১
আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
মহব্বত ও শত্রতার শ্রেণিবিন্যাস:
মহব্বত করা ও শত্রুতা রাখার ক্ষেত্রে মানুষ তিন শ্রেণিতে বিভক্ত:
এক- যাদেরকে নীরেট মহব্বত করতে হবে। তাদের প্রতি কোনো প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করা চলবে না। তারা হলেন নবী, রাসূল, সিদ্দীক এবং শহীদগণ। এদের অগ্রভাগে রয়েছেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাকে অবশ্যই দুনিয়ার সবকিছু থেকে অধিক মহব্বত করতে হবে। তারপর রয়েছেন উম্মুহাতুল মুমিনীন, রাসূলের পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণ। সাহাবীগণের প্রথম সারিতে রয়েছেন খোলাফায়ে রাশেদীন, তারপর সু-সংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবী, তারপর বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীগণ, তারপর বাই‘আতে রিদওয়ানে অংশগ্রহণকারী সাহাবীগণ এবং তারপর অন্যান্য সাহাবীগণ। তারপর রয়েছেন তাবে‘ঈগণ, উম্মাতের সালফে সালেহীনগণ এবং মুজতাহিদ ইমামগণ। বিশেষ করে চার ইমাম।
দুই- যাদেরকে নীরেট ঘৃণার চোখে দেখতে হবে। সর্বাবস্থায় তাদের বিরোধিতা করতে হবে। কোনো প্রকার বন্ধুত্ব তাদের সাথে চলবে না। তারা হলেন অমুসলিম, কাফির, মুশরিক, নাস্তিক ও মুরতাদ।
তিন- যাদের আংশিক ভালোবাসতে হবে এবং আংশিক ঘৃণা করতে হবে। তারা হলেন অপরাধী মুমিনগণ। মহব্বত ও শত্রুতা উভয়টিই তাদের ব্যাপারে একত্র হবে। তাদের মধ্যে ঈমান রয়েছে এ জন্য তাদের ভালোবাসতে হবে। আর তাদের গুণাহ ও অপরাধের কারণে তাদের ঘৃণা করতে হবে।
কুরআন ও হাদীসের পর্যালোচনায় আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের একাধিক নিদর্শন পাওয়া যায়। আল্লাহ তা‘আলার দেওয়া তাওফীক অনুযায়ী আমরা আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের নিদর্শনসমূহ কী তা নিম্নে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ!
এক- যাদেরকে নীরেট মহব্বত করতে হবে। তাদের প্রতি কোনো প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করা চলবে না। তারা হলেন নবী, রাসূল, সিদ্দীক এবং শহীদগণ। এদের অগ্রভাগে রয়েছেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাকে অবশ্যই দুনিয়ার সবকিছু থেকে অধিক মহব্বত করতে হবে। তারপর রয়েছেন উম্মুহাতুল মুমিনীন, রাসূলের পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণ। সাহাবীগণের প্রথম সারিতে রয়েছেন খোলাফায়ে রাশেদীন, তারপর সু-সংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবী, তারপর বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীগণ, তারপর বাই‘আতে রিদওয়ানে অংশগ্রহণকারী সাহাবীগণ এবং তারপর অন্যান্য সাহাবীগণ। তারপর রয়েছেন তাবে‘ঈগণ, উম্মাতের সালফে সালেহীনগণ এবং মুজতাহিদ ইমামগণ। বিশেষ করে চার ইমাম।
দুই- যাদেরকে নীরেট ঘৃণার চোখে দেখতে হবে। সর্বাবস্থায় তাদের বিরোধিতা করতে হবে। কোনো প্রকার বন্ধুত্ব তাদের সাথে চলবে না। তারা হলেন অমুসলিম, কাফির, মুশরিক, নাস্তিক ও মুরতাদ।
তিন- যাদের আংশিক ভালোবাসতে হবে এবং আংশিক ঘৃণা করতে হবে। তারা হলেন অপরাধী মুমিনগণ। মহব্বত ও শত্রুতা উভয়টিই তাদের ব্যাপারে একত্র হবে। তাদের মধ্যে ঈমান রয়েছে এ জন্য তাদের ভালোবাসতে হবে। আর তাদের গুণাহ ও অপরাধের কারণে তাদের ঘৃণা করতে হবে।
কুরআন ও হাদীসের পর্যালোচনায় আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের একাধিক নিদর্শন পাওয়া যায়। আল্লাহ তা‘আলার দেওয়া তাওফীক অনুযায়ী আমরা আল্লাহর জন্য ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের নিদর্শনসমূহ কী তা নিম্নে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ!