১
আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
দশ- মুসলিম ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসার আরেকটি আলামত হলো, পরস্পর সু-সম্পর্ক বজায় রাখা:
শর‘ঈ কোনো কারণ ছাড়া তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে না। তাকে হিংসা করবে না, তার সাথে দুশমনি করবে না। অপর ভাইয়ের বিক্রি বা ক্রয়ের প্রস্তাবের ওপর তুমি প্রস্তাব দেবে না। অপর ভাই যে জিনিষটি ক্রয় করতে চায় তার দাম বাড়িয়ে দেবে না। এ ধরনের কর্ম অবশ্যই অন্যায় ও গর্হিত কর্ম। এতে আল্লাহ তা‘আলা কখনোই রাজি হন না। আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا تَحَاسَدُوا، وَلَا تَنَاجَشُوا، وَلَا تَبَاغَضُوا، وَلَا تَدَابَرُوا، وَلَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ، وَكُونُوا عِبَادَ اللهِ إِخْوَانًا الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ، لَا يَظْلِمُهُ وَلَا يَخْذُلُهُ، وَلَا يَحْقِرُهُ التَّقْوَى هَاهُنَا» وَيُشِيرُ إِلَى صَدْرِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ «بِحَسْبِ امْرِئٍ مِنَ الشَّرِّ أَنْ يَحْقِرَ أَخَاهُ الْمُسْلِمَ، كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ، دَمُهُ، وَمَالُهُ، وَعِرْضُهُ»
“তোমরা একে অপরকে হিংসা করো না, কারো বিপক্ষে দালালি করো না, কারো সাথে শত্রুতা করো না, কারো সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করো না। কারো বিক্রির ওপর বিক্রি করো না, তোমরা সকলে আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হিসেবে জীবন যাপন কর। এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। সে তার প্রতি যুলুম করবে না, তাকে ছেড়ে দেবে না এবং অপমান করবে না। তাকওয়া মানুষের অন্তরে। বুকের দিকে ইশারা করে কথাটি তিনবার বলেন। একজন মানুষ নিকৃষ্ট হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার মুসলিম ভাইকে হেয় পতিপন্ন করে। প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপর মুসলিম ভাইয়ের জান-মাল ও ইজ্জত-আবরুকে হারাম করা হয়েছে [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬৪]।”
এ ধরনের হেয় প্রতিপন্ন করা প্রকাশ পায় সাধারণত তাদের থেকে, যাদেরকে বড় বড় অফিস পরিচালনা করে, বড় বড় পোষ্টে চাকুরী করে এবং একাধিক ডিগ্রি যা তারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করেছেন। এসবের কারণে তাদের থেকে যারা ছোট, বড় ধরণের কোনো উপাধি লাভ করতে পারে নি এবং বড় কোনো অফিসারও হতে পারে নি তাদেরকে সত্য কবুল করাকে অপমান মনে করে। ফলে তাদের হতে হয় সত্য বিমুখ।
«لَا تَحَاسَدُوا، وَلَا تَنَاجَشُوا، وَلَا تَبَاغَضُوا، وَلَا تَدَابَرُوا، وَلَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ، وَكُونُوا عِبَادَ اللهِ إِخْوَانًا الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ، لَا يَظْلِمُهُ وَلَا يَخْذُلُهُ، وَلَا يَحْقِرُهُ التَّقْوَى هَاهُنَا» وَيُشِيرُ إِلَى صَدْرِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ «بِحَسْبِ امْرِئٍ مِنَ الشَّرِّ أَنْ يَحْقِرَ أَخَاهُ الْمُسْلِمَ، كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ، دَمُهُ، وَمَالُهُ، وَعِرْضُهُ»
“তোমরা একে অপরকে হিংসা করো না, কারো বিপক্ষে দালালি করো না, কারো সাথে শত্রুতা করো না, কারো সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করো না। কারো বিক্রির ওপর বিক্রি করো না, তোমরা সকলে আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হিসেবে জীবন যাপন কর। এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। সে তার প্রতি যুলুম করবে না, তাকে ছেড়ে দেবে না এবং অপমান করবে না। তাকওয়া মানুষের অন্তরে। বুকের দিকে ইশারা করে কথাটি তিনবার বলেন। একজন মানুষ নিকৃষ্ট হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার মুসলিম ভাইকে হেয় পতিপন্ন করে। প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপর মুসলিম ভাইয়ের জান-মাল ও ইজ্জত-আবরুকে হারাম করা হয়েছে [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৬৪]।”
এ ধরনের হেয় প্রতিপন্ন করা প্রকাশ পায় সাধারণত তাদের থেকে, যাদেরকে বড় বড় অফিস পরিচালনা করে, বড় বড় পোষ্টে চাকুরী করে এবং একাধিক ডিগ্রি যা তারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করেছেন। এসবের কারণে তাদের থেকে যারা ছোট, বড় ধরণের কোনো উপাধি লাভ করতে পারে নি এবং বড় কোনো অফিসারও হতে পারে নি তাদেরকে সত্য কবুল করাকে অপমান মনে করে। ফলে তাদের হতে হয় সত্য বিমুখ।