১
রোযার ফযীলত ও শিক্ষা আমাদের করণীয়
লেখকঃ মোঃ আব্দুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
গ. শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের রোযা
এতক্ষণ আমরা রোযার ফযীলত সম্পর্কে আলোচনা করলাম। আমরা বুঝতে পেরেছি যে, রোযার ফযীলত ও মর্যাদা কত অসীম। এখন আমরা এর পাশাপাশি ব্যাপকার্থে রোযার ধারণা সম্পর্কে আরেকটি হাদীস আলোচনা করবো যা প্রতিটি রোযাদার মুসলিমের চিন্তার বিষয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«رب صائم حظه من صيامه الجوع والعطش ورب قائم حظه من قيامه السهر»
“বহু রোযাদার রোযার মাধ্যমে ক্ষুধা ও পিপাসা ছাড়া আর কিছুই লাভ করে না এবং রাত্রের বহু নামাযী রাত্রী জাগরণ ছাড়া আর কিছুই পায় না। [মুসনাদে আহমদ,খ২,পৃ.৩৭৩।]
চিন্তার বিষয় হলো, রোযার এতো অগণিত পুরস্কার ও মর্যাদা সত্ত্বেও বহু রোযাদার এবং তারাবী ও তাহাজ্জুদ গুজারের ভাগ্যে ক্ষুধা-পিপাসা এবং রাত্রি জাগরণ ছাড়া আর কিছু জোটে না। রমযান মাসে আল্লাহর সকল মাখলুক আল্লাহর রহমতের স্পর্শ লাভ করে, সেখানে বহু রোযাদারের এই দুরবস্থা কেন? এর কারণ ও প্রতিকার জানা না থাকলে আমরাও সেই দুর্ভাগ্যের মিছিলের অংশীদার হয়ে যেতে পারি। মোটেও বিচিত্র নয় যে, এতদিন আমরা আমাদের রোযার মাধ্যমে ক্ষুধা-পিপাসা ও রাত্রি জাগরণের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ করতে পারিনি।
তাই রমযানের রোযা সম্পর্কে আজ আমাদেরকে আত্মজিজ্ঞাসা ও আত্মসমালোচনা করতে হবে। আসলে রোযা বলতে শুধু সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌন সম্ভোগ হতে বিরত থাকা নয়, বরং রোযাদারকে অবশ্যই তার বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গকেও রোযার আওতায় আনতে হবে। তাহলে আমরা আমাদের রোযাকে সফল করে তুলতে পারবো ইনশাল্লাহ। আর এক্ষেত্রে অন্তর,পেট,জিহ্ব্বা ,কান প্রভৃতিরও রোযা থাকা আবশ্যক।
«رب صائم حظه من صيامه الجوع والعطش ورب قائم حظه من قيامه السهر»
“বহু রোযাদার রোযার মাধ্যমে ক্ষুধা ও পিপাসা ছাড়া আর কিছুই লাভ করে না এবং রাত্রের বহু নামাযী রাত্রী জাগরণ ছাড়া আর কিছুই পায় না। [মুসনাদে আহমদ,খ২,পৃ.৩৭৩।]
চিন্তার বিষয় হলো, রোযার এতো অগণিত পুরস্কার ও মর্যাদা সত্ত্বেও বহু রোযাদার এবং তারাবী ও তাহাজ্জুদ গুজারের ভাগ্যে ক্ষুধা-পিপাসা এবং রাত্রি জাগরণ ছাড়া আর কিছু জোটে না। রমযান মাসে আল্লাহর সকল মাখলুক আল্লাহর রহমতের স্পর্শ লাভ করে, সেখানে বহু রোযাদারের এই দুরবস্থা কেন? এর কারণ ও প্রতিকার জানা না থাকলে আমরাও সেই দুর্ভাগ্যের মিছিলের অংশীদার হয়ে যেতে পারি। মোটেও বিচিত্র নয় যে, এতদিন আমরা আমাদের রোযার মাধ্যমে ক্ষুধা-পিপাসা ও রাত্রি জাগরণের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ করতে পারিনি।
তাই রমযানের রোযা সম্পর্কে আজ আমাদেরকে আত্মজিজ্ঞাসা ও আত্মসমালোচনা করতে হবে। আসলে রোযা বলতে শুধু সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌন সম্ভোগ হতে বিরত থাকা নয়, বরং রোযাদারকে অবশ্যই তার বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গকেও রোযার আওতায় আনতে হবে। তাহলে আমরা আমাদের রোযাকে সফল করে তুলতে পারবো ইনশাল্লাহ। আর এক্ষেত্রে অন্তর,পেট,জিহ্ব্বা ,কান প্রভৃতিরও রোযা থাকা আবশ্যক।