১
ইলমে দীন অর্জনের পথ ও পদ্ধতি
লেখকঃ সালেহ ইবন আবদুল আযীয আলে শাইখ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
আপনি কীভাবে বুঝবেন যে আপনি তাফসীর বুঝেছেন
প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি কীভাবে বুঝবেন যে আপনি তাফসীর বুঝেছেন যাতে করে অন্য বিদ্যার দিকে মনোনিবেশ করতে পারেন?
জবাব: আপনি নিজে নিজে তাফসীর করতে পারেন কিনা সেটা যাচাই করবেন। উদাহরণতঃ আপনি সূরা ‘ওয়াস শামসি ওয়া দুহাহা’ পড়েছেন। তাফসীরে জালালাইনে সূরাটির তাফসীর পড়েছেন এবং বুঝেছেন। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনি এই সূরার তাফসীর আয়ত্ব করতে পেরেছেন কিনা? জালালাইন কিতাবটি বন্ধ করে নিজে নিজে তাফসীর করা শুরু করুন। যদি আপনি নির্দ্বিধায় সঠিকভাবে সূরাটির তাফসীর করতে সক্ষম হন তাহলে আপনি ক্রমধারা অনুসরণ করেছেন এবং আপনার তাফসীর শেখা হয়েছে। এরপর আপনি নতুন পড়া শুরু করতে পারেন। এই পদ্ধতির আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যা অন্য ইলমের আলোচনাতেও আসবে। তাহলে আপনি শুরু করবেন তাফসীরে জালালাইন দিয়ে। পরবর্তী ধাপে আপনি জালালাইনের চেয়ে বড় কোনো তাফসীরের কিতাব পড়বেন। যেমন, শাইখ আব্দুর রহমান সা‘দীর তাফসীর অথবা তাফসীরে বাগাভি অথবা ইবন কাসীর অথবা ইবন কাসীরের কোনো একটি সংক্ষিপ্তসার (যদি বিপরীতমূখিতা ব্যতিরেকে কোনো সংক্ষিপ্তসার পাওয়া যায়)। আপনি এ কিতাবটি কিছুটা দ্রুত পড়বেন। আপনি এই কিতাবটি পড়ে আল্লাহর কালামের মর্মার্থ জানবেন। এই গ্রন্থটিতে তথ্যের সমাহার জালালাইনের চেয়ে বেশি ঘটবে। জালালাইনে যে তথ্যগুলো আপনি অনুধাবন করতে পেরেছেন সেগুলো পুনরায় যখন আপনি পড়বেন তখন এ অতিরিক্ত তথ্যের সাথে পূর্বের পড়া তথ্যগুলো আপনার নিকট আরো সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে। যেহেতু আপনি নিজ থেকেই ‘ওয়াস শামসি ওয়াদুহাহা’ সূরাটি তাফসীর করতে পেরেছেন। যখন আপনি তাফসীরে ইবন কাসীর পড়বেন অথবা তাফসীরে বাগাভি পড়বেন অথবা এ পর্যায়ের অন্য কোনো কিতাব পড়বেন তখন আপনি অনুভব করবেন যে, আপনি নতুন কিছু শিখতে পারছেন। এভাবে সময়ের সাথে সাথে আপনি অনুভব করবেন যে, আল্লাহর কালাম অনুধাবন করার জ্ঞান আপনার অনেকটুকু বৃদ্ধি পেয়েছে।
জবাব: আপনি নিজে নিজে তাফসীর করতে পারেন কিনা সেটা যাচাই করবেন। উদাহরণতঃ আপনি সূরা ‘ওয়াস শামসি ওয়া দুহাহা’ পড়েছেন। তাফসীরে জালালাইনে সূরাটির তাফসীর পড়েছেন এবং বুঝেছেন। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনি এই সূরার তাফসীর আয়ত্ব করতে পেরেছেন কিনা? জালালাইন কিতাবটি বন্ধ করে নিজে নিজে তাফসীর করা শুরু করুন। যদি আপনি নির্দ্বিধায় সঠিকভাবে সূরাটির তাফসীর করতে সক্ষম হন তাহলে আপনি ক্রমধারা অনুসরণ করেছেন এবং আপনার তাফসীর শেখা হয়েছে। এরপর আপনি নতুন পড়া শুরু করতে পারেন। এই পদ্ধতির আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যা অন্য ইলমের আলোচনাতেও আসবে। তাহলে আপনি শুরু করবেন তাফসীরে জালালাইন দিয়ে। পরবর্তী ধাপে আপনি জালালাইনের চেয়ে বড় কোনো তাফসীরের কিতাব পড়বেন। যেমন, শাইখ আব্দুর রহমান সা‘দীর তাফসীর অথবা তাফসীরে বাগাভি অথবা ইবন কাসীর অথবা ইবন কাসীরের কোনো একটি সংক্ষিপ্তসার (যদি বিপরীতমূখিতা ব্যতিরেকে কোনো সংক্ষিপ্তসার পাওয়া যায়)। আপনি এ কিতাবটি কিছুটা দ্রুত পড়বেন। আপনি এই কিতাবটি পড়ে আল্লাহর কালামের মর্মার্থ জানবেন। এই গ্রন্থটিতে তথ্যের সমাহার জালালাইনের চেয়ে বেশি ঘটবে। জালালাইনে যে তথ্যগুলো আপনি অনুধাবন করতে পেরেছেন সেগুলো পুনরায় যখন আপনি পড়বেন তখন এ অতিরিক্ত তথ্যের সাথে পূর্বের পড়া তথ্যগুলো আপনার নিকট আরো সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে। যেহেতু আপনি নিজ থেকেই ‘ওয়াস শামসি ওয়াদুহাহা’ সূরাটি তাফসীর করতে পেরেছেন। যখন আপনি তাফসীরে ইবন কাসীর পড়বেন অথবা তাফসীরে বাগাভি পড়বেন অথবা এ পর্যায়ের অন্য কোনো কিতাব পড়বেন তখন আপনি অনুভব করবেন যে, আপনি নতুন কিছু শিখতে পারছেন। এভাবে সময়ের সাথে সাথে আপনি অনুভব করবেন যে, আল্লাহর কালাম অনুধাবন করার জ্ঞান আপনার অনেকটুকু বৃদ্ধি পেয়েছে।