১
স্ত্রী নির্বাচন
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
যাদের বিবাহ করার সামর্থ নেই তাদের করণীয়
ইসলাম নারীকে দিয়েছে যথাযথ মর্যাদা। ইসলামে নারীর ভরণ-পোষণের যাবতীয় দায়িত্ব রয়েছে পুরুষের উপর। তাই একজন পুরুষকে স্ত্রী গ্রহণ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই তাকে সামর্থবান হতে হবে। আর যাদের সামর্থ নেই তাদের ব্যাপারে আলস্নাহ বলেন,
﴿وَلْيَسْتَعْفِفِ الَّذِيْنَ لَا يَجِدُوْنَ نِكَاحًا حَتّٰى يُغْنِيَهُمُ اللهُ مِنْ فَضْلِهٖ﴾
‘‘যাদের বিয়ে করার সামর্থ নেই তারা যেন সংযমতা অবলম্বন করে, যতক্ষণ না আলস্নাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন’’ (সূরা নূর ২৪ঃ ৩৩)।
যাদের বিবাহ করার সামর্থ নেই তাদের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
وَمَنْ لَّمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهٗ لَهٗ وِجَاءٌ
‘‘যে (বিয়ের) সামর্থ রাখে না; সে যেন সিয়াম পালন করে। কেননা সিয়ামই যৌন ক্ষমতাকে দমন করে’’। [বুখারী ‘বিবাহের অধ্যায়’ হা: ১৯০৫, ৫০৬৫]
হে সামর্থহীন যুবক! তোমার বিবাহের সামর্থ নেই এজন্য মন খারাপ করো না। জান্নাতের ঐ নারীকে স্ত্রী হিসেবে পাওয়ার জন্য সংযমশীলতার নীতি অবলম্বন করো। যারা এত সুন্দরী হবে যে, তাদের হাড় ও গোশতের উপর দিয়ে (পায়ের) নলার মজ্জা দেখা যাবে। তারা হবে নরম তুলতুলে, মমতাময়ী, প্রেমময়ী, প্রশামিত্মদানকারিণী। হে যুবক! এমন স্ত্রী পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নাও, যে হবে বিশ্বসুন্দরীদের চেয়েও অত্যধিক সুন্দরী। যেমন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
لِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمْ زَوْجَتَانِ مِنَ الْحُوْرِ الْعَيْنِ يُرٰى مُخُّ سُوْقِهِنَّ مِنْ وَّرَاءِ الْعَظْمِ وَاللَّحْمِ مِنَ الْحُسْنِ
‘‘তাদের প্রত্যেকের জন্য বিশেষ হুরদের মধ্য থেকে দু’জন দু’জন করে স্ত্রী থাকবে। বেশি সুন্দরী হওয়ার কারণে তাদের হাড় ও গোশতের উপর দিয়ে নলার ভেতরের মজ্জা দেখা যাবে’’। [বুখারী হা: ৩৩২৭, কিতাবুল আম্বিয়া, মুসলিম হা: ২৮৩৪, মিশকাত হা: ৫৬১৯]
অন্যত্র রাসূলুল্লাহ ﷺ ঐ সকল স্ত্রীদের সৌন্দর্যের কথা উলেস্নখ করে বলেন,
وَلَوْ أَنَّ امْرَأَةً مِّنْ نِّسَاءِ أَهْلِ الْجَنَّةِ اطَّلَعَتْ إِلَى الْأَرْضِ لَأَضَاءَتْ مَا بَيْنَهُمَا
‘‘যদি জান্নাতী কোন নারী দুনিয়াবাসীর দিকে তাকাত, তাহলে দুনিয়াতে যা আছে সব আলোকিত হয়ে যেত’’। [বুখারী হা: ৬৫৬৮,৬১৯৯; কিতাবুল জিহাদ; হুরদের গুণাবলী, অনুচ্ছেদ, তিরমিযী হা: ১৬৫১]
হে যুবক! এমন বৈশিষ্ট্যের নারীদের জন্য প্রস্তুতি নাও, যাদের সাথে আলস্নাহ স্বয়ং নিজেই তোমাকে বিবাহ দেবেন। আলস্নাহ বলেন,
﴿كَذٰلِكَ وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُوْرٍ عِيْنٍ﴾
‘‘এ রকমই হবে, আর তাদের বিয়ে দিয়ে দেব ডাগর ডাগর সুন্দর উজ্জ্বল চোখওয়ালা হুরদের সাথে’’ (সূরা দুখান ৪৪ঃ ৫৪)।
﴿مُتَّكِئِيْنَ عَلٰى سُرُرٍ مَّصْفُوْفَةٍ وَّزَوَّجْنَاهُمْ بِحُوْرٍ عِيْنٍ﴾
‘‘তারা সারিবদ্ধভাবে সাজানো আসনে হেলান দিয়ে বসবে, আর আমি তাদের বিয়ে দিয়ে দেব সুন্দর বড় বড় উজ্জ্বল চক্ষুবিশিষ্ট হুরদের সাথে’’ (সূরা তূর ৫২ঃ ২০)।
হে যুবক! এমন স্ত্রী গ্রহণের প্রস্তুতি নাও, যে হবে ডিমের ভেতরের কুসুমের চেয়ে নরম ও তুলতুলে, স্বচ্ছ-শুভ্র। যেমন মহান আলস্নাহ বলেন,
﴿وَعِنْدَهُمْ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ عِيْنٌ ‐ كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌ مَّكْنُوْنٌ﴾
‘‘তাদের সঙ্গে থাকবে সংযত নয়না, সতীসাধ্বী, ডাগর ডাগর সুন্দর চক্ষুবিশিষ্ট সুন্দরীরা, তারা যেন সযত্নে ঢেকে রাখা ডিম’’ (সূরা আস-সফফাত ৩৭ঃ ৪৮, ৪৯)।
হে যুবক! এমন স্ত্রী গ্রহণের প্রস্তুতি নাও, যে হবে স্ফীতবক্ষের অধিকারিণী। মহান আলস্নাহ বলেন,
﴿إِنَّ لِلْمُتَّقِيْنَ مَفَازًا ‐ حَدَآئِقَ وَأَعْنَابًا ‐ وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًا﴾
‘‘মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে অবশ্যই সাফল্য, বাগান ও আঙ্গুর এবং এমনসব স্ত্রী যারা হবে সমবয়স্ক স্ফীতবক্ষের অধিকারী’’ (সূরা নাবা ৭৮ঃ ৩১-৩৩)।
ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, كَوَاعِبَ হচ্ছে স্ফীতবক্ষ।
হে যুবক! এমন স্ত্রী গ্রহণের প্রস্তুতি নাও, যে কোন দিন অপবিত্র ও বৃদ্ধা হবে না। আলস্নাহ বলেন,
﴿وَلَهُمْ فِيْهَاۤ أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ﴾
‘‘সেখানে তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিনী রয়েছে’’ (সূরা বাকারা ২ঃ ২৫)।
অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّاۤ أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَآءً ‐ فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا﴾
‘‘আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি বিশেষরূপে। তাদেরকে করেছি চির কুমারী’’
(সূরা ওয়াকিয়াহ ৫৬ঃ ৩৫-৩৬)।
অর্থাৎ তারা কখনো কুমারীত্ব হারাবে না এবং বৃদ্ধাও হবে না।
হে যুবক! এমন স্ত্রী গ্রহণের প্রস্তুতি নাও, যে কখনো তোমাকে ছেড়ে যাবে না এবং সর্বদা তোমাকে সন্তুষ্ট করে রাখবে। মহান আলস্নাহ বলেন,
﴿وَلَهُمْ فِيْهَاۤ أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَّهُمْ فِيْهَا خَالِدُوْنَ﴾
‘‘সেখানে থাকবে তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিনী, তারা সেখানে (তাদের সাথে) চিরস্থায়ী থাকবে’’ (সূরা বাকারা ২ঃ ২৫)।
চিরস্থায়ী এসব স্ত্রীগণ গানের সুরে বলবে, ‘আমরা সেই চিরস্থায়ী রমণী, যারা কখনই মারা যাব না; আমরা সেই নিরাপদ রমণী, যারা কখনো ভয় পাব না; আমরা সেই স্থায়ী বসবাসকারিণী, যারা কখনই চলে যাব না।’
তারা আরো বলবে, ‘‘আমরা চিরদিন থাকব, কখনও ধ্বংস হব না; আমরা সর্বদা সুখে-স্বাচ্ছন্দে বসবাস করব, কখনও দুঃখ-দুশ্চিমত্মায় পতিত হব না। অতএব চির ধন্য তিনি, যার জন্য আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি।’’
﴿وَلْيَسْتَعْفِفِ الَّذِيْنَ لَا يَجِدُوْنَ نِكَاحًا حَتّٰى يُغْنِيَهُمُ اللهُ مِنْ فَضْلِهٖ﴾
‘‘যাদের বিয়ে করার সামর্থ নেই তারা যেন সংযমতা অবলম্বন করে, যতক্ষণ না আলস্নাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন’’ (সূরা নূর ২৪ঃ ৩৩)।
যাদের বিবাহ করার সামর্থ নেই তাদের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
وَمَنْ لَّمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهٗ لَهٗ وِجَاءٌ
‘‘যে (বিয়ের) সামর্থ রাখে না; সে যেন সিয়াম পালন করে। কেননা সিয়ামই যৌন ক্ষমতাকে দমন করে’’। [বুখারী ‘বিবাহের অধ্যায়’ হা: ১৯০৫, ৫০৬৫]
হে সামর্থহীন যুবক! তোমার বিবাহের সামর্থ নেই এজন্য মন খারাপ করো না। জান্নাতের ঐ নারীকে স্ত্রী হিসেবে পাওয়ার জন্য সংযমশীলতার নীতি অবলম্বন করো। যারা এত সুন্দরী হবে যে, তাদের হাড় ও গোশতের উপর দিয়ে (পায়ের) নলার মজ্জা দেখা যাবে। তারা হবে নরম তুলতুলে, মমতাময়ী, প্রেমময়ী, প্রশামিত্মদানকারিণী। হে যুবক! এমন স্ত্রী পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নাও, যে হবে বিশ্বসুন্দরীদের চেয়েও অত্যধিক সুন্দরী। যেমন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
لِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمْ زَوْجَتَانِ مِنَ الْحُوْرِ الْعَيْنِ يُرٰى مُخُّ سُوْقِهِنَّ مِنْ وَّرَاءِ الْعَظْمِ وَاللَّحْمِ مِنَ الْحُسْنِ
‘‘তাদের প্রত্যেকের জন্য বিশেষ হুরদের মধ্য থেকে দু’জন দু’জন করে স্ত্রী থাকবে। বেশি সুন্দরী হওয়ার কারণে তাদের হাড় ও গোশতের উপর দিয়ে নলার ভেতরের মজ্জা দেখা যাবে’’। [বুখারী হা: ৩৩২৭, কিতাবুল আম্বিয়া, মুসলিম হা: ২৮৩৪, মিশকাত হা: ৫৬১৯]
অন্যত্র রাসূলুল্লাহ ﷺ ঐ সকল স্ত্রীদের সৌন্দর্যের কথা উলেস্নখ করে বলেন,
وَلَوْ أَنَّ امْرَأَةً مِّنْ نِّسَاءِ أَهْلِ الْجَنَّةِ اطَّلَعَتْ إِلَى الْأَرْضِ لَأَضَاءَتْ مَا بَيْنَهُمَا
‘‘যদি জান্নাতী কোন নারী দুনিয়াবাসীর দিকে তাকাত, তাহলে দুনিয়াতে যা আছে সব আলোকিত হয়ে যেত’’। [বুখারী হা: ৬৫৬৮,৬১৯৯; কিতাবুল জিহাদ; হুরদের গুণাবলী, অনুচ্ছেদ, তিরমিযী হা: ১৬৫১]
হে যুবক! এমন বৈশিষ্ট্যের নারীদের জন্য প্রস্তুতি নাও, যাদের সাথে আলস্নাহ স্বয়ং নিজেই তোমাকে বিবাহ দেবেন। আলস্নাহ বলেন,
﴿كَذٰلِكَ وَزَوَّجْنَاهُمْ بِحُوْرٍ عِيْنٍ﴾
‘‘এ রকমই হবে, আর তাদের বিয়ে দিয়ে দেব ডাগর ডাগর সুন্দর উজ্জ্বল চোখওয়ালা হুরদের সাথে’’ (সূরা দুখান ৪৪ঃ ৫৪)।
﴿مُتَّكِئِيْنَ عَلٰى سُرُرٍ مَّصْفُوْفَةٍ وَّزَوَّجْنَاهُمْ بِحُوْرٍ عِيْنٍ﴾
‘‘তারা সারিবদ্ধভাবে সাজানো আসনে হেলান দিয়ে বসবে, আর আমি তাদের বিয়ে দিয়ে দেব সুন্দর বড় বড় উজ্জ্বল চক্ষুবিশিষ্ট হুরদের সাথে’’ (সূরা তূর ৫২ঃ ২০)।
হে যুবক! এমন স্ত্রী গ্রহণের প্রস্তুতি নাও, যে হবে ডিমের ভেতরের কুসুমের চেয়ে নরম ও তুলতুলে, স্বচ্ছ-শুভ্র। যেমন মহান আলস্নাহ বলেন,
﴿وَعِنْدَهُمْ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ عِيْنٌ ‐ كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌ مَّكْنُوْنٌ﴾
‘‘তাদের সঙ্গে থাকবে সংযত নয়না, সতীসাধ্বী, ডাগর ডাগর সুন্দর চক্ষুবিশিষ্ট সুন্দরীরা, তারা যেন সযত্নে ঢেকে রাখা ডিম’’ (সূরা আস-সফফাত ৩৭ঃ ৪৮, ৪৯)।
হে যুবক! এমন স্ত্রী গ্রহণের প্রস্তুতি নাও, যে হবে স্ফীতবক্ষের অধিকারিণী। মহান আলস্নাহ বলেন,
﴿إِنَّ لِلْمُتَّقِيْنَ مَفَازًا ‐ حَدَآئِقَ وَأَعْنَابًا ‐ وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًا﴾
‘‘মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে অবশ্যই সাফল্য, বাগান ও আঙ্গুর এবং এমনসব স্ত্রী যারা হবে সমবয়স্ক স্ফীতবক্ষের অধিকারী’’ (সূরা নাবা ৭৮ঃ ৩১-৩৩)।
ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, كَوَاعِبَ হচ্ছে স্ফীতবক্ষ।
হে যুবক! এমন স্ত্রী গ্রহণের প্রস্তুতি নাও, যে কোন দিন অপবিত্র ও বৃদ্ধা হবে না। আলস্নাহ বলেন,
﴿وَلَهُمْ فِيْهَاۤ أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ﴾
‘‘সেখানে তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিনী রয়েছে’’ (সূরা বাকারা ২ঃ ২৫)।
অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন,
﴿إِنَّاۤ أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَآءً ‐ فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا﴾
‘‘আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি বিশেষরূপে। তাদেরকে করেছি চির কুমারী’’
(সূরা ওয়াকিয়াহ ৫৬ঃ ৩৫-৩৬)।
অর্থাৎ তারা কখনো কুমারীত্ব হারাবে না এবং বৃদ্ধাও হবে না।
হে যুবক! এমন স্ত্রী গ্রহণের প্রস্তুতি নাও, যে কখনো তোমাকে ছেড়ে যাবে না এবং সর্বদা তোমাকে সন্তুষ্ট করে রাখবে। মহান আলস্নাহ বলেন,
﴿وَلَهُمْ فِيْهَاۤ أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَّهُمْ فِيْهَا خَالِدُوْنَ﴾
‘‘সেখানে থাকবে তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিনী, তারা সেখানে (তাদের সাথে) চিরস্থায়ী থাকবে’’ (সূরা বাকারা ২ঃ ২৫)।
চিরস্থায়ী এসব স্ত্রীগণ গানের সুরে বলবে, ‘আমরা সেই চিরস্থায়ী রমণী, যারা কখনই মারা যাব না; আমরা সেই নিরাপদ রমণী, যারা কখনো ভয় পাব না; আমরা সেই স্থায়ী বসবাসকারিণী, যারা কখনই চলে যাব না।’
তারা আরো বলবে, ‘‘আমরা চিরদিন থাকব, কখনও ধ্বংস হব না; আমরা সর্বদা সুখে-স্বাচ্ছন্দে বসবাস করব, কখনও দুঃখ-দুশ্চিমত্মায় পতিত হব না। অতএব চির ধন্য তিনি, যার জন্য আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি।’’