১
প্রতিপক্ষের মতামত খন্ডনে ইসলামি শিষ্টাচার
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
(ঘ) বিতর্কের বিষয় সম্পর্কে ভালভাবে জ্ঞান অর্জন করে নেয়া
বিতর্কের বিষয়টি সম্পর্কে ভালভাবে পড়াশুনা করে জেনে বুঝে বিতর্ক করতে হবে। আল্লাহ তাআলা ইহুদি ও খৃস্টানদের উদ্দেশ্য করে বলেনঃ
يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تُحَاجُّونَ فِي إِبْرَاهِيمَ وَمَا أُنْزِلَتِ التَّوْرَاةُ وَالْإِنْجِيلُ إِلَّا مِنْ بَعْدِهِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿৬৫﴾ هَا أَنْتُمْ هَؤُلَاءِ حَاجَجْتُمْ فِيمَا لَكُمْ بِهِ عِلْمٌ فَلِمَ تُحَاجُّونَ فِيمَا لَيْسَ لَكُمْ بِهِ عِلْمٌ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ﴿৬৬﴾
‘হে কিতাবীগণ, (ইহুদি ও খৃস্টান) তোমরা ইবরাহিমের ব্যাপারে কেন বিতর্ক কর? অথচ তাওরাত ও ইনজিল তো তারপরই অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং তোমরা কি বুঝবে না?
সাবধান! তোমরা তো সেসব লোক, বিতর্ক করলে এমন বিষয়ে, যার জ্ঞান তোমাদের রয়েছে। তবে কেন তোমরা বিতর্ক করছ সে বিষয়ে যার জ্ঞান তোমাদের নেই? আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না।’ (ইমরান : ৬৫-৬৬)
ইহুদি ও খৃস্টানেরা বিতর্ক করত যে, ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহুদি ছিল না খৃস্টান। ইহুদিরা দাবি করত ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহুদি ছিলেন আর খৃস্টনেরা দাবি করত ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম খৃস্টান ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাদের এ বিতর্ক দেখে বলেন, এ বিতর্ক কী করে সম্ভব ? ইহুদি ও খৃস্টানের জন্ম হয়েছে তাওরাত ও ইনজিল নাজিল হওয়ার পরে। আর ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম গত হয়ে গেছেন এর অনেক পূর্বে। তখন ইহুদি ও খৃস্টানের জন্মই হয়নি। কাজেই তার ইহুদি বা খৃস্টান হওয়ার কল্পনা আসে কিভাবে ? এ ধরনের অসার বিতর্ক তোমরা কেন করছ? এখন কথা হল তার আদর্শ নিয়ে। তার আদর্শ ইহুদিবাদ ছিল না খৃস্টবাদ? আর এ বিষয়ে তোমাদের দু’দলের কারো কাছে কোনো জ্ঞান নেই। এর জ্ঞান আছে আল্লাহ তাআলার কাছে। যে সম্পর্কে জ্ঞান নেই সে সম্পর্কে বিতর্ক করাই তোমাদের কাজ ?
يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لِمَ تُحَاجُّونَ فِي إِبْرَاهِيمَ وَمَا أُنْزِلَتِ التَّوْرَاةُ وَالْإِنْجِيلُ إِلَّا مِنْ بَعْدِهِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ﴿৬৫﴾ هَا أَنْتُمْ هَؤُلَاءِ حَاجَجْتُمْ فِيمَا لَكُمْ بِهِ عِلْمٌ فَلِمَ تُحَاجُّونَ فِيمَا لَيْسَ لَكُمْ بِهِ عِلْمٌ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ﴿৬৬﴾
‘হে কিতাবীগণ, (ইহুদি ও খৃস্টান) তোমরা ইবরাহিমের ব্যাপারে কেন বিতর্ক কর? অথচ তাওরাত ও ইনজিল তো তারপরই অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং তোমরা কি বুঝবে না?
সাবধান! তোমরা তো সেসব লোক, বিতর্ক করলে এমন বিষয়ে, যার জ্ঞান তোমাদের রয়েছে। তবে কেন তোমরা বিতর্ক করছ সে বিষয়ে যার জ্ঞান তোমাদের নেই? আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না।’ (ইমরান : ৬৫-৬৬)
ইহুদি ও খৃস্টানেরা বিতর্ক করত যে, ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহুদি ছিল না খৃস্টান। ইহুদিরা দাবি করত ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহুদি ছিলেন আর খৃস্টনেরা দাবি করত ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম খৃস্টান ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাদের এ বিতর্ক দেখে বলেন, এ বিতর্ক কী করে সম্ভব ? ইহুদি ও খৃস্টানের জন্ম হয়েছে তাওরাত ও ইনজিল নাজিল হওয়ার পরে। আর ইবরাহিম আলাইহি ওয়া সাল্লাম গত হয়ে গেছেন এর অনেক পূর্বে। তখন ইহুদি ও খৃস্টানের জন্মই হয়নি। কাজেই তার ইহুদি বা খৃস্টান হওয়ার কল্পনা আসে কিভাবে ? এ ধরনের অসার বিতর্ক তোমরা কেন করছ? এখন কথা হল তার আদর্শ নিয়ে। তার আদর্শ ইহুদিবাদ ছিল না খৃস্টবাদ? আর এ বিষয়ে তোমাদের দু’দলের কারো কাছে কোনো জ্ঞান নেই। এর জ্ঞান আছে আল্লাহ তাআলার কাছে। যে সম্পর্কে জ্ঞান নেই সে সম্পর্কে বিতর্ক করাই তোমাদের কাজ ?