১
ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য
লেখকঃ ইকবাল হোছাইন মাছুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
মানব ও জিন সৃষ্টির রহস্য:
প্রজ্ঞার দাবি হল সকল কাজে কোন না কোন লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকা, অনুদ্দিষ্ট কাজ ও অনর্থ এড়িয়ে চলা। সেই নীতিতে বিচার করলে অবশ্যই মানতে হবে মহা প্রজ্ঞাময় রাব্বুল আলামিন কোনো কিছুই বিনা উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেননি। তাঁর সকল কর্মেই রয়েছে অপার হিকমত। সুতরাং এই কায়েনাত ও তাতে বিদ্যমান কোনো কিছুই উদ্দেশ্যহীন নয়। কিছুই তিনি অযথা-অনর্থক সৃষ্টি করেননি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলছেন,
(আরবি)
আর আসমান, জমিন এবং এ দুয়ের মধ্যে যা আছে তা আমি অনর্থক সৃষ্টি করিনি। এটা কাফেরদের ধারণা, সুতরাং কাফেরদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের দুর্ভোগ। [ সূরা সাদ: ২৭]
আরও ইরশাদ হছ্ছে,
(আরবি)
আর আমি আসমানসমূহ, জমিন এবং এতদোভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি এ দু’টোকে যথাযথভাবেই সৃষ্টি করেছি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না। [ সূরা দুখান : ৩৮-৩৯]
জিন-ইনসানের সৃষ্টিও এই ধারার বাইরে নয়। বরং প্রজ্ঞাময় সৃষ্টাকর্তা তাদেরকে যে মহান উদ্দেশ্যে এই বসুন্ধরায় পাঠিয়েছেন সে সম্বন্ধে স্পষ্ট করে বলছেন,
(আরবি)
আর আমি জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদত করবে। আমি তাদের কাছে কোনো রিজক চাই না, আর আমি চাই না যে, তারা আমাকে খাবার দিবে। [ সূরা জারিয়াত : ৫৬-৫৭]
সুতরাং সৃষ্টির উদ্দেশ্য, তাঁর ইবাদত করা এবং তাঁর আরোপিত নির্দেশ বাস্তবায়ন করা।
মহান আল্লাহ পৃথিবীতে সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে অসংখ্য নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। যাতে তারা আপন রবের দিশা লাভ করতে পারে। ধারণা নিতে পারে তাঁর সম্বন্ধে যথাযথভাবে। তাঁরা এসে এ দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত নির্ভুলভাবে। জিন ও মানুষকে তাদের রব ও প্রতিপালক আল্লাহ সম্বন্ধে ধারণা দিয়েছেন। কেন তিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন, পৃথিবীতে তাদেরকে পাঠানোর উদ্দেশ্যই বা কি, সে ব্যাপারে তাদের বুঝিয়েছেন স্বার্থকভাবে। তাদের অনেকে নবী-রাসূলদের দেখানো হেদায়াত গ্রহণ করে ধন্য হয়েছে আবার অনেকে প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের দুর্ভোগ নিশ্চিত করেছে। বান্দার বিরুদ্ধে আল্লাহর হুজ্জত প্রতিষ্ঠিত।
প্রিয় পাঠক, মহান আল্লাহর বাণী ও তার আবেদনের প্রতি একটু চিন্তা করুন। দেখুন তিনি কি বলেছেন,
(আরবি)
আর আমি জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদত করবে।
আরো বলেছেন,
(আরবি)
আর তোমরা কেবল আল্লাহরই ইবাদত করো এবং তার সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না। [সূরা নিসা : ৩৬]
(আরবি)
আর আসমান, জমিন এবং এ দুয়ের মধ্যে যা আছে তা আমি অনর্থক সৃষ্টি করিনি। এটা কাফেরদের ধারণা, সুতরাং কাফেরদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের দুর্ভোগ। [ সূরা সাদ: ২৭]
আরও ইরশাদ হছ্ছে,
(আরবি)
আর আমি আসমানসমূহ, জমিন এবং এতদোভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি এ দু’টোকে যথাযথভাবেই সৃষ্টি করেছি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না। [ সূরা দুখান : ৩৮-৩৯]
জিন-ইনসানের সৃষ্টিও এই ধারার বাইরে নয়। বরং প্রজ্ঞাময় সৃষ্টাকর্তা তাদেরকে যে মহান উদ্দেশ্যে এই বসুন্ধরায় পাঠিয়েছেন সে সম্বন্ধে স্পষ্ট করে বলছেন,
(আরবি)
আর আমি জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদত করবে। আমি তাদের কাছে কোনো রিজক চাই না, আর আমি চাই না যে, তারা আমাকে খাবার দিবে। [ সূরা জারিয়াত : ৫৬-৫৭]
সুতরাং সৃষ্টির উদ্দেশ্য, তাঁর ইবাদত করা এবং তাঁর আরোপিত নির্দেশ বাস্তবায়ন করা।
মহান আল্লাহ পৃথিবীতে সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে অসংখ্য নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। যাতে তারা আপন রবের দিশা লাভ করতে পারে। ধারণা নিতে পারে তাঁর সম্বন্ধে যথাযথভাবে। তাঁরা এসে এ দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত নির্ভুলভাবে। জিন ও মানুষকে তাদের রব ও প্রতিপালক আল্লাহ সম্বন্ধে ধারণা দিয়েছেন। কেন তিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন, পৃথিবীতে তাদেরকে পাঠানোর উদ্দেশ্যই বা কি, সে ব্যাপারে তাদের বুঝিয়েছেন স্বার্থকভাবে। তাদের অনেকে নবী-রাসূলদের দেখানো হেদায়াত গ্রহণ করে ধন্য হয়েছে আবার অনেকে প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের দুর্ভোগ নিশ্চিত করেছে। বান্দার বিরুদ্ধে আল্লাহর হুজ্জত প্রতিষ্ঠিত।
প্রিয় পাঠক, মহান আল্লাহর বাণী ও তার আবেদনের প্রতি একটু চিন্তা করুন। দেখুন তিনি কি বলেছেন,
(আরবি)
আর আমি জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদত করবে।
আরো বলেছেন,
(আরবি)
আর তোমরা কেবল আল্লাহরই ইবাদত করো এবং তার সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না। [সূরা নিসা : ৩৬]