১
স্ত্রী নির্বাচন
লেখকঃ মফিজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
স্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেসকল দিক যাচাই করা আবশ্যক
১. কোন্ পরিবেশে মানুষ হয়েছে :
আপনি যাকে স্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন সে কোন্ স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এটা দেখার আগে দেখুন সে কোন্ পরিবেশে বড় হয়েছে। কারণ মানুষকে ভালো অথবা মন্দ গুণে প্রভাবিত করতে পরিবেশই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে।
২. বাবা-মায়ের চরিত্র বিচার করা :
বাবা-মায়ের চরিত্রে সমত্মান অনেকাংশেই প্রভাবিত হয়। বাবা-মায়ের নোংরা কথা-বার্তা, অশস্নীল গান-বাজনা, বাদ্যযন্ত্র শোনা ও দেখার অভ্যাস থাকলে মেয়ের মাঝে এ নোংরা অভ্যাসগুলো ঢুকে যাওয়াই স্বাভাবিক। তাই মেয়ে দেখার আগে তার বাবা-মায়ের চরিত্র বিচার করা জরুরি। উল্লেখ্য যে, পিতা-মাতা খারাপ হলেও অনেক সময় মেয়ে ভাল গুণের অধিকারী হয়।
৩. বাবা-মায়ের মেয়ে লালন-পালন বিচার করা :
অনেক পিতা-মাতা আছেন যারা তাদের মেয়েকে নগ্ন-অর্ধনগ্ন পোশাক পরিয়ে, আতর-সেন্ট মাখিয়ে, ঠোঁট-মুখ সুসজ্জিত করে, বাজারে-মার্কেটে ঘুরায়, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যেতে দেয়, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কোচিং, গৃহ শিক্ষকের কাছে পড়তে পাঠায়, বছর গেলে মাহরাম ছাড়া শিক্ষকদের সাথে শিক্ষাসফরে পাঠায়। যার ফলে তারা প্রতিনিয়ত ব্যভিচারিণী বলে বিবেচিত হচ্ছে। এমন বৈশিষ্ট্যের পিতা-মাতার লালিত মেয়েকে স্ত্রী হিসেবে কীভাবে গ্রহণ করা যায়?
৪. সমতা বিধান করা :
আপনি যেই মানের লোক সেই মানের স্ত্রী গ্রহণ করম্নন। তাহলে শামিত্ম পাবেন। কারণ সে যদি হয় আপনার চেয়ে নীচু মানের, তাহলে হয়তোবা আপনি তার মূর্খতায় কষ্ট পাবেন। আর যদি হয় উচ্চমানের তাহলে হয়তোবা তার গর্ব-অহংকার আপনাকে ব্যথিত করবে। আপনি নিচ তলায় বসবাস করে পাঁচ তলায় বসবাসকারী নারীর দিকে কীভাবে দৃষ্টিপাত করতে পারেন? হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ اُنْظُرُوْا إِلٰى مَنْ أَسْفَلَ مِنْكُمْ وَلَا تَنْظُرُوْا إِلٰى مَنْ هُوَ فَوْقَكُمْ فَهُوَ أَجْدَرُ اَلَّا تَزْدَرُوْا نِعْمَةَ اللهِ عَلَيْكُمْ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ivm~jyjvn ﷺ e‡j‡Qb, তোমরা (দুনিয়াদারীর ক্ষেত্রে) তোমাদের চেয়ে নিচের লোকদের দিকে তাকাও। কিন্তু কখনো তোমাদের উপরের লোকদের দিকে তাকিও না। তাহলে আশা করা যায়, তোমরা কখনো আলস্নাহর নিয়ামতের অস্বীকার করবে না। [সহীহ মুসলীম হা: ২৯৬৩; মুসনাদে আহমাদ হা: ১০২৪৬]
তবে দ্বীনদারীর ক্ষেত্রে এ নীতি ভিন্ন। যেমন উসমান বিন হাকীম (রহঃ) বলেন,
اَصْحِبْ مَنْ هُوَ فَوْقَكَ فِي الدِّيْنِ وَدُوْنَكَ فِي الدُّنْيَا
‘‘তুমি এমন ব্যক্তির সঙ্গী হও, দ্বীনের ব্যাপারে যে তোমার চেয়ে উপরে এবং দুনিয়ার ব্যাপারে যে তোমার চেয়ে নিচে। [আল-ইখওয়ান, ১২৫]
সমতা রক্ষার ক্ষেত্রে বংশগত, অর্থগত, পরিবেশগত এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা কাছাকাছি থাকা দরকার।
৫. চারিত্রিক মিল খোঁজা :
দাম্পত্য জীবনে সুখ-শামিত্ম লাভের পূর্ব শর্ত হলো, স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে মিল থাকা। তাই আপনার চরিত্রের সকল গুণের সমাবেশ আছে এমন গুণবতীকে খোঁজ করা আবশ্যক।
উল্লেখ্য যে, যদিও পুরোপুরি মিল পাবেন না; তবুও যতটুকু সম্ভব মিল খোঁজার চেষ্টা করুন।
আপনি যাকে স্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন সে কোন্ স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এটা দেখার আগে দেখুন সে কোন্ পরিবেশে বড় হয়েছে। কারণ মানুষকে ভালো অথবা মন্দ গুণে প্রভাবিত করতে পরিবেশই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে।
২. বাবা-মায়ের চরিত্র বিচার করা :
বাবা-মায়ের চরিত্রে সমত্মান অনেকাংশেই প্রভাবিত হয়। বাবা-মায়ের নোংরা কথা-বার্তা, অশস্নীল গান-বাজনা, বাদ্যযন্ত্র শোনা ও দেখার অভ্যাস থাকলে মেয়ের মাঝে এ নোংরা অভ্যাসগুলো ঢুকে যাওয়াই স্বাভাবিক। তাই মেয়ে দেখার আগে তার বাবা-মায়ের চরিত্র বিচার করা জরুরি। উল্লেখ্য যে, পিতা-মাতা খারাপ হলেও অনেক সময় মেয়ে ভাল গুণের অধিকারী হয়।
৩. বাবা-মায়ের মেয়ে লালন-পালন বিচার করা :
অনেক পিতা-মাতা আছেন যারা তাদের মেয়েকে নগ্ন-অর্ধনগ্ন পোশাক পরিয়ে, আতর-সেন্ট মাখিয়ে, ঠোঁট-মুখ সুসজ্জিত করে, বাজারে-মার্কেটে ঘুরায়, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যেতে দেয়, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কোচিং, গৃহ শিক্ষকের কাছে পড়তে পাঠায়, বছর গেলে মাহরাম ছাড়া শিক্ষকদের সাথে শিক্ষাসফরে পাঠায়। যার ফলে তারা প্রতিনিয়ত ব্যভিচারিণী বলে বিবেচিত হচ্ছে। এমন বৈশিষ্ট্যের পিতা-মাতার লালিত মেয়েকে স্ত্রী হিসেবে কীভাবে গ্রহণ করা যায়?
৪. সমতা বিধান করা :
আপনি যেই মানের লোক সেই মানের স্ত্রী গ্রহণ করম্নন। তাহলে শামিত্ম পাবেন। কারণ সে যদি হয় আপনার চেয়ে নীচু মানের, তাহলে হয়তোবা আপনি তার মূর্খতায় কষ্ট পাবেন। আর যদি হয় উচ্চমানের তাহলে হয়তোবা তার গর্ব-অহংকার আপনাকে ব্যথিত করবে। আপনি নিচ তলায় বসবাস করে পাঁচ তলায় বসবাসকারী নারীর দিকে কীভাবে দৃষ্টিপাত করতে পারেন? হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ اُنْظُرُوْا إِلٰى مَنْ أَسْفَلَ مِنْكُمْ وَلَا تَنْظُرُوْا إِلٰى مَنْ هُوَ فَوْقَكُمْ فَهُوَ أَجْدَرُ اَلَّا تَزْدَرُوْا نِعْمَةَ اللهِ عَلَيْكُمْ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ivm~jyjvn ﷺ e‡j‡Qb, তোমরা (দুনিয়াদারীর ক্ষেত্রে) তোমাদের চেয়ে নিচের লোকদের দিকে তাকাও। কিন্তু কখনো তোমাদের উপরের লোকদের দিকে তাকিও না। তাহলে আশা করা যায়, তোমরা কখনো আলস্নাহর নিয়ামতের অস্বীকার করবে না। [সহীহ মুসলীম হা: ২৯৬৩; মুসনাদে আহমাদ হা: ১০২৪৬]
তবে দ্বীনদারীর ক্ষেত্রে এ নীতি ভিন্ন। যেমন উসমান বিন হাকীম (রহঃ) বলেন,
اَصْحِبْ مَنْ هُوَ فَوْقَكَ فِي الدِّيْنِ وَدُوْنَكَ فِي الدُّنْيَا
‘‘তুমি এমন ব্যক্তির সঙ্গী হও, দ্বীনের ব্যাপারে যে তোমার চেয়ে উপরে এবং দুনিয়ার ব্যাপারে যে তোমার চেয়ে নিচে। [আল-ইখওয়ান, ১২৫]
সমতা রক্ষার ক্ষেত্রে বংশগত, অর্থগত, পরিবেশগত এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা কাছাকাছি থাকা দরকার।
৫. চারিত্রিক মিল খোঁজা :
দাম্পত্য জীবনে সুখ-শামিত্ম লাভের পূর্ব শর্ত হলো, স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে মিল থাকা। তাই আপনার চরিত্রের সকল গুণের সমাবেশ আছে এমন গুণবতীকে খোঁজ করা আবশ্যক।
উল্লেখ্য যে, যদিও পুরোপুরি মিল পাবেন না; তবুও যতটুকু সম্ভব মিল খোঁজার চেষ্টা করুন।