১
বাংলাদেশে ইসলামি শিক্ষানীতির রূপরেখা
লেখকঃ আবদুস শহীদ নাসিম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
শিক্ষার লক্ষ্য অনুচ্ছদ : ২৯
১. শরিক রাষ্ট্রসমূহ এ ব্যাপারে সম্মত যে, শিশুদের দিক্ষা দানের ক্ষেত্রে লক্ষ্য থাকবে-ক. শিশুর ব্যক্তিত্ব, মেধা এবং মানসিক ও শারীরিক সামর্থের পরিপূর্ণ বিকাশ;
খ. মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার এবং জাতিসংঘ ঘোষণায় বর্ণিত নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ :গ. শিশুর পিতা-মাতা তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক সত্তা, ভাষা ও মূল্যবোধ, তার মাতৃভূমি এবং অপরাপর সভ্যতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ :
ঘ. সমঝোতা, শান্তি, সহিষ্ণুতা, নারী-পুরুষের সমানাধিকার এবং সকল মানুষ নৃ-গোষ্ঠী, জাতীয় ও ধর্মীয় গোষ্ঠী এবং আদিবাসী লোকজনের মধ্যে মৈত্রীর চেতনার আলোকে একটি মুক্ত সমাজে দায়িত্বশীল জীবনের জন্য শিশুর প্রস্ততি :
ঙ. প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ।
এই অনুচ্ছেদের বিশ্লেষণের করলে দেখা যায়, জাতি সংঘ সাধারণ পরিষদের দৃষ্টিতে শিশুর লক্ষ্য হলো :১. ব্যক্তিত্বের পরিপূর্ণ বিকাশ:২. মেধার পরিপূর্ণ বিকাশ;৩. মানসিক শক্তির পরিপূর্ণ বিকাশ;৪. শারীরিক সামর্থের পরিপূর্ণ বিকাশ;৫. মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;৬. মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;৭. জাতিসংঘ ঘোষণার বর্ণিত নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;৮. পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;৯. নিজস্ব সাংস্কৃতিক সত্তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১০. নিজস্ব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১১. নিজস্ব মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১২. মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১৩. অপরাপর সভ্যতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১৪. সমঝোতা, শান্তি, সহিষ্ণুতা, নারী-পুরুষের সমানাধিকার এবং সকল মানুষ. নৃ-গোষ্ঠী, জাতীয় ও ধর্মীয় গোষ্ঠী এবং আদিবাসী লোকজনের মধ্যে মৈত্রীর চেতনার আলোকে একটি মুক্ত সমাজে দায়িত্বশীল জীবনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ;১৫. প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ।
খ. মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার এবং জাতিসংঘ ঘোষণায় বর্ণিত নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ :গ. শিশুর পিতা-মাতা তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক সত্তা, ভাষা ও মূল্যবোধ, তার মাতৃভূমি এবং অপরাপর সভ্যতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ :
ঘ. সমঝোতা, শান্তি, সহিষ্ণুতা, নারী-পুরুষের সমানাধিকার এবং সকল মানুষ নৃ-গোষ্ঠী, জাতীয় ও ধর্মীয় গোষ্ঠী এবং আদিবাসী লোকজনের মধ্যে মৈত্রীর চেতনার আলোকে একটি মুক্ত সমাজে দায়িত্বশীল জীবনের জন্য শিশুর প্রস্ততি :
ঙ. প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ।
এই অনুচ্ছেদের বিশ্লেষণের করলে দেখা যায়, জাতি সংঘ সাধারণ পরিষদের দৃষ্টিতে শিশুর লক্ষ্য হলো :১. ব্যক্তিত্বের পরিপূর্ণ বিকাশ:২. মেধার পরিপূর্ণ বিকাশ;৩. মানসিক শক্তির পরিপূর্ণ বিকাশ;৪. শারীরিক সামর্থের পরিপূর্ণ বিকাশ;৫. মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;৬. মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;৭. জাতিসংঘ ঘোষণার বর্ণিত নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;৮. পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;৯. নিজস্ব সাংস্কৃতিক সত্তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১০. নিজস্ব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১১. নিজস্ব মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১২. মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১৩. অপরাপর সভ্যতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ;১৪. সমঝোতা, শান্তি, সহিষ্ণুতা, নারী-পুরুষের সমানাধিকার এবং সকল মানুষ. নৃ-গোষ্ঠী, জাতীয় ও ধর্মীয় গোষ্ঠী এবং আদিবাসী লোকজনের মধ্যে মৈত্রীর চেতনার আলোকে একটি মুক্ত সমাজে দায়িত্বশীল জীবনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ;১৫. প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ।