১
আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
তেরো- মুসলিম ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসার আরেকটি আলামত ক্ষোভ ও রাগকে প্রশমিত করতে চেষ্টা করা:
মহব্বত ও ভালোবাসা অটুট রাখার উদ্দেশ্যে এক ভাই অপর ভাইয়ের রাগ, ক্ষোভ ও ক্রোধকে থামিয়ে দেবে এবং উত্তম কথা বলবে, যাতে রাগ থেমে যায় এবং মহব্বত নষ্ট না হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপস্থিতিতে সাহাবীদের মাঝে সংঘটিত একটি ঘটনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিকমতপূর্ণ- আচরণ থেকে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়। ঘটনাটি ঘটেছিল আওস ও খাযরাজ নামক দুটি প্রসিদ্ধ গোত্রের লোকদের মাঝে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মুনাফিক সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবাই ইবনে সুলুল কর্তৃক রচিত ইফকের (আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে অপবাদ দেওয়ার) ঘটনা বিষয়ে ভাষণ দিচ্ছিলেন এবং এ ঘটনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের কষ্টের কথা সাহাবীগণের নিকট তুলে ধরছিলেন তখন উল্লিখিত দুই গোত্র একটি অপরটির বিরুদ্ধে গর্জে উঠে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় গোত্রের লোকদের চুপ করিয়ে দেন এবং তিনি নিজেও চুপ করেন। ইমাম বুখারী ও মুসলিম উভয় ইফকের ঘটনার দীর্ঘ হাদীসে এ ঘটনাটি বর্ণনা করেন। তাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ مَنْ يَعْذِرُنِي مِنْ رَجُلٍ قَدْ بَلَغَ أَذَاهُ فِي أَهْلِ بَيْتِي فَوَاللهِ مَا عَلِمْتُ عَلَى أَهْلِي إِلَّا خَيْرًا، وَلَقَدْ ذَكَرُوا رَجُلًا مَا عَلِمْتُ عَلَيْهِ إِلَّا خَيْرًا، وَمَا كَانَ يَدْخُلُ عَلَى أَهْلِي إِلَّا مَعِي» فَقَامَ سَعْدُ بْنُ مُعَاذٍ الْأَنْصَارِيُّ، فَقَالَ : أَنَا أَعْذِرُكَ مِنْهُ، يَا رَسُولَ اللهِ إِنْ كَانَ مِنَ الْأَوْسِ ضَرَبْنَا عُنُقَهُ وَإِنْ كَانَ مِنْ إِخْوَانِنَا الْخَزْرَجِ أَمَرْتَنَا فَفَعَلْنَا أَمْرَكَ، قَالَتْ : فَقَامَ سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ وَهُوَ سَيِّدُ الْخَزْرَجِ، وَكَانَ رَجُلًا صَالِحًا، وَلَكِنِ اجْتَهَلَتْهُ الْحَمِيَّةُ، فَقَالَ لِسَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ : كَذَبْتَ لَعَمْرُ اللهِ لَا تَقْتُلُهُ، وَلَا تَقْدِرُ عَلَى قَتْلِهِ فَقَامَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ - وَهُوَ ابْنُ عَمِّ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ -، فَقَالَ لِسَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ : كَذَبْتَ لَعَمْرُ اللهِ لَنَقْتُلَنَّهُ فَإِنَّكَ مُنَافِقٌ تُجَادِلُ عَنِ الْمُنَافِقِينَ فَثَارَ الْحَيَّانِ الْأَوْسُ وَالْخَزْرَجُ حَتَّى هَمُّوا أَنْ يَقْتَتِلُوا وَرَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَائِمٌ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَلَمْ يَزَلْ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُخَفِّضُهُمْ حَتَّى سَكَتُوا وَسَكَتَ»
“হে মুসলিম সম্প্রদায়! এ লোকটি থেকে কে আমাকে রেহাই দেবে যে আমাকে আমার পরিবারের বিষয়ে কষ্ট দিচ্ছে। আল্লাহর শপথ আমি আমার পরিবার সম্পর্কে ভালো ছাড়া আর কিছুই জানি না। তারপর সা‘আদ ইবন মু‘আয আল-আনছারী দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল আমি আপনাকে তার থেকে রেহাই দেব। যদি লোকটি আওস গোত্রের হয়, আমি তাকে হত্যা করব। আর যদি আমাদের ভাই খাযরাজ গোত্রের হয়, তাহলে আপনি যা আদেশ করবেন তাই পালন করব। তারপর সা‘আদ উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু যিনি খাযরাজ গোত্রের সরদার ছিলেন উঠে দাঁড়ালেন। ইতোপূর্বে তিনি একজন সৎ লোক ছিলেন। কিন্তু জাতীয়তা তথা জাহিলিয়্যাতের প্রভাবে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। তিনি সা‘আদ ইবনে মু‘আয রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমি মিথ্যা বলছ, তুমি তাকে হত্যা করবে না এবং হত্যা করতে পারবে না। তারপর উসাইদ ইবন হুদাইর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু যিনি সা‘আদ ইবন মু‘আযের চাচাতো ভাই সা‘আদ ইবন উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমি মিথ্যা বলছ, আল্লাহর শপথ আমরা অবশ্যই তাকে হত্যা করব। তুমি অবশ্যই একজন মুনাফিক! মুনাফিকদের পক্ষ নিয়ে ঝগড়া করছ। আওস ও খাযরাজ উভয় গোত্রের লোকেরা একে অপরের ওপর চড়াও হওয়ার উপক্রম হল। এমনকি এক গোত্রের লোক অপর গোত্রের লোকদের হত্যা করার ইচ্ছা করল, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিম্বরে দাঁড়ানো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের চুপ করাচ্ছিলেন। অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রচেষ্টায় তারা উভয় গোত্র থামল এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও চুপ হলেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৬৬১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭৭০]
দেখুন কীভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের থামানোর জন্য তৎপর ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি তাদের থামাতে সক্ষম হলেন। এ বিষয়টি অনেক তালিবে ইলমের মধ্যেও অনুপস্থিত। অন্যদের কথাতো বাদ-ই দিলাম। যেমন তুমি এমন একটি মজলিসে অথবা কোন অনুষ্ঠানে উপস্থিত। যে কোনো কারণে সেখানে বিতর্ক শুরু হয়ে উচ্চ-বাচ্য আরম্ভ হয়ে গেল। তখন উভয় পক্ষকে চুপ করানো এবং তাদের থামানো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতটির ওপর আমল করতে পার। তা যেন তোমার থেকে ছুটে না যায়।
সহীহ মুসলিম ও সহীহ বুখারীতে আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«يَسِّرُوا وَلاَ تُعَسِّرُوا، وَبَشِّرُوا، وَلاَ تُنَفِّرُوا»
“তোমরা সহজ কর, কঠিন করো না। তোমরা সু-সংবাদ দাও, ভীতি প্রদর্শন করো না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৭৩৪] বিষয়টি আল্লাহ তা‘আলার এ বাণীটির অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَقُل لِّعِبَادِي يَقُولُواْ ٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُۚ إِنَّ ٱلشَّيۡطَٰنَ يَنزَغُ بَيۡنَهُمۡۚ إِنَّ ٱلشَّيۡطَٰنَ كَانَ لِلۡإِنسَٰنِ عَدُوّٗا مُّبِينٗا ٥٣﴾ [ الاسراء : ٥٣ ]
“আর আমার বান্দাদেরকে বল, তারা যেন এমন কথা বলে, যা অতি সুন্দর। নিশ্চয় শয়তান তাদের মধ্যে বৈরিতা সৃষ্টি করে। নিশ্চয় শয়তান মানুষের স্পষ্ট শত্রু”। [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৫৩]
সমাপ্ত
«يَا مَعْشَرَ الْمُسْلِمِينَ مَنْ يَعْذِرُنِي مِنْ رَجُلٍ قَدْ بَلَغَ أَذَاهُ فِي أَهْلِ بَيْتِي فَوَاللهِ مَا عَلِمْتُ عَلَى أَهْلِي إِلَّا خَيْرًا، وَلَقَدْ ذَكَرُوا رَجُلًا مَا عَلِمْتُ عَلَيْهِ إِلَّا خَيْرًا، وَمَا كَانَ يَدْخُلُ عَلَى أَهْلِي إِلَّا مَعِي» فَقَامَ سَعْدُ بْنُ مُعَاذٍ الْأَنْصَارِيُّ، فَقَالَ : أَنَا أَعْذِرُكَ مِنْهُ، يَا رَسُولَ اللهِ إِنْ كَانَ مِنَ الْأَوْسِ ضَرَبْنَا عُنُقَهُ وَإِنْ كَانَ مِنْ إِخْوَانِنَا الْخَزْرَجِ أَمَرْتَنَا فَفَعَلْنَا أَمْرَكَ، قَالَتْ : فَقَامَ سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ وَهُوَ سَيِّدُ الْخَزْرَجِ، وَكَانَ رَجُلًا صَالِحًا، وَلَكِنِ اجْتَهَلَتْهُ الْحَمِيَّةُ، فَقَالَ لِسَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ : كَذَبْتَ لَعَمْرُ اللهِ لَا تَقْتُلُهُ، وَلَا تَقْدِرُ عَلَى قَتْلِهِ فَقَامَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ - وَهُوَ ابْنُ عَمِّ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ -، فَقَالَ لِسَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ : كَذَبْتَ لَعَمْرُ اللهِ لَنَقْتُلَنَّهُ فَإِنَّكَ مُنَافِقٌ تُجَادِلُ عَنِ الْمُنَافِقِينَ فَثَارَ الْحَيَّانِ الْأَوْسُ وَالْخَزْرَجُ حَتَّى هَمُّوا أَنْ يَقْتَتِلُوا وَرَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَائِمٌ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَلَمْ يَزَلْ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُخَفِّضُهُمْ حَتَّى سَكَتُوا وَسَكَتَ»
“হে মুসলিম সম্প্রদায়! এ লোকটি থেকে কে আমাকে রেহাই দেবে যে আমাকে আমার পরিবারের বিষয়ে কষ্ট দিচ্ছে। আল্লাহর শপথ আমি আমার পরিবার সম্পর্কে ভালো ছাড়া আর কিছুই জানি না। তারপর সা‘আদ ইবন মু‘আয আল-আনছারী দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল আমি আপনাকে তার থেকে রেহাই দেব। যদি লোকটি আওস গোত্রের হয়, আমি তাকে হত্যা করব। আর যদি আমাদের ভাই খাযরাজ গোত্রের হয়, তাহলে আপনি যা আদেশ করবেন তাই পালন করব। তারপর সা‘আদ উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু যিনি খাযরাজ গোত্রের সরদার ছিলেন উঠে দাঁড়ালেন। ইতোপূর্বে তিনি একজন সৎ লোক ছিলেন। কিন্তু জাতীয়তা তথা জাহিলিয়্যাতের প্রভাবে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। তিনি সা‘আদ ইবনে মু‘আয রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমি মিথ্যা বলছ, তুমি তাকে হত্যা করবে না এবং হত্যা করতে পারবে না। তারপর উসাইদ ইবন হুদাইর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু যিনি সা‘আদ ইবন মু‘আযের চাচাতো ভাই সা‘আদ ইবন উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমি মিথ্যা বলছ, আল্লাহর শপথ আমরা অবশ্যই তাকে হত্যা করব। তুমি অবশ্যই একজন মুনাফিক! মুনাফিকদের পক্ষ নিয়ে ঝগড়া করছ। আওস ও খাযরাজ উভয় গোত্রের লোকেরা একে অপরের ওপর চড়াও হওয়ার উপক্রম হল। এমনকি এক গোত্রের লোক অপর গোত্রের লোকদের হত্যা করার ইচ্ছা করল, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিম্বরে দাঁড়ানো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের চুপ করাচ্ছিলেন। অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রচেষ্টায় তারা উভয় গোত্র থামল এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও চুপ হলেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৬৬১; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭৭০]
দেখুন কীভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের থামানোর জন্য তৎপর ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি তাদের থামাতে সক্ষম হলেন। এ বিষয়টি অনেক তালিবে ইলমের মধ্যেও অনুপস্থিত। অন্যদের কথাতো বাদ-ই দিলাম। যেমন তুমি এমন একটি মজলিসে অথবা কোন অনুষ্ঠানে উপস্থিত। যে কোনো কারণে সেখানে বিতর্ক শুরু হয়ে উচ্চ-বাচ্য আরম্ভ হয়ে গেল। তখন উভয় পক্ষকে চুপ করানো এবং তাদের থামানো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নতটির ওপর আমল করতে পার। তা যেন তোমার থেকে ছুটে না যায়।
সহীহ মুসলিম ও সহীহ বুখারীতে আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«يَسِّرُوا وَلاَ تُعَسِّرُوا، وَبَشِّرُوا، وَلاَ تُنَفِّرُوا»
“তোমরা সহজ কর, কঠিন করো না। তোমরা সু-সংবাদ দাও, ভীতি প্রদর্শন করো না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৭৩৪] বিষয়টি আল্লাহ তা‘আলার এ বাণীটির অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَقُل لِّعِبَادِي يَقُولُواْ ٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُۚ إِنَّ ٱلشَّيۡطَٰنَ يَنزَغُ بَيۡنَهُمۡۚ إِنَّ ٱلشَّيۡطَٰنَ كَانَ لِلۡإِنسَٰنِ عَدُوّٗا مُّبِينٗا ٥٣﴾ [ الاسراء : ٥٣ ]
“আর আমার বান্দাদেরকে বল, তারা যেন এমন কথা বলে, যা অতি সুন্দর। নিশ্চয় শয়তান তাদের মধ্যে বৈরিতা সৃষ্টি করে। নিশ্চয় শয়তান মানুষের স্পষ্ট শত্রু”। [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৫৩]
সমাপ্ত