমরা মুনাফিকদের মতো হবে না, যারা সুখে তোমাদের সাথে থাকে আর যখন তোমাদের ওপর কোনো বিপদ আসে তখন তারা পলায়ন করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿ٱلَّذِينَ يَتَرَبَّصُونَ بِكُمۡ فَإِن كَانَ لَكُمۡ فَتۡحٞ مِّنَ ٱللَّهِ قَالُوٓاْ أَلَمۡ نَكُن مَّعَكُمۡ وَإِن كَانَ لِلۡكَٰفِرِينَ نَصِيبٞ قَالُوٓاْ أَلَمۡ نَسۡتَحۡوِذۡ عَلَيۡكُمۡ وَنَمۡنَعۡكُم مِّنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَۚ فَٱللَّهُ يَحۡكُمُ بَيۡنَكُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ ١٤١﴾ [ النساء : ١٤١ ]
“যারা তোমাদের ব্যাপারে (অকল্যাণের) অপেক্ষায় থাকে, অতঃপর আল্লাহর পক্ষ থেকে যদি তোমাদের বিজয় হয় তবে তারা বলে, ‘আমরা কি তোমাদের সাথে ছিলাম না’? আর যদি কাফিরদের আংশিক বিজয় হয়, তবে তারা বলে, ‘আমরা কি তোমাদের উপর কর্তৃত্ব করিনি এবং মুমিনদের কবল থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করি নি’? সুতরাং আল্লাহ কিয়ামতের দিন তোমাদের মধ্যে বিচার করবেন। আর আল্লাহ কখনো মুমিনদের বিপক্ষে কাফিরদের জন্য পথ রাখবেন না।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৪১]
এ ধরনের চরিত্র অবলম্বন থেকে বিরত থাকতে হবে। সুখে দুঃখে সর্বাবস্থায় মুমিনদের সাথে থাকতে হবে, মুমিনদেরকেই সাথী নির্বাচন করতে হবে। যেমন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لَا تُصَاحِبْ إِلَّا مُؤْمِنًا، وَلَا يَأْكُلْ طَعَامَكَ إِلَّا تَقِيٌّ»
“তুমি মুমিন ছাড়া কাউকে সাথী বানাবে না আর তোমার খাবার যেন মুত্তাকী ছাড়া কেউ না খায়”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৮৩২; তিরমিযি, হাদীস নং ২৩৯৫]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«مَثَلُ الْمُؤْمِنِينَ فِي تَوَادِّهِمْ، وَتَرَاحُمِهِمْ، وَتَعَاطُفِهِمْ مَثَلُ الْجَسَدِ إِذَا اشْتَكَى مِنْهُ عُضْوٌ تَدَاعَى لَهُ سَائِرُ الْجَسَدِ بِالسَّهَرِ وَالْحُمَّى»
“মুমিনদের দৃষ্টান্ত পরস্পর মহব্বত করা, দয়া করা এবং নম্রতা পদর্শন করার দিক দিয়ে একটি দেহের মতো। যখন দেহের একটি অঙ্গ আক্রান্ত হয়, তার পুরো দেহই ব্যথা অনুভব করে এবং নির্ঘুম হয়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৮৬; মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৮৩৭২]