১
ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য
লেখকঃ ইকবাল হোছাইন মাছুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
ইবাদত আত্মার জীবন
ইবাদত, মহান আল্লাহর অন্যতম নিয়ামত। কেবল বঞ্চিতরাই এ সত্য অনুভব করতে ব্যর্থ হয়েছে। আপনি ভোগবাদিদের জিজ্ঞেস করুন, যারা এ পৃথিবীর যাবতীয় স্বাদ-মজা আস্বাদন করেছে, কি আস্বাদন করল। যারা বিলাস বহুল গাড়ীতে চলাফেরা করেছে, কি চড়ল। যারা রকমারী পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করেছে, কি পরিধান করল। তারা দুনিয়ার বিলাস সামগ্রীর সব কিছু উপভোগ করেছে, কিন্তু...
মহান আল্লাহর ভাষায়,
(আরবি)
কিন্তু যারা কুফুরি করে তারা ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকে এবং তারা আহার করে যেমন চতুষ্পদ জন্তুরা আহার করে। আর জাহান্নামই তাদের বাসস্থান। [সূরা মুহাম্মাদ:১২]
এরপর কি? যদি ঈমানের মাধ্যমে মনের বিষন্নতা দূর করতেই ব্যর্থ হল। আল্লাহর আনুগত্য-দাসত্ব ও তাঁর প্রতি ঈমান ও অগাধ বিশ্বাসের মাধ্যমে নিজেকে মর্যাদার সুউচ্চ আসনে সমাসীন করতেই না পারল। যদি দৈনন্দিন পাঁচ বার সালাতের মাধ্যমে তাঁর সাথে সম্পর্ক নিবিড় থেকে নিবিড়তর করে লাভবান হতে না পারল। যদি এসবের মাধ্যমে নিজের জীবনকে কাজে লাগাতে না পারল তাহলে এর অর্থ হল, সে তার মূল জীবনকেই হত্যা করল। ঈমান আর আকিদার জীবনই তো মূল জীবন। অর্থবহ জীবন। চিন্তার জীবন।
ঈমান ভিন্ন আবার মানুষ কে? আকিদা ছাড়া আবার মানবতা কি? আল্লাহর ইবাদত ছাড়া মনুষত্ব কি? চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন, ভোগ-বিলাসিতায় আচ্ছন্ন মানুষের তুলনায় আখিরাত মুখি জীবনবোধ সম্পন্ন-ইবাদতগুজার ব্যক্তিরা শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে বেশি সুস্থ। অধিক সুখি। আর মান-মর্যাদার বিবেচনায় তো বলতেই নেই। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
إنا كنا أذل قوم فأعزنا الله بالإسلام، فمهما نطلب العز بغير ما أعزنا الله أذلنا الله .
আমরা ছিলাম সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট জাতি, ইসলামের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে সর্বোৎকৃষ্ট জাতিতে পরিণত করেছেন। সুতরাং যার মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে মর্যাদাবান করেছেন তাকে বাদ দিয়ে যখনই আমরা অন্য কোথাও খুঁজতে যাব আল্লাহ আমাদের বেইজ্জত করে দেবেন।
সুতরাং ইজ্জত রয়েছে ইসলামের মধ্যে। মর্যাদা, সম্মান ও মানব জীবনের স্বার্থকতা হচ্ছে আল্লাহর নির্দেশের কাছে নিজেকে বিলীন করে দেওয়ার মধ্যে। প্রকৃত মানুষ তারাই যারা নিজ মালিকের প্রভুত্বকে বরণ করে নিয়েছে সানন্দচিত্তে, তাঁর দাসত্বকে গ্রহণ করেছে গর্বের সাথে। তারাই প্রকৃত স্বাধীন, তারাই সম্মানী, তারাই মর্যাদাবান আর তারাই প্রকৃত জীবনবোধ সম্পন্ন সফল মানুষ। আল্লাহ আমাদেরকে এই প্রকৃতির উপর স্থির থাকার তাওফিক দান করুন।
মহান আল্লাহর ভাষায়,
(আরবি)
কিন্তু যারা কুফুরি করে তারা ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকে এবং তারা আহার করে যেমন চতুষ্পদ জন্তুরা আহার করে। আর জাহান্নামই তাদের বাসস্থান। [সূরা মুহাম্মাদ:১২]
এরপর কি? যদি ঈমানের মাধ্যমে মনের বিষন্নতা দূর করতেই ব্যর্থ হল। আল্লাহর আনুগত্য-দাসত্ব ও তাঁর প্রতি ঈমান ও অগাধ বিশ্বাসের মাধ্যমে নিজেকে মর্যাদার সুউচ্চ আসনে সমাসীন করতেই না পারল। যদি দৈনন্দিন পাঁচ বার সালাতের মাধ্যমে তাঁর সাথে সম্পর্ক নিবিড় থেকে নিবিড়তর করে লাভবান হতে না পারল। যদি এসবের মাধ্যমে নিজের জীবনকে কাজে লাগাতে না পারল তাহলে এর অর্থ হল, সে তার মূল জীবনকেই হত্যা করল। ঈমান আর আকিদার জীবনই তো মূল জীবন। অর্থবহ জীবন। চিন্তার জীবন।
ঈমান ভিন্ন আবার মানুষ কে? আকিদা ছাড়া আবার মানবতা কি? আল্লাহর ইবাদত ছাড়া মনুষত্ব কি? চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন, ভোগ-বিলাসিতায় আচ্ছন্ন মানুষের তুলনায় আখিরাত মুখি জীবনবোধ সম্পন্ন-ইবাদতগুজার ব্যক্তিরা শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে বেশি সুস্থ। অধিক সুখি। আর মান-মর্যাদার বিবেচনায় তো বলতেই নেই। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
إنا كنا أذل قوم فأعزنا الله بالإسلام، فمهما نطلب العز بغير ما أعزنا الله أذلنا الله .
আমরা ছিলাম সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট জাতি, ইসলামের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে সর্বোৎকৃষ্ট জাতিতে পরিণত করেছেন। সুতরাং যার মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে মর্যাদাবান করেছেন তাকে বাদ দিয়ে যখনই আমরা অন্য কোথাও খুঁজতে যাব আল্লাহ আমাদের বেইজ্জত করে দেবেন।
সুতরাং ইজ্জত রয়েছে ইসলামের মধ্যে। মর্যাদা, সম্মান ও মানব জীবনের স্বার্থকতা হচ্ছে আল্লাহর নির্দেশের কাছে নিজেকে বিলীন করে দেওয়ার মধ্যে। প্রকৃত মানুষ তারাই যারা নিজ মালিকের প্রভুত্বকে বরণ করে নিয়েছে সানন্দচিত্তে, তাঁর দাসত্বকে গ্রহণ করেছে গর্বের সাথে। তারাই প্রকৃত স্বাধীন, তারাই সম্মানী, তারাই মর্যাদাবান আর তারাই প্রকৃত জীবনবোধ সম্পন্ন সফল মানুষ। আল্লাহ আমাদেরকে এই প্রকৃতির উপর স্থির থাকার তাওফিক দান করুন।