১
অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ নিফাক
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
দীনের মধ্যে নিফাকের ধরণ:
দীনের বিষয়ে মুনাফেকি দুই ধরনের হতে পারে: এক- মৌলিক, দুই- আকস্মিক সংঘটিত।
মৌলিক নিফাক দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, যে নিফাকের পূর্বে সত্যিকার ইসলাম ছিল না বা ইসলাম অতিবাহিত হয়নি। অনেক মানুষ আছে যারা দুনিয়ার ফায়দা লাভ ও পার্থিব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে নিজেকে মুসলিম বলে আখ্যায়িত করে, মূলতঃ সে তার জীবনের শুরুতেই অন্তর থেকে ইসলামকে গ্রহণ করে নি ও আল্লাহর ওপর ঈমান আনয়ন করে নি। সুতরাং এ লোকটি তার জীবনের শুরু থেকেই একজন খাঁটি মুনাফিক, যদিও সে মুখে ইসলাম প্রকাশ করে বা মুসলিম সমাজে বসবাস করে। আবার অনেক লোক এমন আছে যারা সত্যিকার অর্থে মুসলিম, ঈমানে তারা সত্যবাদী। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের বিপদ-আপদ ও মুসীবত যদ্বারা আল্লাহ তা‘আলা তাদের ঈমানের পরীক্ষা নিয়ে থাকে, তাতে তারা সফলকাম হতে পারে নি এবং ঈমানের ওপর অটল থাকতে পারে নি। ফলে তাদের অন্তরে ইসলামের সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হয় এবং তারা ইসলাম হতে মুরতাদ হয়ে যায়। তাদের ওপর মুরতাদের বিধান প্রয়োগ করা হবে। আবার অনেক মানুষ আছে তারা দুনিয়ার কোনো সুবিধা যা মুসলিম থাকলে লাভ করত, তা হতে বঞ্চিত হবে, এ আশংকায় সে তার মুরতাদ হওয়াকে গোপন রাখে। আর মুসলিম সমাজেই মুসলমানের নামে বসবাস করে। সে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় না যে আমি মুরতাদ। বরং যখন কোনো সুযোগ পায়, তখন ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিষোদাগার করে এবং বিদ্বেষ ছড়ায়। এ ধরনের মুনাফিক আমাদের সমাজে অনেক রয়েছে। তারা ইঁদুরের মতো মুসলিমদের সমাজে আত্ম গোপন করে আছে। যখনই সুযোগ পায় ইসলাম ও মুসলিমদের ক্ষতি করতে কার্পণ্য করে না। আর সব সময় তারা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
একজন মুসলিম যখন কোনো মুসলিম সমাজে বসবাস করে তারপর যখন সে মুরতাদ হয়ে যায়, তাকে অবশ্যই দুর্নামের ভাগি হতে হবে এবং সামাজিক মর্যাদা হারাতে হবে। এ কথা আমাদের কারোই অজানা নয়। আমাদের সমাজে এ ধরনের মুনাফিক অসংখ্য। যারা বাস্তবে ইসলামের অনুশাসনে বিশ্বাস করে না এবং আল্লাহর ওপর ঈমান আনে না; কিন্তু তারা সমাজে নিজেদের মুসলিম বলে প্রকাশ করে এবং মুসলিম হওয়ার সুবিধাও ভোগ করে, অপর দিকে বিজাতিদের সাথে তাল মিলিয়ে তাদের থেকেও সুবিধা নেয়। তারা ইসলামের শত্রুদের দালালি করে। মুসলিম সমাজে বসবাস করে মুসলিমদের কীভাবে ক্ষতি করবে এ চিন্তায় তারা বিভোর থাকে।
মৌলিক নিফাক দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, যে নিফাকের পূর্বে সত্যিকার ইসলাম ছিল না বা ইসলাম অতিবাহিত হয়নি। অনেক মানুষ আছে যারা দুনিয়ার ফায়দা লাভ ও পার্থিব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে নিজেকে মুসলিম বলে আখ্যায়িত করে, মূলতঃ সে তার জীবনের শুরুতেই অন্তর থেকে ইসলামকে গ্রহণ করে নি ও আল্লাহর ওপর ঈমান আনয়ন করে নি। সুতরাং এ লোকটি তার জীবনের শুরু থেকেই একজন খাঁটি মুনাফিক, যদিও সে মুখে ইসলাম প্রকাশ করে বা মুসলিম সমাজে বসবাস করে। আবার অনেক লোক এমন আছে যারা সত্যিকার অর্থে মুসলিম, ঈমানে তারা সত্যবাদী। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের বিপদ-আপদ ও মুসীবত যদ্বারা আল্লাহ তা‘আলা তাদের ঈমানের পরীক্ষা নিয়ে থাকে, তাতে তারা সফলকাম হতে পারে নি এবং ঈমানের ওপর অটল থাকতে পারে নি। ফলে তাদের অন্তরে ইসলামের সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হয় এবং তারা ইসলাম হতে মুরতাদ হয়ে যায়। তাদের ওপর মুরতাদের বিধান প্রয়োগ করা হবে। আবার অনেক মানুষ আছে তারা দুনিয়ার কোনো সুবিধা যা মুসলিম থাকলে লাভ করত, তা হতে বঞ্চিত হবে, এ আশংকায় সে তার মুরতাদ হওয়াকে গোপন রাখে। আর মুসলিম সমাজেই মুসলমানের নামে বসবাস করে। সে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় না যে আমি মুরতাদ। বরং যখন কোনো সুযোগ পায়, তখন ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিষোদাগার করে এবং বিদ্বেষ ছড়ায়। এ ধরনের মুনাফিক আমাদের সমাজে অনেক রয়েছে। তারা ইঁদুরের মতো মুসলিমদের সমাজে আত্ম গোপন করে আছে। যখনই সুযোগ পায় ইসলাম ও মুসলিমদের ক্ষতি করতে কার্পণ্য করে না। আর সব সময় তারা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
একজন মুসলিম যখন কোনো মুসলিম সমাজে বসবাস করে তারপর যখন সে মুরতাদ হয়ে যায়, তাকে অবশ্যই দুর্নামের ভাগি হতে হবে এবং সামাজিক মর্যাদা হারাতে হবে। এ কথা আমাদের কারোই অজানা নয়। আমাদের সমাজে এ ধরনের মুনাফিক অসংখ্য। যারা বাস্তবে ইসলামের অনুশাসনে বিশ্বাস করে না এবং আল্লাহর ওপর ঈমান আনে না; কিন্তু তারা সমাজে নিজেদের মুসলিম বলে প্রকাশ করে এবং মুসলিম হওয়ার সুবিধাও ভোগ করে, অপর দিকে বিজাতিদের সাথে তাল মিলিয়ে তাদের থেকেও সুবিধা নেয়। তারা ইসলামের শত্রুদের দালালি করে। মুসলিম সমাজে বসবাস করে মুসলিমদের কীভাবে ক্ষতি করবে এ চিন্তায় তারা বিভোর থাকে।