১
কান্নার ফযীলত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
কুরআন পড়ে বা শুনে কান্না করা
কুরআন মাজীদ হচ্ছে আল্লাহর বাণী। এ কুরআনের মধ্যে পৃথিবীর সকল জ্ঞান নিহিত রয়েছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ইসলামের বিধিবিধান তেমন রয়েছে বিভিন্ন ইতিহাস, আল্লাহর রহমতের বর্ণনা এবং আরো রয়েছে কিয়ামত ও জাহন্নামের বর্ণনা। এজন্য যে ব্যক্তি কুরআনের মর্ম বুঝে তা পাঠ করবে তার চোখ দিয়ে পানি বের হওয়া স্বাভাবিক। কুরআন পাঠ করে অশ্রু বিসর্জন করা কুরআনের একটি দাবি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা কুরআন পাঠ করে কান্না করার জন্য উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেন,
﴿اَفَمِنْ هٰذَا الْحَدِيْثِ تَعْجَبُوْنَ – - وَتَضْحَكُوْنَ وَلَا تَبْكُوْنَ – - وَاَنْتُمْ سَامِدُوْنَ﴾
তোমরা কি এর (কুরআনের) কথায় বিস্ময় বোধ করছ? হাসাহাসি করছ অথচ কাঁদছ না? তোমরা তো বড়ই উদাসীন। (সূরা নাজম, ৫৯-৬১)
প্রকৃত আলেমগণ আল্লাহর বাণী শুনে কাঁদেন :
মানুষের মধ্য থেকে আল্লাহ তা‘আলাকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে জ্ঞানীরা। তাদের সামনে যখন আল্লাহর নিদর্শনাবলি উপস্থাপন করা হয় তখন তারা আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, এমনকি সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের সম্পর্কে বলেন,
﴿قُلْ اٰمِنُوْا بِهٖۤ اَوْ لَا تُؤْمِنُوْاؕ اِنَّ الَّذِيْنَ اُوْتُوا الْعِلْمَ مِنْ قَبْلِهٖۤ اِذَا يُتْلٰى عَلَيْهِمْ يَخِرُّوْنَ لِلْاَذْقَانِ سُجَّدًا – - وَيَقُوْلُوْنَ سُبْحَانَ رَبِّنَاۤ اِنْ كَانَ وَعْدُ رَبِّنَا لَمَفْعُوْلًا ‐ - وَيَخِرُّوْنَ لِلْاَذْقَانِ يَبْكُوْنَ وَيَزِيْدُهُمْ خُشُوْعًا﴾
বলো, তোমরা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর বা না কর, নিশ্চয় ইতিপূর্বে যাদেরকে এর জ্ঞান দেয়া হয়েছে তাদের নিকট যখনই এটা পাঠ করা হতো, তখন তারা সিজদায় লুটিয়ে পড়ত। তারা বলে, আমাদের প্রতিপালক পবিত্র। আমাদের প্রতিপালকের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবেই। আর তারা কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং এটা তাদের বিনয় বৃদ্ধি করে। (সূরা বনী ইসরাঈল, ১০৭-১০৯)
মুমিনদের হৃদয় আল্লাহর ভয়ে কম্পিত হয় :
যখন কারো হৃদয় কম্পিত হয়, তখন তার মধ্যে কান্নার ভাব দেখা দেয়। মুমিনদের সামনে যখন আল্লাহ তা‘আলার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন তাদের হৃদয় আল্লাহর ভয়ে কম্পিত হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿اِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِيْنَ اِذَا ذُكِرَ اللهُ وَجِلَتْ قُلُوْبُهُمْ وَاِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ اٰيَاتُهٗ زَادَتْهُمْ اِيْمَانًا وَّعَلٰى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُوْنَ ‐ اَلَّذِيْنَ يُقِيْمُوْنَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُوْنَ﴾
নিশ্চয় মুমিন তো তারাই যাদের হৃদয় আল্লাহর স্মরণে কম্পিত হয় এবং তাদের সামনে তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করা হলে তাদের ঈমান আরো বৃদ্ধি পায়। আর তারা তাদের প্রতিপালকের ওপরই নির্ভর করে থাকে। যারা সালাত কায়েম করে এবং আমি যা দিয়েছি তা হতে ব্যয় করে; (তারাই প্রকৃত মুমিন।) (সূরা আনফাল- ২, ৩)
﴿اَفَمِنْ هٰذَا الْحَدِيْثِ تَعْجَبُوْنَ – - وَتَضْحَكُوْنَ وَلَا تَبْكُوْنَ – - وَاَنْتُمْ سَامِدُوْنَ﴾
তোমরা কি এর (কুরআনের) কথায় বিস্ময় বোধ করছ? হাসাহাসি করছ অথচ কাঁদছ না? তোমরা তো বড়ই উদাসীন। (সূরা নাজম, ৫৯-৬১)
প্রকৃত আলেমগণ আল্লাহর বাণী শুনে কাঁদেন :
মানুষের মধ্য থেকে আল্লাহ তা‘আলাকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে জ্ঞানীরা। তাদের সামনে যখন আল্লাহর নিদর্শনাবলি উপস্থাপন করা হয় তখন তারা আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, এমনকি সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের সম্পর্কে বলেন,
﴿قُلْ اٰمِنُوْا بِهٖۤ اَوْ لَا تُؤْمِنُوْاؕ اِنَّ الَّذِيْنَ اُوْتُوا الْعِلْمَ مِنْ قَبْلِهٖۤ اِذَا يُتْلٰى عَلَيْهِمْ يَخِرُّوْنَ لِلْاَذْقَانِ سُجَّدًا – - وَيَقُوْلُوْنَ سُبْحَانَ رَبِّنَاۤ اِنْ كَانَ وَعْدُ رَبِّنَا لَمَفْعُوْلًا ‐ - وَيَخِرُّوْنَ لِلْاَذْقَانِ يَبْكُوْنَ وَيَزِيْدُهُمْ خُشُوْعًا﴾
বলো, তোমরা কুরআনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর বা না কর, নিশ্চয় ইতিপূর্বে যাদেরকে এর জ্ঞান দেয়া হয়েছে তাদের নিকট যখনই এটা পাঠ করা হতো, তখন তারা সিজদায় লুটিয়ে পড়ত। তারা বলে, আমাদের প্রতিপালক পবিত্র। আমাদের প্রতিপালকের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবেই। আর তারা কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং এটা তাদের বিনয় বৃদ্ধি করে। (সূরা বনী ইসরাঈল, ১০৭-১০৯)
মুমিনদের হৃদয় আল্লাহর ভয়ে কম্পিত হয় :
যখন কারো হৃদয় কম্পিত হয়, তখন তার মধ্যে কান্নার ভাব দেখা দেয়। মুমিনদের সামনে যখন আল্লাহ তা‘আলার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন তাদের হৃদয় আল্লাহর ভয়ে কম্পিত হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿اِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِيْنَ اِذَا ذُكِرَ اللهُ وَجِلَتْ قُلُوْبُهُمْ وَاِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ اٰيَاتُهٗ زَادَتْهُمْ اِيْمَانًا وَّعَلٰى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُوْنَ ‐ اَلَّذِيْنَ يُقِيْمُوْنَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُوْنَ﴾
নিশ্চয় মুমিন তো তারাই যাদের হৃদয় আল্লাহর স্মরণে কম্পিত হয় এবং তাদের সামনে তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করা হলে তাদের ঈমান আরো বৃদ্ধি পায়। আর তারা তাদের প্রতিপালকের ওপরই নির্ভর করে থাকে। যারা সালাত কায়েম করে এবং আমি যা দিয়েছি তা হতে ব্যয় করে; (তারাই প্রকৃত মুমিন।) (সূরা আনফাল- ২, ৩)