১
ফিদাক নিয়ে ফাতিমা ও আবূ বকরের মাঝে বিরোধের হাকীকত
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
ফিদাক নিয়ে শিয়াদের গবেষণা:
ফিদাকের জমি নিয়ে খলিফা আবূ বকর ও সায়্যেদাহ ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহুমার মধ্যকার মতপার্থক্য দ্বিপক্ষীয় দলীলের ওপর নির্ভর ছিল, তাদের কেউ পার্থিব মোহাবিষ্ট ছিলেন না, তবে অনেকের আবেগ ও অনুরাগ আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর ব্যক্তি সত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, যে কারণে হিতে বিপরীত হয়, যা সাধারণত শিয়াদের পক্ষ থেকেই ঘটে।
আমরা যদি আবূ বকর ও ফাতিমার জায়গায় দু’জন শিয়া ফকীহ বা বিশেষ ব্যক্তিকে প্রতিস্থাপন করি, তাহলে শিয়ারা প্রত্যেককে সম্মান ও শ্রদ্ধা করবেন দলীলের কারণে, কাউকে দোষারোপ করবেন না কিংবা কারও নিয়তকে অশুদ্ধ বলবেন না, দু’জনকে যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা করবেন, যদিও একপক্ষের দলীল অপরপক্ষ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী।
কিন্তু আবূ বকর ও ফাতিমার বিষয়টি তারা সেই দৃষ্টিতে দেখতে পারছেন না, কারণ আবূ বকর তাদের (শিয়াদের) শত্রু, তাই যত দোষ ও ভুল সব আবূ বকরের! এভাবে কি বিরোধপূর্ণ একটি বিষয়ের নিষ্পত্তি ও ফয়সালা হয়?! আবেগ কি ন্যায়দণ্ড হওয়ার যোগ্যতা রাখে? কখনো নয়। যে আবেগ বাদী ও বিবাদী দু’জনের মাঝে ন্যায়দণ্ড হওয়ার যোগ্যতা রাখে না, সে আবেগ কিভাবে ঐতিহাসিক ঘটনা ও শর‘ঈ সিদ্ধান্তের মানদণ্ড হয়?! অতএব, আবূ বকর ও ফাতিমার বিষয়টি আবেগ নয়, শর‘ঈ মানদণ্ডে যাচাই করা সমীচীন।
আমরা যদি আবূ বকর ও ফাতিমার জায়গায় দু’জন শিয়া ফকীহ বা বিশেষ ব্যক্তিকে প্রতিস্থাপন করি, তাহলে শিয়ারা প্রত্যেককে সম্মান ও শ্রদ্ধা করবেন দলীলের কারণে, কাউকে দোষারোপ করবেন না কিংবা কারও নিয়তকে অশুদ্ধ বলবেন না, দু’জনকে যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা করবেন, যদিও একপক্ষের দলীল অপরপক্ষ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী।
কিন্তু আবূ বকর ও ফাতিমার বিষয়টি তারা সেই দৃষ্টিতে দেখতে পারছেন না, কারণ আবূ বকর তাদের (শিয়াদের) শত্রু, তাই যত দোষ ও ভুল সব আবূ বকরের! এভাবে কি বিরোধপূর্ণ একটি বিষয়ের নিষ্পত্তি ও ফয়সালা হয়?! আবেগ কি ন্যায়দণ্ড হওয়ার যোগ্যতা রাখে? কখনো নয়। যে আবেগ বাদী ও বিবাদী দু’জনের মাঝে ন্যায়দণ্ড হওয়ার যোগ্যতা রাখে না, সে আবেগ কিভাবে ঐতিহাসিক ঘটনা ও শর‘ঈ সিদ্ধান্তের মানদণ্ড হয়?! অতএব, আবূ বকর ও ফাতিমার বিষয়টি আবেগ নয়, শর‘ঈ মানদণ্ডে যাচাই করা সমীচীন।