১
রোযার ফযীলত ও শিক্ষা আমাদের করণীয়
লেখকঃ মোঃ আব্দুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
ঘ.কানের রোযা
কান শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কানের মাধ্যমে বাইরের উদ্দীপক ভেতরে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, নবজাত ভূমিষ্ঠ শিশু প্রথমে কানে শুনে। চোখ থাকা সত্ত্বেও সে কিছু দেখতে পায় না। অবশ্য ২/১ দিন পর কিংবা একটি নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর শিশুর চোখে দেখার কাজ শুরু হয়। সম্ভবতঃ কুরআন নিম্নোক্ত আয়াতে চোখের আগে কানের উল্লেখ করে এই সৃষ্টি রহস্য এবং কানের গুরুত্বের প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন:
﴿ إِنَّ ٱلسَّمۡعَ وَٱلۡبَصَرَ وَٱلۡفُؤَادَ كُلُّ أُوْلَٰٓئِكَ كَانَ عَنۡهُ مَسُۡٔولٗا ٣٦ ﴾ [ الاسراء : ٣٦ ]
‘নিশ্চয় কান, চোখ ও অন্তরকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।’ (সূরা বনী ইসরাঈল: ৩৬)
তাই কানের রোযার গুরুত্ব অপরিসীম। কান যা শুনে সে জন্য তাকে আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে। কান দিয়ে ভাল জিনিস শুনতে হবে এবং খারাপ জিনিস থেকে কানকে দূরে রাখতে হবে।
কানের রোযা বলতে বুঝায় বাজে গান-বাজনা না শুনা এবং মন্দ, খারাপ ও অশ্লীল কথা যেন কানে প্রবেশ না করে সে জন্য চেষ্টা করা। নেক লোকেরা ভাল কথা ভালভাবে শুনেন এবং খারাপ কথা কিংবা আল্লাহর অসন্তোষজনক কথা তারা শুনেন না। কেউ যদি গুনাহ ও পাপের কথা কানে প্রবেশ করায় তাহলে তা তার অন্তরে ঘর, সদিচ্ছার প্রাসাদ ও জ্ঞানের বাগানকে ধ্বংস করে দেয়। আল্লাহ নেক লোকদের কানের একটি সৎ গুণ সম্পর্কে কুরআনে এভাবে উল্লেখ করেছেন:
﴿ وَإِذَا مَرُّواْ بِٱللَّغۡوِ مَرُّواْ كِرَامٗا ٧٢ ﴾ [ الفرقان : ٧١ ]
“তারা যখন অতিক্রম করে তখন ভদ্রভাবে অতিক্রম করে।” অর্থাৎ তারা খারাপ কথা ও অশ্লীল বাক্য না শুনে ভদ্রভাবে চলে যায়। (সূরা ফোরকান-৭১)
আল্লাহ এ প্রসঙ্গে আরো বলেছেন:
﴿ وَإِذَا سَمِعُواْ ٱللَّغۡوَ أَعۡرَضُواْ عَنۡهُ ٥٥ ﴾ [ القصص : ٥٥ ]
“তারা যখন বেহুদা কথা শোনে তখন তারা তা এড়িয়ে যায়। (সূরা আল-কিসাস-৫৫)
অপরদিকে, যারা পাপী ও শুনাহগার তারা মন্দ ও অশ্লীল কথা,গালি, গান-বাজনাসহ নিষিদ্ধ বিষয়গুলো শোনে এবং আল্লাহ প্রদত্ত শ্রবণ শক্তিকে নষ্ট করে দেয়।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন:
﴿ وَلَقَدۡ ذَرَأۡنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرٗا مِّنَ ٱلۡجِنِّ وَٱلۡإِنسِۖ لَهُمۡ قُلُوبٞ لَّا يَفۡقَهُونَ بِهَا وَلَهُمۡ أَعۡيُنٞ لَّا يُبۡصِرُونَ بِهَا وَلَهُمۡ ءَاذَانٞ لَّا يَسۡمَعُونَ بِهَآۚ أُوْلَٰٓئِكَ كَٱلۡأَنۡعَٰمِ بَلۡ هُمۡ أَضَلُّۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡغَٰفِلُونَ ١٧٩ ﴾ [ الاعراف : ١٧٩ ]
“আমরা জাহান্নামের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ তৈরী করেছি যাদের অন্তর আছে কিন্তু বুঝে না, চোখ আছে দেখে না এবং কান আছে, শুনে না। তারা হচ্ছে পশু কিংবা এর চাইতেও নিকৃষ্ট। তারা হচ্ছে উদাসীন।” (সূরা আল আ‘রাফ-১৭৯)
এই আয়াতে কান, চোখ ও অন্তরের নষ্ট হওয়ার কথা বলা হয়েছে, রোযার মাধ্যমেই কেবলমাত্র এগুলো ঠিক রাখা যায়। একজন মুমিন মুসলিম রোযা রেখে কুরআন শুনবে এবং ঈমান, হেদায়াত ও কল্যাণের বাণী শিখবে। কুরআন শুনে অন্তরে প্রশান্তি নাযিল হয় এবং শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচা যায়। কানের খাদ্য হলো, আল্লাহর যিকির, উপকারী জ্ঞান, ভাল ওয়াজ নসীয়ত, সুন্দর কথা, ইসলামী কবিতা ইত্যাদি শুনার মাধ্যমে কানের সঠিক রোযা রাখা সম্ভব।
﴿ إِنَّ ٱلسَّمۡعَ وَٱلۡبَصَرَ وَٱلۡفُؤَادَ كُلُّ أُوْلَٰٓئِكَ كَانَ عَنۡهُ مَسُۡٔولٗا ٣٦ ﴾ [ الاسراء : ٣٦ ]
‘নিশ্চয় কান, চোখ ও অন্তরকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।’ (সূরা বনী ইসরাঈল: ৩৬)
তাই কানের রোযার গুরুত্ব অপরিসীম। কান যা শুনে সে জন্য তাকে আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে। কান দিয়ে ভাল জিনিস শুনতে হবে এবং খারাপ জিনিস থেকে কানকে দূরে রাখতে হবে।
কানের রোযা বলতে বুঝায় বাজে গান-বাজনা না শুনা এবং মন্দ, খারাপ ও অশ্লীল কথা যেন কানে প্রবেশ না করে সে জন্য চেষ্টা করা। নেক লোকেরা ভাল কথা ভালভাবে শুনেন এবং খারাপ কথা কিংবা আল্লাহর অসন্তোষজনক কথা তারা শুনেন না। কেউ যদি গুনাহ ও পাপের কথা কানে প্রবেশ করায় তাহলে তা তার অন্তরে ঘর, সদিচ্ছার প্রাসাদ ও জ্ঞানের বাগানকে ধ্বংস করে দেয়। আল্লাহ নেক লোকদের কানের একটি সৎ গুণ সম্পর্কে কুরআনে এভাবে উল্লেখ করেছেন:
﴿ وَإِذَا مَرُّواْ بِٱللَّغۡوِ مَرُّواْ كِرَامٗا ٧٢ ﴾ [ الفرقان : ٧١ ]
“তারা যখন অতিক্রম করে তখন ভদ্রভাবে অতিক্রম করে।” অর্থাৎ তারা খারাপ কথা ও অশ্লীল বাক্য না শুনে ভদ্রভাবে চলে যায়। (সূরা ফোরকান-৭১)
আল্লাহ এ প্রসঙ্গে আরো বলেছেন:
﴿ وَإِذَا سَمِعُواْ ٱللَّغۡوَ أَعۡرَضُواْ عَنۡهُ ٥٥ ﴾ [ القصص : ٥٥ ]
“তারা যখন বেহুদা কথা শোনে তখন তারা তা এড়িয়ে যায়। (সূরা আল-কিসাস-৫৫)
অপরদিকে, যারা পাপী ও শুনাহগার তারা মন্দ ও অশ্লীল কথা,গালি, গান-বাজনাসহ নিষিদ্ধ বিষয়গুলো শোনে এবং আল্লাহ প্রদত্ত শ্রবণ শক্তিকে নষ্ট করে দেয়।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন:
﴿ وَلَقَدۡ ذَرَأۡنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرٗا مِّنَ ٱلۡجِنِّ وَٱلۡإِنسِۖ لَهُمۡ قُلُوبٞ لَّا يَفۡقَهُونَ بِهَا وَلَهُمۡ أَعۡيُنٞ لَّا يُبۡصِرُونَ بِهَا وَلَهُمۡ ءَاذَانٞ لَّا يَسۡمَعُونَ بِهَآۚ أُوْلَٰٓئِكَ كَٱلۡأَنۡعَٰمِ بَلۡ هُمۡ أَضَلُّۚ أُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡغَٰفِلُونَ ١٧٩ ﴾ [ الاعراف : ١٧٩ ]
“আমরা জাহান্নামের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ তৈরী করেছি যাদের অন্তর আছে কিন্তু বুঝে না, চোখ আছে দেখে না এবং কান আছে, শুনে না। তারা হচ্ছে পশু কিংবা এর চাইতেও নিকৃষ্ট। তারা হচ্ছে উদাসীন।” (সূরা আল আ‘রাফ-১৭৯)
এই আয়াতে কান, চোখ ও অন্তরের নষ্ট হওয়ার কথা বলা হয়েছে, রোযার মাধ্যমেই কেবলমাত্র এগুলো ঠিক রাখা যায়। একজন মুমিন মুসলিম রোযা রেখে কুরআন শুনবে এবং ঈমান, হেদায়াত ও কল্যাণের বাণী শিখবে। কুরআন শুনে অন্তরে প্রশান্তি নাযিল হয় এবং শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচা যায়। কানের খাদ্য হলো, আল্লাহর যিকির, উপকারী জ্ঞান, ভাল ওয়াজ নসীয়ত, সুন্দর কথা, ইসলামী কবিতা ইত্যাদি শুনার মাধ্যমে কানের সঠিক রোযা রাখা সম্ভব।