১
ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য
লেখকঃ ইকবাল হোছাইন মাছুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
ইবাদতের অর্থ কি?
ইবাদত একটি ব্যাপক অর্থবোধক ব্যাপার। যার মূল হচ্ছে, দীন ও ধর্মকে একমাত্র আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ করা। যাবতীয় বন্দেগি হবে কেবলমাত্র তাঁরই নিমিত্তে। মন নিবিষ্ট থাকবে তাঁরই প্রতি ভয়, আগ্রহ ও ভালবাসায়। সকল ইবাদত উদযাপিত হবে তাঁরই জন্য, আপনার নামাজ তাঁর জন্য, রোজা তাঁরই জন্য, জিকির">দোয়া তাঁরই নিকট, আপনি বাধিত হবেন তাঁরই কাছে, আপনার ভয় তাঁরই জন্য, ভালবাসা-কামনা-বাসনা, নির্ভরতা-তাওয়াক্কুল সবই তাঁর উপর। আপনার মানসিক ভীতি ও শ্রদ্ধা শুধু তাঁরই প্রতি। মন তাঁর ভক্তি ও ভালবাসায়ই থাকবে পরিপূর্ণ। কারণ,
(আরবি)
আর এটা এজন্য যে, নিশ্চয় আল্লাহই সত্য এবং তারা তাঁর পরিবর্তে যাকে ডাকে, আবশ্যই তা বাতিল। আর নিশ্চয় আল্লহ তো সমুচ্চ, সুমহান। [সূরা হজ্জ : ৬২]
ইসলামি শরিয়তে ইবাদত একটি ব্যাপক ব্যাপার। যা দুনিয়া-আখেরাত উভয় জগতের যাবতীয় কল্যাণকে শামিল করে আছে। যার তাত্বিকতাকে ভাষায় এভাবে ব্যক্ত করা যায়,
هي اسم جامع لكل ما يحبه الله ويرضاه من الأقوال والأعمال الظاهرة والباطنة .
অর্থাৎ, ইবাদত বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ এমন কথা ও কাজ যা মহান আল্লাহ ভালবাসেন ও পছন্দ করেন।
প্রতিটি মুসলিমকে যথার্থভাবেই জানা উচিত বরং তারা জানেও বটে যে, সে নিছক আল্লাহর বান্দা ও গোলাম। তার সার্বিক প্রচেষ্টা এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, কি ভাবে সেই দাসত্বের পরিচয় তুলে ধরা যায়। আর এর মধ্যেই তার মর্যাদা ও সম্মান। সুতরাং সে আল্লাহর নির্দেশগুলো বাস্তবায়ন করবে, নিষেধাবলী পরিহার করবে, তাঁর নির্ধারিত সীমার ভেতর অবস্থান করবে এবং আরোপিত দায়িত্ব পালন করবে।
(আরবি)
আর এটা এজন্য যে, নিশ্চয় আল্লাহই সত্য এবং তারা তাঁর পরিবর্তে যাকে ডাকে, আবশ্যই তা বাতিল। আর নিশ্চয় আল্লহ তো সমুচ্চ, সুমহান। [সূরা হজ্জ : ৬২]
ইসলামি শরিয়তে ইবাদত একটি ব্যাপক ব্যাপার। যা দুনিয়া-আখেরাত উভয় জগতের যাবতীয় কল্যাণকে শামিল করে আছে। যার তাত্বিকতাকে ভাষায় এভাবে ব্যক্ত করা যায়,
هي اسم جامع لكل ما يحبه الله ويرضاه من الأقوال والأعمال الظاهرة والباطنة .
অর্থাৎ, ইবাদত বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ এমন কথা ও কাজ যা মহান আল্লাহ ভালবাসেন ও পছন্দ করেন।
প্রতিটি মুসলিমকে যথার্থভাবেই জানা উচিত বরং তারা জানেও বটে যে, সে নিছক আল্লাহর বান্দা ও গোলাম। তার সার্বিক প্রচেষ্টা এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, কি ভাবে সেই দাসত্বের পরিচয় তুলে ধরা যায়। আর এর মধ্যেই তার মর্যাদা ও সম্মান। সুতরাং সে আল্লাহর নির্দেশগুলো বাস্তবায়ন করবে, নিষেধাবলী পরিহার করবে, তাঁর নির্ধারিত সীমার ভেতর অবস্থান করবে এবং আরোপিত দায়িত্ব পালন করবে।