hadith book logo

সাহাবায়ে কেরামের প্রতি আমাদের কর্তব্য

লেখকঃ আব্দুর রাযযাক ইব্‌ন আব্দুল মুহসিন আল-বাদ্‌র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩

সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর ন্যায়পরায়ণতাঃ

সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর প্রত্যেকেই ন্যায়পরায়ণ। স্বয়ং আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদেরকে ন্যায়পরায়ণ হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন। সেজন্য দেখা গেছে, মুহাদ্দিছগণ হাদীস বর্ণনাকারীগণের ন্যায়পরায়ণতার বিষয়টি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করতেন। সনদের কোন্‌ বর্ণনাকারী বিশ্বস্ত আর কে যঈফ, তা তাঁরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করতেন। কিন্তু সনদের ধারাবাহিকতা যখন সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছত, তখন তাঁরা আর কোন বিশ্লেষণই করতেন না। কেননা তাঁরা নিশ্চিত জানতেন যে, সকল সাহাবী ন্যায়পরায়ণ এবং বিশ্বস্ত। সে কারণে আপনি যখন ‘রিজাল শাস্ত্র’ [. যে শাস্ত্র হাদীছের বর্ণনাকারীগণের অবস্থা বিশ্লেষণ করে, তাকে ‘রিজাল শাস্ত্র’ বলে। –অনুবাদক।]-এর গ্রন্থসমূহ পড়বেন, তখন সেখানে দেখবেন, গ্রন্থকারগণ তাবেঈন থেকে শুরু করে সকলের অবস্থা বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, অমুক বিশ্বস্ত, অমুক হাফেয, অমুক যঈফ, অমুক এমন...। কিন্তু সাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) কি ন্যায়পরায়ণ নাকি ন্যায়পরায়ণ নন, তাঁরা কি বিশ্বস্ত নাকি বিশ্বস্ত নন ইত্যাদি বিষয়ে তাঁরা কোন আলোচনাই আনেন নি।

এর মূল কারণ হল, সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) সবাই ন্যায়পরায়ণ। মহান আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পবিত্র কুরআনের বহু আয়াতে এবং অসংখ্য হাদীছে তাঁদেরকে ন্যায়পরায়ণ হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন।