১
ছহীহ্ সুন্নাহ্র আলোকে বিতর নামায
লেখকঃ মুহা: আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
খ) তিন রাকাত বিতর
এ নামায পড়ার বিশুদ্ধ পদ্ধতি হচ্ছে দুহটি।
প্রথম পদ্ধতিঃ দুহরাকাত পড়ে সালাম ফেরানো। অতঃপর এক রাকাত পড়া। এ পদ্ধতির দলীল হলো- আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
أَنَّ رَجُلا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَلاةِ اللَّيْلِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ عَلَيْهِ السَّلَام صَلاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ أَحَدُكُمُ الصُّبْحَ صَلَّى رَكْعَةً وَاحِدَةً تُوتِرُ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى
জনৈক ছাহাবী রাতের নামায সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে জিজ্ঞেস করল। তখন রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, রাতের নামায দুহদু রাকাত করে, যখন ফজর হওয়ার আশংকা করবে তখন এক রাকাত বিতর পড়ে নিবে। [. ছহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ বিতর নামায, অনুচ্ছেদঃ বিতরের বর্ণনা। হা/৯৩২ (বাংলা বুখারী)। মুসলিম, অধ্যায়ঃ মুসাফিরের নামায, হা/১২৩৯।]
এ পদ্ধতি অনুযায়ী বিতর মূলত এক রাকাতই। দুহরাকাত পড়ে সালাম ফিরানো অতঃপর এক রাকাত পড়া। যেমন ইবনে ওমর (রাঃ)কে জিজ্ঞেস করা হল দুহদু রাকাত মানে কি? তিনি বললেন: প্রত্যেক দুহরাকাত পর পর সালাম ফিরাবে। [. মুসলিম- হা/১২৫২।] ইবনে ওমর (রাঃ), ইমাম মালেক, শাফেয়ী, আহমাদ, ইসহাক, প্রমুখ এভাবেই বিতর পড়তেন। [. আল মুগনী ২/৫৮৮।]
ইবনে উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে আরো বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে বিতর নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, দুহরাকাত এবং এক রাকাতের মাঝে সালাম ফিরে পার্থক্য করে নিবে। [. আসরাম স্বীয় সনদে হাদীছটি বর্ণনা করেন। দ্রঃ আল মুগনী ২/৫৮৯।]
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي الْحُجْرَةِ وَأَنَا فِي الْبَيْتِ فَيَفْصِلُ بَيْنَ الشَّفْعِ وَالْوَتْرِ بِتَسْلِيمٍ يُسْمِعُنَاهُ
আমি বাড়ীতে থাকাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কক্ষের মধ্যে নামায পড়তেন। তিনি দুহরাকাত এবং এক রাকাতের মাঝে পৃথক করতেন, এসময় তিনি আমাদেরকে শুনিয়ে জোরে সালাম দিতেন। [. আহমাদ হা/২৩৩৯৮। এক্ষেত্রে ইবনু উমার থেকে আরেকটি বর্ণনা পাওয়া যায়ঃ আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বিতরের দু’রাকাত এবং এক রাকাতের মধ্যে সালাম ফিরিয়ে পৃথক করতেন এবং তিনি বলেছেন যে, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করতেন। (ছহীহ্ ইবনু হিববান হা/২৪৩৩। হাফেয ইবনু হাজার বলেন, হাদীছটির সনদ শক্তিশালী, দ্রঃ ফাতহুল বারী ২/৪৮২।]
হযরত আয়েশা (রাঃ) আরো বলেন, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এক রাকাত বিতর পড়তেন। তিনি দুহরাকাত এবং এক রাকাতের মাঝে কথা বলতেন। [. মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, শায়খ আলবানী বলেন, হাদীছটির সনদ শায়খায়ন (বুখারী মুসলিমের) শর্তানুযায়ী ছহীহ। দ্রঃ ইরওয়াউল গালীল হা/ ৪২০।]
عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَاللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُسَلِّمُ بَيْنَ الرَّكْعَةِ وَالرَّكْعَتَيْنِ فِي الْوِتْرِ حَتَّى يَأْمُرَ بِبَعْضِ حَاجَتِهِ
নাফেহ বলেন, আবদুল্লাহ্ বিন ওমর (রাঃ) বিতরের দুহরাকাত এবং এক রাকাতের মাঝে সালাম ফিরাতেন এবং কোন দরকারী বিষয় থাকলে তার নির্দেশ দিতেন। [. ছহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ বিতর নামায, অনুচ্ছেদঃ বিতরের বর্ণনা। হা/৯৩২ (বাংলা বুখারী)। শায়খ বিন বায (রহঃ) বলেন, এ হাদীছটি মাওকূফ হলেও তা মারফূ হাদীছকে শক্তিশালী করছে। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তিন রাকাত বিতর পড়তে চায়, তার জন্যে এ পদ্ধতিই সবচেয়ে উত্তম। (দ্রঃ ছালাতুল মু’মেন- সাঈদ কাহতানী পৃঃ ৩২৫।)]
দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ দুহরাকাত পড়ে তাশাহুদের জন্য না বসে সালাম না ফিরিয়ে একাধারে তিন রাকাত পড়ে সালাম ফেরানো। এ কথার দলীল, হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি রাকাত বিতর নামায পড়তেন। এর মধ্যে তাশাহুদের জন্যে বসতেন না, একাধারে তিন রাকাত পড়ে শেষ রাকাতে বসতেন ও তাশাহুদ পড়তেন। এভাবেই বিতর পড়তেন আমীরুল মুহমেনীন হযরত ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)। [. হাদীছটি বর্ণনা করেন ইমাম হাকেম, তিনি হাদীটিকে ছহীহ বলেন।]
একাধারে তিন রাকাত বিতর পড়ার ইঙ্গিতে আরেকটি হাদীছ পাওয়া যায়। উবাই বিন কাহব (রাঃ) বলেন,
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الْوِتْرِ ( بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى ) وَفِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ ( بِقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ) وَفِي الثَّالِثَةِ ( بِقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ) وَلا يُسَلِّمُ إِلاَّ فِي آخِرِهِنَّ
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতর নামাযে প্রথম রাকাতে ওসাব্বেহিসমা রাব্বিকাল আহলাহ, দ্বিতীয় রাকাতে ওকুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফেরূনহ এবং তৃতীয় রাকাতে ওকুল হুওয়াল্লাহু আহাদহ পড়তেন। আর সবগুলো রাকাত শেষ করেই সালাম ফেরাতেন। [. নাসাঈ, অধ্যায়ঃ ক্বিয়ামুল্লায়ল ও নফল নামায, অধ্যায়ঃ বিতরের ক্ষেত্রে উবাই বিন কা’বের হাদীছ বর্ণনায় বর্ণনাকারীদের বাক্যের মধ্যে বিভিন্নতা। হা/১৬৮১।]
প্রথম পদ্ধতিঃ দুহরাকাত পড়ে সালাম ফেরানো। অতঃপর এক রাকাত পড়া। এ পদ্ধতির দলীল হলো- আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
أَنَّ رَجُلا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَلاةِ اللَّيْلِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ عَلَيْهِ السَّلَام صَلاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ أَحَدُكُمُ الصُّبْحَ صَلَّى رَكْعَةً وَاحِدَةً تُوتِرُ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى
জনৈক ছাহাবী রাতের নামায সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে জিজ্ঞেস করল। তখন রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, রাতের নামায দুহদু রাকাত করে, যখন ফজর হওয়ার আশংকা করবে তখন এক রাকাত বিতর পড়ে নিবে। [. ছহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ বিতর নামায, অনুচ্ছেদঃ বিতরের বর্ণনা। হা/৯৩২ (বাংলা বুখারী)। মুসলিম, অধ্যায়ঃ মুসাফিরের নামায, হা/১২৩৯।]
এ পদ্ধতি অনুযায়ী বিতর মূলত এক রাকাতই। দুহরাকাত পড়ে সালাম ফিরানো অতঃপর এক রাকাত পড়া। যেমন ইবনে ওমর (রাঃ)কে জিজ্ঞেস করা হল দুহদু রাকাত মানে কি? তিনি বললেন: প্রত্যেক দুহরাকাত পর পর সালাম ফিরাবে। [. মুসলিম- হা/১২৫২।] ইবনে ওমর (রাঃ), ইমাম মালেক, শাফেয়ী, আহমাদ, ইসহাক, প্রমুখ এভাবেই বিতর পড়তেন। [. আল মুগনী ২/৫৮৮।]
ইবনে উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে আরো বর্ণিত, জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে বিতর নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, দুহরাকাত এবং এক রাকাতের মাঝে সালাম ফিরে পার্থক্য করে নিবে। [. আসরাম স্বীয় সনদে হাদীছটি বর্ণনা করেন। দ্রঃ আল মুগনী ২/৫৮৯।]
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي الْحُجْرَةِ وَأَنَا فِي الْبَيْتِ فَيَفْصِلُ بَيْنَ الشَّفْعِ وَالْوَتْرِ بِتَسْلِيمٍ يُسْمِعُنَاهُ
আমি বাড়ীতে থাকাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কক্ষের মধ্যে নামায পড়তেন। তিনি দুহরাকাত এবং এক রাকাতের মাঝে পৃথক করতেন, এসময় তিনি আমাদেরকে শুনিয়ে জোরে সালাম দিতেন। [. আহমাদ হা/২৩৩৯৮। এক্ষেত্রে ইবনু উমার থেকে আরেকটি বর্ণনা পাওয়া যায়ঃ আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বিতরের দু’রাকাত এবং এক রাকাতের মধ্যে সালাম ফিরিয়ে পৃথক করতেন এবং তিনি বলেছেন যে, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করতেন। (ছহীহ্ ইবনু হিববান হা/২৪৩৩। হাফেয ইবনু হাজার বলেন, হাদীছটির সনদ শক্তিশালী, দ্রঃ ফাতহুল বারী ২/৪৮২।]
হযরত আয়েশা (রাঃ) আরো বলেন, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এক রাকাত বিতর পড়তেন। তিনি দুহরাকাত এবং এক রাকাতের মাঝে কথা বলতেন। [. মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, শায়খ আলবানী বলেন, হাদীছটির সনদ শায়খায়ন (বুখারী মুসলিমের) শর্তানুযায়ী ছহীহ। দ্রঃ ইরওয়াউল গালীল হা/ ৪২০।]
عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَاللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُسَلِّمُ بَيْنَ الرَّكْعَةِ وَالرَّكْعَتَيْنِ فِي الْوِتْرِ حَتَّى يَأْمُرَ بِبَعْضِ حَاجَتِهِ
নাফেহ বলেন, আবদুল্লাহ্ বিন ওমর (রাঃ) বিতরের দুহরাকাত এবং এক রাকাতের মাঝে সালাম ফিরাতেন এবং কোন দরকারী বিষয় থাকলে তার নির্দেশ দিতেন। [. ছহীহ বুখারী, অধ্যায়ঃ বিতর নামায, অনুচ্ছেদঃ বিতরের বর্ণনা। হা/৯৩২ (বাংলা বুখারী)। শায়খ বিন বায (রহঃ) বলেন, এ হাদীছটি মাওকূফ হলেও তা মারফূ হাদীছকে শক্তিশালী করছে। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তিন রাকাত বিতর পড়তে চায়, তার জন্যে এ পদ্ধতিই সবচেয়ে উত্তম। (দ্রঃ ছালাতুল মু’মেন- সাঈদ কাহতানী পৃঃ ৩২৫।)]
দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ দুহরাকাত পড়ে তাশাহুদের জন্য না বসে সালাম না ফিরিয়ে একাধারে তিন রাকাত পড়ে সালাম ফেরানো। এ কথার দলীল, হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি রাকাত বিতর নামায পড়তেন। এর মধ্যে তাশাহুদের জন্যে বসতেন না, একাধারে তিন রাকাত পড়ে শেষ রাকাতে বসতেন ও তাশাহুদ পড়তেন। এভাবেই বিতর পড়তেন আমীরুল মুহমেনীন হযরত ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ)। [. হাদীছটি বর্ণনা করেন ইমাম হাকেম, তিনি হাদীটিকে ছহীহ বলেন।]
একাধারে তিন রাকাত বিতর পড়ার ইঙ্গিতে আরেকটি হাদীছ পাওয়া যায়। উবাই বিন কাহব (রাঃ) বলেন,
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الْوِتْرِ ( بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى ) وَفِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ ( بِقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ) وَفِي الثَّالِثَةِ ( بِقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ) وَلا يُسَلِّمُ إِلاَّ فِي آخِرِهِنَّ
রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতর নামাযে প্রথম রাকাতে ওসাব্বেহিসমা রাব্বিকাল আহলাহ, দ্বিতীয় রাকাতে ওকুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফেরূনহ এবং তৃতীয় রাকাতে ওকুল হুওয়াল্লাহু আহাদহ পড়তেন। আর সবগুলো রাকাত শেষ করেই সালাম ফেরাতেন। [. নাসাঈ, অধ্যায়ঃ ক্বিয়ামুল্লায়ল ও নফল নামায, অধ্যায়ঃ বিতরের ক্ষেত্রে উবাই বিন কা’বের হাদীছ বর্ণনায় বর্ণনাকারীদের বাক্যের মধ্যে বিভিন্নতা। হা/১৬৮১।]