১
ছহীহ্ সুন্নাহ্র আলোকে বিতর নামায
লেখকঃ মুহা: আবদুল্লাহ্ আল কাফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
ফরয নামাযে ক্বনূতঃ
পর্বেল্লেখিত হাদীছ সমূহের ভিত্তিতে কাফেরদের পক্ষ থেকে যদি মুসলমানদের উপর বিশেষ কোন বিপদ উপস্থিত হয়, তখন ক্বনূত পাঠ করা মুস্তাহাব। যে কোন ফরয নামাযে তা পাঠ করতে পারে। এটাকে বলা হয় ওক্বনূতে নাযেলাহ। কাফেরদের উপর বদদুআ অথবা দুর্বল মুসলমানদের উদ্ধারের জন্য দুআ করতে এই ক্বনূত পাঠ করবে। কারণ দূরীভূত হলে ক্বনূত পড়া পরিত্যাগ করবে। সর্বদা ইহা পাঠ করা উচিত নয়। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একমাস কাফেরদের উপর বদদুআ করেছেন। অনুরূপভাবে খোলাফায়ে রাশাদাও ক্বনূত পাঠ করতেন। কিন্তু তারা উহা সর্বদাই পাঠ করতেন না। [. ইমাম ইবনে তায়মিয়া বলেন, ফরয নামাযে ক্বনূত পাঠের ব্যাপারে আলেমগণ তিনভাগে বিভক্ত হয়েছেনঃ ফরয নামাযে ক্বনূত পাঠ করা মানসূখ বা রহিত হয়ে গেছে। সুতরাং উহা বিদআত। কেননা নবী উহা একমাস পড়ার পর ছেড়ে দিয়েছেন। তার এই ছেড়ে দেয়ায় প্রমাণ করে যে, উহা রহিত।ক্বনূত পাঠ করা সর্বদাই বিধিসম্মত ও সুন্নাত। বিশেষ তরে ফজরের নামাযে। প্রয়োজনের সময় উহা সুন্নাত। অন্য সময় নয়। যেমনটি রাসূলুল্লাহ্ এবং তাঁর পর খোলাফায়ে রাশেদা করেছিলেন। এটাই বিশুদ্ধ কথা। তাঁরা বিপদ দূর হলে= =ক্বনূত পড়া ছেড়ে দিয়েছেন। যদি উহা মানসূখ হত, তবে খোলাফায়ে রাশেদা পড়তেন না। (বিস্তারিত দ্রঃ মাজমু ফাতাওয়া ২৩/ ৯৯, ১০৫-১০৮)]