মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
আসসালামু আলাইকুম,
এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত চালু রাখতে প্রতি মাসেই সার্ভার ও টেকনিক্যাল খরচ বহন করতে হয়। দুঃখজনকভাবে বর্তমানে এই খরচ বহন করার মতো পর্যাপ্ত ফান্ড আমাদের নেই।
🌿 আপনার একটি দান হতে পারে অসংখ্য মানুষের হিদায়াতের মাধ্যম
Hadith.one–এ প্রতিটি হাদিস পড়া, শেখা ও শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি হতে পারেন সদকাহ জারিয়াহর অংশীদার।
🤲 আল্লাহর রাস্তায় আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে এই দাওয়াহ প্ল্যাটফর্মটি চালু রাখতে সাহায্য করুন।
🔗 আজই দান করুন এবং এই খিদমতের সাথে যুক্ত থাকুন
জাযাকাল্লাহু খাইরান,
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে, দু’প্রকার চোখকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। একটি হচ্ছে আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দনকারী চোখ; আর অপরটি হচ্ছে আল্লাহর পথে পাহারাদানকারী চোখ। [তিরমিযী, হা/১৬৩৯; মুসনাদে আবু ই‘আলা, হা/৪৩৪৬।]
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কাঁদে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না, যেমনিভাবে স্তন থেকে দুধ বের করে পুনরায় তা স্তনে প্রবেশ করানো যায় না। কোন ব্যক্তির শরীরে আল্লাহর পথের ধুলাবালি আর জাহান্নামের ধোঁয়া কখনো মিলিত হবে না। [মুসনাদে আহমাদ, হা/ ১০৫৬৭; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৭৬৬৭; নাসাঈ, হা/৩১০৭; তিরমিযী, হা/১৬৩৩।]
আবু রায়হানা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ঐ চোখের জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করা হয়েছে, যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে। আর ঐ চোখের জন্যও জাহান্নামের আগুন হারাম, যে চোখ আল্লাহর পথে (জিহাদে বা পাহারায়) রাত্রি জাগরণ করে। [বায়হাকী, হা/১৮৯১১; সুনানে দারেমী, হা/২৪৫৫; নাসাঈ, হা/৩১১৭; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/২৪৩২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭২৫২]
২. আল্লাহর ভয়ে নির্গত অশ্রু আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় :
আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, আল্লাহর নিকট দু’টি ফোঁটা ও দু’টি চিহ্নের চেয়ে প্রিয় জিনিস আর কিছুই নেই। দু’টি ফোঁটার মধ্যে একটি হলো আল্লাহর ভয়ে নির্গত চোখের পানি এবং অন্যটি হলো আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে প্রবাহিত রক্তবিন্দু। আর দু’টি চিহ্নের মধ্যে একটি হলো আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার চিহ্ন এবং অন্যটি আল্লাহর ফরযগুলোর মধ্য থেকে কোন ফরয আদায় করার চিহ্ন। [তিরমিযী, হা/১৬৬৯।]
৩. নিজের পাপের জন্য ক্রন্দন করলে নাজাত পাওয়া যায় :
পাপের জন্য ক্রন্দন করাটা হচ্ছে একটি উত্তম কাজ। এর মধ্যে মুক্তি রয়েছে বলে রাসূলুল্লাহ ﷺ ঘোষণা দিয়েছেন। যেমন- হাদীসে এসেছে,
উকবা ইবনে আমের (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বললাম, কীসের মধ্যে মুক্তি রয়েছে? তিনি বললেন, তোমার জিহবাকে সংযত রাখো, ঘরে অবস্থান করো এবং নিজের পাপের জন্য ক্রন্দন করো। [মুসনাদে আহমাদ, হা/২২২৮৯; শু‘আবুল ঈমান, হা/৮০৫; তিরমিযী, হা/২৪০৬।]
৪. আল্লাহকে স্মরণ করে ক্রন্দনকারীরা আরশের ছায়ায় স্থান পাবে :
কিয়ামতের দিন যখন সূর্য মানুষের মাথার খুব কাছাকাছি অবস্থান করবে এবং যেদিন কোন ছায়া থাকবে না, তখন আল্লাহ তা‘আলা সাত শ্রেণীর বান্দাকে আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন। তাদের মধ্যে এক প্রকার ব্যক্তি হচ্ছে ঐসব লোক, যারা আল্লাহর আযাবের কথা স্মরণ করে চোখের পানি ফেলে। যেমন- হাদীসে এসেছে,
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ বলেন, যে দিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া থাকবে না, সে দিন সাত শ্রেণীর ব্যক্তিকে আল্লাহ তাঁর (আরশের) ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। তারা হলো,
(১) ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ,
(২) যে যুবক আল্লাহর ইবাদাতে রত থাকে,
(৩) যার অন্তর মসজিদের সাথে ঝুলমত্ম থাকে,
(৪) ঐ দু’ব্যক্তি যারা কেবল আল্লাহর খুশির জন্য পরস্পরকে ভালোবাসে এবং আল্লাহর জন্যই কেবল পরস্পরে ভালোবাসায় মিলিত অথবা পৃথক হয়,
(৫) ঐ ব্যক্তি, যাকে কোন সুন্দরী উচ্চ বংশীয় ভদ্র মহিলা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার জন্য নিজের দিকে আকৃষ্ট করে তখন সে বলে, আমি আল্লাহর আযাবকে ভয় করি,
(৬) যে ব্যক্তি গোপনে দান সাদাকা করে। এমনকি তার বাম হাত জানে না ডান হাত কী খরচ করছে,
আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর ভয়ে অশ্রু বিসর্জন করাটা আমার কাছে এক হাজার দিনার সাদাকা করা থেকেও অধিক প্রিয়। [শু‘আবুল ঈমান, হা/৮৪২।]
কা‘ব (রাঃ) বলেন, আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করাটা আমার সমপরিমাণে স্বর্ণ সাদাকা করার চেয়েও আমার নিকট অধিক প্রিয়। [ইবনে আবি শায়বা; আবু নুয়ঈম, হিলয়াতুল আওলিয়া গ্রন্থে; এবং ইবনুল জাওযি, সিফাতুস সাফওয়া গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।]
৬. জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুন থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে দুনিয়াতে আল্লাহকে ভয় করে চলা :
জান্নাতীরা একে অন্যের মুখোমুখি হয়ে বলাবলি করবে, দুনিয়ায় থাকতে আমরা খুবই ভীত ছিলাম (যে, জান্নাত পাব কি না)। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের প্রতি দয়া করেছেন এবং জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুন থেকে মুক্তি দিয়েছেন। ইতিপূর্বে দুনিয়ায় আমরা আল্লাহকে ডাকতাম এবং তাঁর ইবাদাত করতাম। নিশ্চয় আল্লাহ অতি সৌজন্যপরায়ণ এবং দয়ালু। (সূরা তূর, ২৫–২৮)
সোশ্যাল মিডিয়ায় হাদিস শেয়ার করুন
Or Copy Link
https://hadith.one/bn/book/179/3
রিডিং সেটিংস
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
System
System
Dark
Green
Teal
Purple
Brown
Sepia
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Kfgq Hafs
Qalam
Scheherazade
Kaleel
Madani
Khayma
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
22
17
সাধারণ সেটিংস
আরবি দেখান
অনুবাদ দেখান
রেফারেন্স দেখান
হাদিস পাশাপাশি দেখান
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।