১
ইসলামে ইবাদাত
লেখকঃ কামাল উদ্দিন মোল্লা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
পূর্ণাঙ্গ আল্লাহর মহববত:
আল্লাহর মুহাববত হচ্ছে ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি। যে ভিত্তির উপর ইসলাম ধর্মে ইবাদত প্রতিষ্ঠিত হয় তা হলো আল্লাহর মুহাববত। পাখীর সাথে তার মাথার যে সম্পর্ক, ইবাদতের সাথে আল্লাহর মুহববতের সে রকমই সম্পর্ক। অতএব যে পাখীর মাথা নেই সেই পাখীর প্রাণ নেই। যে ইবাদতে আল্লাহর মুহাববত নেই সেই ইবাদতের অস্তিত্ব নেই।
মুহাববত দ্বারা বিদআতীদের মিথ্যা মুহাববত, দার্শনিকদের কাল্পনিক মুহাববত অথবা সূফীদের মুহাববতের দাবী উদ্দেশ্য নয়। বরং যে মুহাববতে বিনয়ী এবং আল্লাহর মহত্ব ও তাঁর আনুগত্য প্রকাশ পায় তা হল সত্যিকার মুহাববত। বান্দা তার প্রেমাষ্পদের জন্য উৎসর্গ হতে সদা প্রস্ত্তত থাকবে। যা আল্লাহর পছন্দ তা তারও পছন্দ। যা আল্লার অপছন্দ তা তারও অপছন্দ। আল্লাহর আদেশসমূহ সে বাস্তবায়ন করে এবং নিষেধগুলো বর্জন করে। আল্লাহর প্রিয়জনকে বন্ধু বলে মনে করে। আর শত্রুকে শত্রু বলে মনে করে। আর কোন বস্ত্ত আল্লাহর সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টির করণ তা জানার একমাত্র পথ হলো রাসূলের পথ অনুসরণ করা। এজন্য আল্লাহ তাআলা বলেছেন
إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّه ( ال عمران : 31)
‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস তাহলে আমাকে অনুসরণ কর। যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন।’
মুখে ভালোবাসার দাবি, অন্তরে তীব্র পিপাসা আ,, কিন্তু কুরআনুল কারীম এবং হাদীসে রাসূলে যা এসেছে, তার অনুসরণ থেকে দূরে থাকলে কিয়ামত দিবসে ঐ ভালোবাসা তার কোন উপকারে আসবে না। এটা হবে ভালবাসার নামে আল্লাহর সাথে মিথ্যা এবং প্রতারণা মাত্র।
আল্লামা ইবনুল কাসীর রহ. বলেন, এ আয়াত ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফয়সালাকারী যে দাবী করে আল্লাহর মুহাববতের, অথচ সে মুহাম্মাদ সা. এর সুন্নাহ অনুসরণ করে না। তার দাবীতে সে মিথ্যাবাদী বলে সাব্যস্ত হবে। যতক্ষণ না সে শরীয়তে মুহাম্মদীর এবং নবী সা. এর অনুসরণে সকল কথা ও কাজ না করবে। যেমন বিশুদ্ধ হাদীসে এসেছে, রাসূল সা. বলেন, যে ব্যক্তি আমাদের শরীয়ত অনুমোদিত নয় এমন কাজ করল, তা প্রত্যাখ্যাত। আল্লাহ বলেন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস তাহলে আমাকে অনুসরণ কর। যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালোবাসেন। অর্থাৎ এর দ্বারা তোমরা যা চাও, তার চেয়ে বড়টা তোমাদের অর্জন হবে। তা হলো তোমরা আল্লাহকে নয়, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন। হাসান বসরী রহ. বলেন, কতিপয় লোক দাবী করে তারা আল্লাহকে ভালবাসে। এ আয়াত দ্বারা আল্লাহ তাদের পরীক্ষা করেছেন। বলেছেন, যদি আল্লাহর ভালোবাসা চাও রাসূলকে অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন।
মুহাববত দ্বারা বিদআতীদের মিথ্যা মুহাববত, দার্শনিকদের কাল্পনিক মুহাববত অথবা সূফীদের মুহাববতের দাবী উদ্দেশ্য নয়। বরং যে মুহাববতে বিনয়ী এবং আল্লাহর মহত্ব ও তাঁর আনুগত্য প্রকাশ পায় তা হল সত্যিকার মুহাববত। বান্দা তার প্রেমাষ্পদের জন্য উৎসর্গ হতে সদা প্রস্ত্তত থাকবে। যা আল্লাহর পছন্দ তা তারও পছন্দ। যা আল্লার অপছন্দ তা তারও অপছন্দ। আল্লাহর আদেশসমূহ সে বাস্তবায়ন করে এবং নিষেধগুলো বর্জন করে। আল্লাহর প্রিয়জনকে বন্ধু বলে মনে করে। আর শত্রুকে শত্রু বলে মনে করে। আর কোন বস্ত্ত আল্লাহর সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টির করণ তা জানার একমাত্র পথ হলো রাসূলের পথ অনুসরণ করা। এজন্য আল্লাহ তাআলা বলেছেন
إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّه ( ال عمران : 31)
‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস তাহলে আমাকে অনুসরণ কর। যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন।’
মুখে ভালোবাসার দাবি, অন্তরে তীব্র পিপাসা আ,, কিন্তু কুরআনুল কারীম এবং হাদীসে রাসূলে যা এসেছে, তার অনুসরণ থেকে দূরে থাকলে কিয়ামত দিবসে ঐ ভালোবাসা তার কোন উপকারে আসবে না। এটা হবে ভালবাসার নামে আল্লাহর সাথে মিথ্যা এবং প্রতারণা মাত্র।
আল্লামা ইবনুল কাসীর রহ. বলেন, এ আয়াত ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফয়সালাকারী যে দাবী করে আল্লাহর মুহাববতের, অথচ সে মুহাম্মাদ সা. এর সুন্নাহ অনুসরণ করে না। তার দাবীতে সে মিথ্যাবাদী বলে সাব্যস্ত হবে। যতক্ষণ না সে শরীয়তে মুহাম্মদীর এবং নবী সা. এর অনুসরণে সকল কথা ও কাজ না করবে। যেমন বিশুদ্ধ হাদীসে এসেছে, রাসূল সা. বলেন, যে ব্যক্তি আমাদের শরীয়ত অনুমোদিত নয় এমন কাজ করল, তা প্রত্যাখ্যাত। আল্লাহ বলেন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস তাহলে আমাকে অনুসরণ কর। যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালোবাসেন। অর্থাৎ এর দ্বারা তোমরা যা চাও, তার চেয়ে বড়টা তোমাদের অর্জন হবে। তা হলো তোমরা আল্লাহকে নয়, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন। হাসান বসরী রহ. বলেন, কতিপয় লোক দাবী করে তারা আল্লাহকে ভালবাসে। এ আয়াত দ্বারা আল্লাহ তাদের পরীক্ষা করেছেন। বলেছেন, যদি আল্লাহর ভালোবাসা চাও রাসূলকে অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন।