১
ছহীহ্ সুন্নাহ্র আলোকে বিতর নামায
লেখকঃ মুহা: আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
বিতর শেষ করে দুহরাকাত নামায আদায় করাঃ
বিতর শেষে দুহরাকাত নামায আদায় করা যায় এবং এই নামায বসে বসে আদায় করা যায়। রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো এই নামায আদায় করেছেন।
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ الْوِتْرِ رَكْعَتَيْنِ
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতরের পর দুহরাকাত নামায আদায় করতেন। [. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ নামায, অনুচ্ছেদ, একরাতে দু’বার বিতর নেই, হা/৪৩৩।] ইবনে মাজার বর্ণনায় বলা হয়েছেঃ
خَفِيفَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ
হালকা করে বসাবস্থায় উহা আদায় করতেন। [. ইবনু মাজাহ্ অধ্যায়ঃ নামায প্রতিষ্ঠা করা ও তার মধ্যে সুন্নাত হা/১১৮৫। শায়খ আলবানী হাদীছটিকে হাসান বলেন, (দ্রঃ মেশকাত আলবানী ১/৪০০- ৪০১ পৃঃ হা/১২৮৪, ১২৮৭।)]
সদা-সর্বদা এ নামায আদায় করা উচিত নয়। কেননা তাহলে অপর হাদীছ তোমরা তোমাদের রাতের নামাযের সর্বশেষে বিতর নামায আদায় করবে। [. বুখারী, অধ্যায়ঃ জুমআর নামায হা/৯৪৩। ও মুসলিম, অধ্যায়ঃ মুসাফিরের নামায হা/১২৪৫।] এর প্রতি আমল করা হবে না।
বিতর নামায পড়ার পর ইচ্ছা করলে নফল নামায পড়া যে জায়েয এটা প্রমাণ করার জন্যই নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ নামায আদায় করেছেন। (আল্লাহই অধিক জ্ঞাত)
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ الْوِتْرِ رَكْعَتَيْنِ
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতরের পর দুহরাকাত নামায আদায় করতেন। [. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ নামায, অনুচ্ছেদ, একরাতে দু’বার বিতর নেই, হা/৪৩৩।] ইবনে মাজার বর্ণনায় বলা হয়েছেঃ
خَفِيفَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ
হালকা করে বসাবস্থায় উহা আদায় করতেন। [. ইবনু মাজাহ্ অধ্যায়ঃ নামায প্রতিষ্ঠা করা ও তার মধ্যে সুন্নাত হা/১১৮৫। শায়খ আলবানী হাদীছটিকে হাসান বলেন, (দ্রঃ মেশকাত আলবানী ১/৪০০- ৪০১ পৃঃ হা/১২৮৪, ১২৮৭।)]
সদা-সর্বদা এ নামায আদায় করা উচিত নয়। কেননা তাহলে অপর হাদীছ তোমরা তোমাদের রাতের নামাযের সর্বশেষে বিতর নামায আদায় করবে। [. বুখারী, অধ্যায়ঃ জুমআর নামায হা/৯৪৩। ও মুসলিম, অধ্যায়ঃ মুসাফিরের নামায হা/১২৪৫।] এর প্রতি আমল করা হবে না।
বিতর নামায পড়ার পর ইচ্ছা করলে নফল নামায পড়া যে জায়েয এটা প্রমাণ করার জন্যই নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ নামায আদায় করেছেন। (আল্লাহই অধিক জ্ঞাত)