hadith book logo

ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য

লেখকঃ ইকবাল হোছাইন মাছুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪

ইবাদতের শ্রেণীভাগ

মহান আল্লাহর অপার করুণা তিনি মানবজাতির জন্য নানাবিধ ইবাদতের অনুমোদন দিয়েছেন। কিছু ইবাদত দিয়েছেন যা মন ও অনুভূতি দিয়ে পালন করতে হয়, যাকে ইবাদতে কলবিয়া বলা হয়। সবকিছু একেবারে আল্লাহর নিমিত্তে পালন করার মানসিক সঙ্কল্প, তাঁর সন্তুষ্টি ও কৃপা লাভের আশা পোষণ করা ইত্যাদি, এসবই কলবি ইবাদত। কিছু আছে শারীরিক ইবাদত, শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে যা সম্পাদন করতে হয়। যাকে ইবাদতে বাদানিয়্যা বলে। দৈনন্দিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়, রমজানের সিয়াম পালন এরই অন্তর্ভুক্ত। আরো আছে অর্থ-সম্পদ কেন্দ্রিক ইবাদত। সম্পদের মাধ্যমে যা আদায় করতে হয়। যেমন জাকাত, উশর ও সদকা-ফিতরা ইত্যাদি যা একজন বান্দা স্বীয় প্রতিপালকের সন্তুষ্টি অর্জনের নিমিত্তে আদায় করে থাকে। আবার কিছু ইবাদত আছে যা সম্পাদন করতে অর্থ ও শরীর উভয়ের প্রয়োজন হয়। যেমন হজ্জ, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ ইত্যাদি।

মহান আল্লাহর আরও কৃপা, তিনি যেমনি করে ফরজ ইবাদতের অনুমোদন দিয়েছেন তেমনি প্রতিটি ফরজের পাশাপাশি অনুমোদন দিয়েছেন নফলেরও। নফল সালাত, নফল সওম, নফল জাকাত, নফল হজ্জ ও উমরা। এ সবই আমাদের ঈমানের মুজবুতির জন্য, নেক আমলের আধিক্য ও দরজাত বুলন্দির সুযোগ সৃষ্টির জন্য। সবই মহান রবের অন্তহীন কৃপা। অপার রহমত ও দয়া। তাঁর গুণগান করে শেষ করা যাবে না, তিনি তেমনই যেমন বর্ণনা করেছেন তিনি নিজে।