১
অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ নিফাক
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
২৮. সময় মত সালাত আদায় না করা:
মুনাফিকরা সময় মত সালাত আদায় করে না। জামা‘আতে ঠিক মত হাজির হয় না। তারা সালাতের জামা‘আত কায়েম হওয়ার শেষ সময় আসে আবার সর্বাগ্রে চলে যায়।
আলা ইবন আব্দুর রহমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,
«أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر، وداره بجنب المسجد، فلما دخلنا عليه قال : «أصليتم العصر؟ فقلنا له : إنما انصرفنا الساعة من الظهر، قال : فصلوا العصر، فقمنا فصلينا، فلمّا انصرفنا قال سمعت رسول الله يقول تلِْكَ صَلاَةُ المنُاَفقِِ يَْجلسُِ يَرْقُبُ الشَّمْسَ حتَّى إذَِا كَانَتْ بَيْن قَرْنَىِ الشَّيْطَانِ قَامَ فَنَقَر أَْرَبعًا الله لَا يَذُكُر فِيهَا إلّا قَلِيلاً»
“একদিন তিনি বছরায় আনাস ইবন মালেকের বাড়ীতে প্রবেশ করেন। আর আনাস ইবন মালেক তখন যোহরের সালাত আদায় করে বাড়ীতে ফিরেন। তার ঘর ছিল মসজিদের একেবারে পাশেই। আলা ইবন আব্দুর রহমান বলেন, আমরা তার নিকট প্রবেশ করলে, তিনি আমাদের বলেন, তোমরা কি আসরের সালাত আদায় করছ? আমরা তাকে বললাম, আমরাতো কেবল যোহরের সালাত আদায় করে ফিরলাম। তখন তিনি বললেন, তাহলে তোমরা আসরের সালাত আদায় কর। তারপর আমরা দাঁড়ালাম এবং আসরের সালাত আদায় করলাম। আমরা সালাতের সালাম ফিরাইলে তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি মুনাফিকদের সালাত হলো, তারা বসে বসে সূর্যের অপেক্ষা করতে থাকে। তারপর সূর্য যখন শয়তানের দু’টি শিংয়ের মাঝে অবস্থান করে, তখন তারা তাড়াহুড়া করে সালাতে দাঁড়ায়, কাকের ঠোকরের মতো চার রাকাত সালাত আদায় করে, তাতে আল্লাহর যিকির বা স্মরণ খুব কমই করা হয়ে থাকে। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬২২।]
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেন, তারা সালাতকে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করে না। সালাতকে একদম শেষ ওয়াক্তে নিয়ে যায়, যখন সালাতের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। তারা ফজর আদায় করে সূর্য উদয়ের সময়, আসর আদায় করে সূর্যাস্তের সময়। আর তারা সালাত আদায় করে কাকের ঠোকরের মত করে। তাদের সালাত হলো, দেহের সালাত, তাদের সালাত অন্তরের সালাত নয়। তারা সালাতের মধ্যে শিয়ালের মত এদিক সেদিক তাকায়। [মাদারেজুস সালেকীন ১/৩৫৪।]
আলা ইবন আব্দুর রহমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,
«أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر، وداره بجنب المسجد، فلما دخلنا عليه قال : «أصليتم العصر؟ فقلنا له : إنما انصرفنا الساعة من الظهر، قال : فصلوا العصر، فقمنا فصلينا، فلمّا انصرفنا قال سمعت رسول الله يقول تلِْكَ صَلاَةُ المنُاَفقِِ يَْجلسُِ يَرْقُبُ الشَّمْسَ حتَّى إذَِا كَانَتْ بَيْن قَرْنَىِ الشَّيْطَانِ قَامَ فَنَقَر أَْرَبعًا الله لَا يَذُكُر فِيهَا إلّا قَلِيلاً»
“একদিন তিনি বছরায় আনাস ইবন মালেকের বাড়ীতে প্রবেশ করেন। আর আনাস ইবন মালেক তখন যোহরের সালাত আদায় করে বাড়ীতে ফিরেন। তার ঘর ছিল মসজিদের একেবারে পাশেই। আলা ইবন আব্দুর রহমান বলেন, আমরা তার নিকট প্রবেশ করলে, তিনি আমাদের বলেন, তোমরা কি আসরের সালাত আদায় করছ? আমরা তাকে বললাম, আমরাতো কেবল যোহরের সালাত আদায় করে ফিরলাম। তখন তিনি বললেন, তাহলে তোমরা আসরের সালাত আদায় কর। তারপর আমরা দাঁড়ালাম এবং আসরের সালাত আদায় করলাম। আমরা সালাতের সালাম ফিরাইলে তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি মুনাফিকদের সালাত হলো, তারা বসে বসে সূর্যের অপেক্ষা করতে থাকে। তারপর সূর্য যখন শয়তানের দু’টি শিংয়ের মাঝে অবস্থান করে, তখন তারা তাড়াহুড়া করে সালাতে দাঁড়ায়, কাকের ঠোকরের মতো চার রাকাত সালাত আদায় করে, তাতে আল্লাহর যিকির বা স্মরণ খুব কমই করা হয়ে থাকে। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬২২।]
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেন, তারা সালাতকে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করে না। সালাতকে একদম শেষ ওয়াক্তে নিয়ে যায়, যখন সালাতের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। তারা ফজর আদায় করে সূর্য উদয়ের সময়, আসর আদায় করে সূর্যাস্তের সময়। আর তারা সালাত আদায় করে কাকের ঠোকরের মত করে। তাদের সালাত হলো, দেহের সালাত, তাদের সালাত অন্তরের সালাত নয়। তারা সালাতের মধ্যে শিয়ালের মত এদিক সেদিক তাকায়। [মাদারেজুস সালেকীন ১/৩৫৪।]