১
ফিদাক নিয়ে ফাতিমা ও আবূ বকরের মাঝে বিরোধের হাকীকত
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
ফিদাক ঘটনা নিষ্পত্তির উত্তম পন্থা:
যিনি ইনসাফের ধারক, আবেগের অনুগামী নয়, বরং সত্য যে পক্ষে হবে গ্রহণ করেন, বিরোধের বিষয় প্রকৃত গবেষণার দৃষ্টিতে দেখেন, যেন অক্ষরের যথাস্থানে বিন্দুর ফোটা পতিত হয়। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, ফিদাকের জমির দু’টি অবস্থা: হয় ফাতিমার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মিরাস অথবা দান বা হেবা, যা তিনি খায়বারের দিন ফাতিমাকে দিয়েছেন।
মিরাস কিনা একটু যাচাই করি, বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর ফাতিমা আবূ বকরের নিকট এসে ফিদাকের মিরাস, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খায়বারের অংশ ও অন্যান্য হক তলব করেন। আবূ বকর বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
«إنّا لا نورّث، ما تركناه صدقة» . وفي رواية عند أحمد : «إنّا معاشر الأنبياء لا نورّث» .
“আমাদের মিরাস হয় না, আমরা যা রেখে যাই সব সদকা”। ইমাম আহমদের বর্ণনায় এসেছে: “আমরা নবীদের জামা‘আত, আমাদের মিরাস হয় না”। এ কথা শুনে ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা অন্তরে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন, তিনি দলীল হিসেবে আল্লাহর বাণীর ব্যাপক অর্থকে করেন:
﴿يُوصِيكُمُ ٱللَّهُ فِيٓ أَوۡلَٰدِكُمۡۖ لِلذَّكَرِ مِثۡلُ حَظِّ ٱلۡأُنثَيَيۡنِۚ١١﴾ [ النساء : 11]
“আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের ব্যাপারে উপদেশ দিচ্ছেন: ছেলেদের জন্য নারীদের দ্বিগুণ”। সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১]
এখানে আমরা কিছু সময়ের জন্য নিরপেক্ষ হই এবং ভুলে যাই মিরাস তলবকারী নারীর বৈশিষ্ট্যকে, যিনি আমাদের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা, মুহাব্বত ও সম্মানের পাত্র, আল্লাহর নিকটও সম্মানিত, যেরূপ তিনি উপযুক্ত, কারণ তিনি আমাদের নবীর মেয়ে। এসব বৈশিষ্ট্য রেখে ক্ষণিকের জন্য আমরা তাকে দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে দেখি, প্রথম পক্ষ আবূ বকর। আর মেনে নেই যে, সবার উপর থাকবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা। আবূ বকর যে হাদীস পেশ করেছেন যদি কোনোও হাদীস তার ন্যায় সহীহ হয়, সেটিই আমরা মাথা পেতে নিব, বাকি সব দেয়ালের পশ্চাতে নিক্ষেপ করব। এতে যদি একমত থাকি, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসকে আঁকড়ে ধরে তার ওপর আমল করার কারণে আমরা কেন আবূ বকরকে অপবাদ দেই, কেন তাকে দোষারোপ করি?!
মিরাস কিনা একটু যাচাই করি, বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর ফাতিমা আবূ বকরের নিকট এসে ফিদাকের মিরাস, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খায়বারের অংশ ও অন্যান্য হক তলব করেন। আবূ বকর বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:
«إنّا لا نورّث، ما تركناه صدقة» . وفي رواية عند أحمد : «إنّا معاشر الأنبياء لا نورّث» .
“আমাদের মিরাস হয় না, আমরা যা রেখে যাই সব সদকা”। ইমাম আহমদের বর্ণনায় এসেছে: “আমরা নবীদের জামা‘আত, আমাদের মিরাস হয় না”। এ কথা শুনে ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা অন্তরে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন, তিনি দলীল হিসেবে আল্লাহর বাণীর ব্যাপক অর্থকে করেন:
﴿يُوصِيكُمُ ٱللَّهُ فِيٓ أَوۡلَٰدِكُمۡۖ لِلذَّكَرِ مِثۡلُ حَظِّ ٱلۡأُنثَيَيۡنِۚ١١﴾ [ النساء : 11]
“আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের ব্যাপারে উপদেশ দিচ্ছেন: ছেলেদের জন্য নারীদের দ্বিগুণ”। সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১]
এখানে আমরা কিছু সময়ের জন্য নিরপেক্ষ হই এবং ভুলে যাই মিরাস তলবকারী নারীর বৈশিষ্ট্যকে, যিনি আমাদের হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা, মুহাব্বত ও সম্মানের পাত্র, আল্লাহর নিকটও সম্মানিত, যেরূপ তিনি উপযুক্ত, কারণ তিনি আমাদের নবীর মেয়ে। এসব বৈশিষ্ট্য রেখে ক্ষণিকের জন্য আমরা তাকে দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে দেখি, প্রথম পক্ষ আবূ বকর। আর মেনে নেই যে, সবার উপর থাকবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা। আবূ বকর যে হাদীস পেশ করেছেন যদি কোনোও হাদীস তার ন্যায় সহীহ হয়, সেটিই আমরা মাথা পেতে নিব, বাকি সব দেয়ালের পশ্চাতে নিক্ষেপ করব। এতে যদি একমত থাকি, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসকে আঁকড়ে ধরে তার ওপর আমল করার কারণে আমরা কেন আবূ বকরকে অপবাদ দেই, কেন তাকে দোষারোপ করি?!