১
ইসলাম ভঙ্গের ১০টি কারণ
লেখকঃ মোহাম্মদ ইমাম হুসাইন কামরুল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
ইসলাম ভঙ্গের অষ্টম কারণ কাউকে আল্লাহর ভালোবাসার ন্যায় ভালোবাসা
অর্থাৎ পৃথিবীর অন্যান্য বিষয় বা বস্তুর ক্ষেত্রে যেরূপ ভালোবাসা প্রদর্শন করা হয়, আল্লাহর ক্ষেত্রেও অনুরূপ বা তার থেকেও কম ভালোবাসা প্রদর্শন করা অথবা আল্লাহকে যতটুকু পরিমাণ ভালোবাসা উচিত, অন্য কোন বিষয় বা বস্তুকে ততটুকু পরিমাণ ভালোবাসা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَّتَّخِذُ مِنْ دُوْنِ اللهِ اَنْدَادًا يُّحِبُّوْنَهُمْ كَحُبِّ اللهِؕ وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اَشَدُّ حُبًّا لِّلّٰهِ﴾
মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমনও রয়েছে, যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্য কিছুকে তাঁর সমকক্ষ হিসেবে গ্রহণ করে। তারা তাদেরকে তেমনি ভালোবাসে যেমনটি কেবল আল্লাহকেই ভালোবাসা উচিত। আর যারা (সত্যিকার অর্থে) আল্লাহর ওপর ঈমান আনয়ন করে, তারা তো তাঁকেই সর্বাধিক ভালোবাসবে। (সূরা বাক্বারা- ১৬৫)
উল্লেখ্য যে, বিষয়টি ইসলাম ভঙ্গ হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে গণ্য হওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি দিক রয়েছে। যেমন-
১. আল্লাহ তা‘আলা একক ইলাহ। তিনি সর্বদিক থেকেই একক। তার কোন শরীক নেই। সুতরাং বান্দার পক্ষ থেকে ভালোবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি একক এবং এ ক্ষেত্রেও তাঁর কোন শরীক নেই। সুতরাং এমতাবস্থায় কেউ যদি আল্লাহর ন্যায় অপর কাউকে ভালোবাসে, তাহলে সেটি শিরক হিসেবেই পরিগণিত হয়। আর যে কোনভাবে শিরকে পতিত হওয়াটাই হচ্ছে ইসলাম ভঙ্গের অন্যতম কারণ।
২. আল্লাহর ন্যায় অন্য কাউকে ভালোবাসার অর্থ হচ্ছে আল্লাহর ভালোবাসায় কোনরূপ অসম্পূর্ণতা বজায় রাখা। আর আল্লাহর প্রতি ভালোবাসায় কোনরূপ অসম্পূর্ণতা বজায় থাকলে, যে কোন বান্দার পক্ষে ইসলামের বিভিন্ন বিধি-বিধান পালন করা কঠিন হয়ে যায়- এমনকি অনেক সময় তা অসম্ভব হয়ে পড়ে। যেমন- যথাযথভাবে সালাত আদায় করা যায় না, অন্তরে কাফিরদের প্রতি ঘৃণা জাগ্রত হয় না, জিহাদের গমন করার মানসিকতা সৃষ্টি হয় না, মানুষের প্রতি অন্যায় করার ব্যাপারে দ্বিধাবোধ হয় না, হালাল-হারাম যথাযথভাবে নির্ণয় করা যায় না, গুনাহের প্রতি ঘৃণাবোধ জাগ্রত হয় না, তওবা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব হয় না। বরং এর বিপরীতে অন্তরে এমন কিছু বিশ্বাস ও মনোভাব জাগ্রত হয়, যা সাধারণত একজন কাফির ও মুশরিকদের অন্তরে বিদ্যমান থাকে। যেমন- আল্লাহর প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর মনোনীত ইসলামী বিধি-বিধানের প্রতি সীমাহীন বিদ্বেষ, আল্লাহর দ্বীনের বিভিন্ন বিধান পালনে অনিহা, শিরক ও কুফরী কর্মকান্ডের প্রতি আগ্রহ, কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা এবং তাদেরকে সহযোগিতা করা ইত্যাদি। নিঃসন্দেহে এসব বিষয় যে কোন ব্যক্তির ইসলাম ভঙ্গ হওয়ার আলামত বহন করে থাকে। অতএব কোন ব্যক্তির মধ্যে আল্লাহর ভালোবাসায় কমতি থাকলে অথবা আল্লাহর ভালোবাসার মধ্যে অন্য কাউকে শরীক করলে ঈমান ভঙ্গ হয়ে যাবে।
اَلنَّاقِضُ التَّاسِعُ مِنْ نَّوَاقِضِ الْإِسْلَامِ
﴿وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَّتَّخِذُ مِنْ دُوْنِ اللهِ اَنْدَادًا يُّحِبُّوْنَهُمْ كَحُبِّ اللهِؕ وَالَّذِيْنَ اٰمَنُوْاۤ اَشَدُّ حُبًّا لِّلّٰهِ﴾
মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমনও রয়েছে, যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্য কিছুকে তাঁর সমকক্ষ হিসেবে গ্রহণ করে। তারা তাদেরকে তেমনি ভালোবাসে যেমনটি কেবল আল্লাহকেই ভালোবাসা উচিত। আর যারা (সত্যিকার অর্থে) আল্লাহর ওপর ঈমান আনয়ন করে, তারা তো তাঁকেই সর্বাধিক ভালোবাসবে। (সূরা বাক্বারা- ১৬৫)
উল্লেখ্য যে, বিষয়টি ইসলাম ভঙ্গ হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে গণ্য হওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি দিক রয়েছে। যেমন-
১. আল্লাহ তা‘আলা একক ইলাহ। তিনি সর্বদিক থেকেই একক। তার কোন শরীক নেই। সুতরাং বান্দার পক্ষ থেকে ভালোবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি একক এবং এ ক্ষেত্রেও তাঁর কোন শরীক নেই। সুতরাং এমতাবস্থায় কেউ যদি আল্লাহর ন্যায় অপর কাউকে ভালোবাসে, তাহলে সেটি শিরক হিসেবেই পরিগণিত হয়। আর যে কোনভাবে শিরকে পতিত হওয়াটাই হচ্ছে ইসলাম ভঙ্গের অন্যতম কারণ।
২. আল্লাহর ন্যায় অন্য কাউকে ভালোবাসার অর্থ হচ্ছে আল্লাহর ভালোবাসায় কোনরূপ অসম্পূর্ণতা বজায় রাখা। আর আল্লাহর প্রতি ভালোবাসায় কোনরূপ অসম্পূর্ণতা বজায় থাকলে, যে কোন বান্দার পক্ষে ইসলামের বিভিন্ন বিধি-বিধান পালন করা কঠিন হয়ে যায়- এমনকি অনেক সময় তা অসম্ভব হয়ে পড়ে। যেমন- যথাযথভাবে সালাত আদায় করা যায় না, অন্তরে কাফিরদের প্রতি ঘৃণা জাগ্রত হয় না, জিহাদের গমন করার মানসিকতা সৃষ্টি হয় না, মানুষের প্রতি অন্যায় করার ব্যাপারে দ্বিধাবোধ হয় না, হালাল-হারাম যথাযথভাবে নির্ণয় করা যায় না, গুনাহের প্রতি ঘৃণাবোধ জাগ্রত হয় না, তওবা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব হয় না। বরং এর বিপরীতে অন্তরে এমন কিছু বিশ্বাস ও মনোভাব জাগ্রত হয়, যা সাধারণত একজন কাফির ও মুশরিকদের অন্তরে বিদ্যমান থাকে। যেমন- আল্লাহর প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর মনোনীত ইসলামী বিধি-বিধানের প্রতি সীমাহীন বিদ্বেষ, আল্লাহর দ্বীনের বিভিন্ন বিধান পালনে অনিহা, শিরক ও কুফরী কর্মকান্ডের প্রতি আগ্রহ, কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা এবং তাদেরকে সহযোগিতা করা ইত্যাদি। নিঃসন্দেহে এসব বিষয় যে কোন ব্যক্তির ইসলাম ভঙ্গ হওয়ার আলামত বহন করে থাকে। অতএব কোন ব্যক্তির মধ্যে আল্লাহর ভালোবাসায় কমতি থাকলে অথবা আল্লাহর ভালোবাসার মধ্যে অন্য কাউকে শরীক করলে ঈমান ভঙ্গ হয়ে যাবে।
اَلنَّاقِضُ التَّاسِعُ مِنْ نَّوَاقِضِ الْإِسْلَامِ