১
ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য
লেখকঃ ইকবাল হোছাইন মাছুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
ইবাদত কবুল হওয়ার শর্ত:
মহান আল্লাহর বিশলতা পরিমাপ করা সৃষ্টির পক্ষে অসম্ভব। কারণ সৃষ্টির জ্ঞান সীমিত, তার উপলব্ধি-অনুভূতি সবই সীমিত। এই সীমিত জ্ঞান-অনুভূতি দ্বারা মহান ও অসীম আল্লাহকে আয়ত্ব করা কিভাবে সম্ভব? তাই বান্দার একমাত্র ফলপ্রসূ কাজ হচ্ছে তার হুকুম তামিল করা। কোনো দিকে না তাকিয়ে তাকে সর্বান্তকরণে মান্য করা। প্রমাণিত ইবাদতগুলো পালন করে যাওয়া। মানুষের পক্ষে যেহেতু তাঁর বড়ত্বের সীমা সম্বন্ধে জানা অসম্ভব তাই তাঁর সম্মান ও শানের সাথে প্রযোজ্য ইবাদত কি হতে পারে সে বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্তে আসাও সম্ভব নয়। সুতরাং সে নিজ হতে কোনো ইবাদত আবিষ্কারের যোগ্য নয়। তার দাসত্বের বহি:প্রকাশ কেবল মহামহীমের নির্দেশ নি:শর্ত পালন করার মধ্যেই সীমিত। আর সেই নির্দেশই হচ্ছে ইবাদত। মানুষ যেমনি ইবাদত নিজ হতে আবিষ্কার করতে পারে না যৌক্তিক কারণে, সেই একই কারণে ঐ ইবাদত পালনের পদ্ধতি নিরূপণ করাও তার পক্ষে সম্ভব নয়, তাই এ ক্ষেত্রেও তাকে মহান আল্লাহর দেয়া পদ্ধতির উপর নির্ভর করতে হবে। যাতে ইবাদত আদায়ের পদ্ধতিও মহান আল্লাহর শানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।
সুতরাং আমাদেরকে বুঝতে হবে, মহান আল্লাহ প্রদত্ত্ব এই শরিয়ত পরিপূর্ণ। তাতে সংযোজন ও বিয়োজনের কোনো সুযোগ নেই। আল্লাহ বলেন,
(আরবি)
আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের উপর আমার নেয়ামত সম্পূর্ণ করলাম আর তোমাদের জন্য দীন হিসাবে পছন্দ করলাম ইসলামকে। [সূরা মায়েদা : ৩]
আল্লাহ প্রদত্ত যাবতীয় ইবাদত কবুল হবার জন্য মৌলিক শর্ত দু’টি।
এক.
ইবাদত ও আমল হতে হবে কেবলমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে। রিয়া-লৌকিকতা ও খ্যাতি অর্জনের মোহমুক্ত।
ইরশাদ হচ্ছে,
(আরবি)
আর তাদেরকে কেবল এই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ইবাদত করে তাঁরই জন্য দীনকে একনিষ্ঠ করে। [সূরা বায়্যিনাহ : ৫]
দুই.
ইবাদত সম্পাদিত হতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে- আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ম ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত অনুযায়ী।
মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন,
(আরবি)
রাসূল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ কর আর যা হতে তোমাদের নিষেধ করে তা থেকে বিরত হও। [ সূরা হাশর : ৭ ]
এই শর্তদ্বয় কিংবা যে কোনো একটির অনুপস্থিতে আদয়কৃত ইবাদত কবুল হবে না। বরং বাতিল বলে বিবেচিত হবে। কারণ আল্লাহর অনুমোদন কিংবা রাসূলুল্লাহর সুন্নত এড়িয়ে যে ইবাদত সম্পাদন করা হবে তা হবে প্রবৃত্তির অনুকরণ ও বিদআত।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
(আরবি)
অত:পর তারা যদি তোমার আহ্বানে সাড়া না দেয়, তাহলে জেনে রাখ, তারা তো নিজেদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে। আর আল্লাহর দিকনির্দেশনা ছাড়া যে নিজের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে তার চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে? নিশ্চয় আল্লাহ জালিম কওমকে হিদায়াত করেন না। [ সূরা কাসাস:৫০]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
وإياكم و محدثات الأمور، فإن كل بدعة ضلالة . ( رواه أبو داود و الترمذي وقال : حديث حسن صحيح )
তোমরা (অপ্রমাণিত) নতুন নতুন বিষয়াদি হতে সতর্ক থাকবে, কারণ প্রত্যেক বিদআতই বিভ্রান্তি ও গোমরাহী। [ বর্ণনায় আবু দাউদ ও তিরমিজি, তিনি মন্তব্য করেছেন হাদিসটি হাসান সহিহ]
সুতরাং আমাদেরকে বুঝতে হবে, মহান আল্লাহ প্রদত্ত্ব এই শরিয়ত পরিপূর্ণ। তাতে সংযোজন ও বিয়োজনের কোনো সুযোগ নেই। আল্লাহ বলেন,
(আরবি)
আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের উপর আমার নেয়ামত সম্পূর্ণ করলাম আর তোমাদের জন্য দীন হিসাবে পছন্দ করলাম ইসলামকে। [সূরা মায়েদা : ৩]
আল্লাহ প্রদত্ত যাবতীয় ইবাদত কবুল হবার জন্য মৌলিক শর্ত দু’টি।
এক.
ইবাদত ও আমল হতে হবে কেবলমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে। রিয়া-লৌকিকতা ও খ্যাতি অর্জনের মোহমুক্ত।
ইরশাদ হচ্ছে,
(আরবি)
আর তাদেরকে কেবল এই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল্লাহর ইবাদত করে তাঁরই জন্য দীনকে একনিষ্ঠ করে। [সূরা বায়্যিনাহ : ৫]
দুই.
ইবাদত সম্পাদিত হতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে- আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ম ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত অনুযায়ী।
মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন,
(আরবি)
রাসূল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ কর আর যা হতে তোমাদের নিষেধ করে তা থেকে বিরত হও। [ সূরা হাশর : ৭ ]
এই শর্তদ্বয় কিংবা যে কোনো একটির অনুপস্থিতে আদয়কৃত ইবাদত কবুল হবে না। বরং বাতিল বলে বিবেচিত হবে। কারণ আল্লাহর অনুমোদন কিংবা রাসূলুল্লাহর সুন্নত এড়িয়ে যে ইবাদত সম্পাদন করা হবে তা হবে প্রবৃত্তির অনুকরণ ও বিদআত।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
(আরবি)
অত:পর তারা যদি তোমার আহ্বানে সাড়া না দেয়, তাহলে জেনে রাখ, তারা তো নিজেদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে। আর আল্লাহর দিকনির্দেশনা ছাড়া যে নিজের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে তার চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে? নিশ্চয় আল্লাহ জালিম কওমকে হিদায়াত করেন না। [ সূরা কাসাস:৫০]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
وإياكم و محدثات الأمور، فإن كل بدعة ضلالة . ( رواه أبو داود و الترمذي وقال : حديث حسن صحيح )
তোমরা (অপ্রমাণিত) নতুন নতুন বিষয়াদি হতে সতর্ক থাকবে, কারণ প্রত্যেক বিদআতই বিভ্রান্তি ও গোমরাহী। [ বর্ণনায় আবু দাউদ ও তিরমিজি, তিনি মন্তব্য করেছেন হাদিসটি হাসান সহিহ]