১
ইলমে দীন অর্জনের পথ ও পদ্ধতি
লেখকঃ সালেহ ইবন আবদুল আযীয আলে শাইখ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
দুই: ইলমে তাওহীদ
তাওহীদ দুই প্রকার: সাধারণ আকিদা ও ইবাদতঘনিষ্ট তাওহীদ।
অর্থাৎ আল্লাহ চাহেত যে ইলমে তাওহীদ আপনি পড়বেন সেই ইলমের গ্রন্থগুলো দুই প্রকারের। এক প্রকারের কিতাবগুলোতে পাবেন সাধারণ আকিদা। এই প্রকারের কিতাব হচ্ছে যেমন-লুম‘আতুল ইতিকাদ, শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়ার আল-ওয়াসিতিয়্যা, আল-‘আকিদা আত্ তাহাবিয়্যা ইত্যাদি। অর্থাৎ যে কিতাবগুলোতে আকিদার সবগুলো বিষয় উল্লেখ থাকে। যেমন, আল্লাহর প্রতি ঈমান, তাঁর নাম ও গুণাবলীর প্রতি ঈমান, তাঁর প্রতিপালকত্বে ঈমান, ফিরিশতাদের প্রতি ঈমান, আসমানী কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান, রাসূলগণের প্রতি ঈমান, শেষ দিবসের প্রতি ঈমান, কিয়ামতের বিভীষিকার প্রতি ঈমান, কবরের আযাবের প্রতি ঈমান, পুনরুত্থানের প্রতি ঈমান, কিয়ামতের পূর্বে যা ঘটবে সেগুলোর প্রতি ঈমান, জান্নাত জাহান্নামের প্রতি ঈমান, তাকদীরের প্রতি ঈমান, তাকদীরের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াবলীর প্রতি ঈমান। এ ধরনের গ্রন্থপ্রণেতাগণ এ বিষয়গুলোর পর আকিদার অন্য বিষয়গুলো পেশ করেন। যেমন, আল্লাহর ওলীগণ ও তাদের কারামত, সাহাবীগণ, ইমাম তথা রাষ্ট্রপ্রধান ও তার অধিকার, সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ, সৎচরিত্র (যেমন ইবন তাইমিয়া ওয়াসেতিয়ার শেষে উল্লেখ করেছেন) ইত্যাদি। এ ধরনের গ্রন্থ হলো সাধারণ আকিদার কিতাব।
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আকিদা শিক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রেও আপনি ক্রমধারা অবলম্বন করবেন। প্রথমে সংক্ষিপ্ত একটি পুস্তিকা কোনো একজন শাইখের নিকট পড়বেন। তাফসীর পড়ার জন্য কোনো শাইখের প্রয়োজন নেই। তাফসীরের কোনো বিষয় না বুঝলে যে কোন আলেমকে আপনি জিজ্ঞেস করে নিতে পারবেন। কিন্তু তাওহীদ অবশ্যই একজন শাইখের নিকট পড়তে হবে। যেমন ধরুন আপনি লুম‘আতুল ই‘তিকাদ দিয়ে শুরু করলেন। এ পুস্তিকাটি যদি মুখস্থ করে ফেলেন তাহলে খুব ভাল। আর মুখস্থ করতে না পারলে বারবার পড়বেন। যাতে করে এর অধ্যায়গুলো আপনার আয়ত্বে থাকে।
এ ক্ষেত্রে তালিবে ইলমের ত্রুটি হলো তারা কোনো একটি কিতাব শাইখের নিকট পড়েন কিন্তু এই কিতাবের অধ্যায়গুলো, পরিচ্ছেদগুলো একবার উল্টিয়ে দেখেন না। শিক্ষক যে স্থানটি পড়ান তিনি শুধু সে শিরোনামটিই জানেন- এটি ভুল। বরঞ্চ আপনার উচিৎ কিতাবের পরিচ্ছেদগুলো সম্পর্কে একটা ধারণা নেওয়া।
আপনি লুম‘আতুল ই‘তিকাদ কিতাবটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটুকু পড়বেন। এতে করে এ পুস্তিকার নিয়ম ও বিষয়বস্তু ইত্যাদি আপনার জানা হয়ে যাবে। তারপর শাইখ বা শিক্ষকের কাছে কিতাবটি পড়বেন।
লুম‘আতুল ই‘তিকাদ কিতাবটি প্রাথমিক গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। যার বিষয়বস্তু সুস্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত। শাইখ বা শিক্ষক যখন তার কোনো ব্যাখ্যা করবেন তখন আপনি নীতিমালাগুলো লিখে রাখবেন। পরবর্তীতে আপনি এগুলো মুখস্থ করে নিবেন। যখন আপনি এই কিতাবের ব্যাখ্যাটি যথাযথভাবে আয়ত্ব করতে পারলেন এবং উপলদ্ধি করলেন যে, কিতাবটি আপনি বুঝতে পেরেছেন এবং ভালোভাবে আয়ত্ব আনতে পেরেছেন অথবা অন্তত অধিকাংশ বিষয়গুলো আয়ত্ব করতে পেরেছেন তখন আপনি অন্য একটি কিতাব পড়া শুরু করবেন। যেমন ধরুন, ‘ওয়াসেতিয়্যাহ’ গ্রন্থটি শুরু করলেন। ‘ওয়াসেতিয়্যাহ’ গ্রন্থটিও আপনি কোনো একজন শাইখের নিকট পড়বেন।
অর্থাৎ আল্লাহ চাহেত যে ইলমে তাওহীদ আপনি পড়বেন সেই ইলমের গ্রন্থগুলো দুই প্রকারের। এক প্রকারের কিতাবগুলোতে পাবেন সাধারণ আকিদা। এই প্রকারের কিতাব হচ্ছে যেমন-লুম‘আতুল ইতিকাদ, শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়ার আল-ওয়াসিতিয়্যা, আল-‘আকিদা আত্ তাহাবিয়্যা ইত্যাদি। অর্থাৎ যে কিতাবগুলোতে আকিদার সবগুলো বিষয় উল্লেখ থাকে। যেমন, আল্লাহর প্রতি ঈমান, তাঁর নাম ও গুণাবলীর প্রতি ঈমান, তাঁর প্রতিপালকত্বে ঈমান, ফিরিশতাদের প্রতি ঈমান, আসমানী কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান, রাসূলগণের প্রতি ঈমান, শেষ দিবসের প্রতি ঈমান, কিয়ামতের বিভীষিকার প্রতি ঈমান, কবরের আযাবের প্রতি ঈমান, পুনরুত্থানের প্রতি ঈমান, কিয়ামতের পূর্বে যা ঘটবে সেগুলোর প্রতি ঈমান, জান্নাত জাহান্নামের প্রতি ঈমান, তাকদীরের প্রতি ঈমান, তাকদীরের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াবলীর প্রতি ঈমান। এ ধরনের গ্রন্থপ্রণেতাগণ এ বিষয়গুলোর পর আকিদার অন্য বিষয়গুলো পেশ করেন। যেমন, আল্লাহর ওলীগণ ও তাদের কারামত, সাহাবীগণ, ইমাম তথা রাষ্ট্রপ্রধান ও তার অধিকার, সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ, সৎচরিত্র (যেমন ইবন তাইমিয়া ওয়াসেতিয়ার শেষে উল্লেখ করেছেন) ইত্যাদি। এ ধরনের গ্রন্থ হলো সাধারণ আকিদার কিতাব।
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আকিদা শিক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রেও আপনি ক্রমধারা অবলম্বন করবেন। প্রথমে সংক্ষিপ্ত একটি পুস্তিকা কোনো একজন শাইখের নিকট পড়বেন। তাফসীর পড়ার জন্য কোনো শাইখের প্রয়োজন নেই। তাফসীরের কোনো বিষয় না বুঝলে যে কোন আলেমকে আপনি জিজ্ঞেস করে নিতে পারবেন। কিন্তু তাওহীদ অবশ্যই একজন শাইখের নিকট পড়তে হবে। যেমন ধরুন আপনি লুম‘আতুল ই‘তিকাদ দিয়ে শুরু করলেন। এ পুস্তিকাটি যদি মুখস্থ করে ফেলেন তাহলে খুব ভাল। আর মুখস্থ করতে না পারলে বারবার পড়বেন। যাতে করে এর অধ্যায়গুলো আপনার আয়ত্বে থাকে।
এ ক্ষেত্রে তালিবে ইলমের ত্রুটি হলো তারা কোনো একটি কিতাব শাইখের নিকট পড়েন কিন্তু এই কিতাবের অধ্যায়গুলো, পরিচ্ছেদগুলো একবার উল্টিয়ে দেখেন না। শিক্ষক যে স্থানটি পড়ান তিনি শুধু সে শিরোনামটিই জানেন- এটি ভুল। বরঞ্চ আপনার উচিৎ কিতাবের পরিচ্ছেদগুলো সম্পর্কে একটা ধারণা নেওয়া।
আপনি লুম‘আতুল ই‘তিকাদ কিতাবটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটুকু পড়বেন। এতে করে এ পুস্তিকার নিয়ম ও বিষয়বস্তু ইত্যাদি আপনার জানা হয়ে যাবে। তারপর শাইখ বা শিক্ষকের কাছে কিতাবটি পড়বেন।
লুম‘আতুল ই‘তিকাদ কিতাবটি প্রাথমিক গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। যার বিষয়বস্তু সুস্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত। শাইখ বা শিক্ষক যখন তার কোনো ব্যাখ্যা করবেন তখন আপনি নীতিমালাগুলো লিখে রাখবেন। পরবর্তীতে আপনি এগুলো মুখস্থ করে নিবেন। যখন আপনি এই কিতাবের ব্যাখ্যাটি যথাযথভাবে আয়ত্ব করতে পারলেন এবং উপলদ্ধি করলেন যে, কিতাবটি আপনি বুঝতে পেরেছেন এবং ভালোভাবে আয়ত্ব আনতে পেরেছেন অথবা অন্তত অধিকাংশ বিষয়গুলো আয়ত্ব করতে পেরেছেন তখন আপনি অন্য একটি কিতাব পড়া শুরু করবেন। যেমন ধরুন, ‘ওয়াসেতিয়্যাহ’ গ্রন্থটি শুরু করলেন। ‘ওয়াসেতিয়্যাহ’ গ্রন্থটিও আপনি কোনো একজন শাইখের নিকট পড়বেন।