১
কুরআনের আলোকে নূহ আলাইহিস সালামের দা‘ওয়াহ কার্যক্রম
লেখকঃ ড. মোঃ আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
(চ) আল্লাহর অনুগ্রহের স্মরণ:
মানুষের প্রতি আল্লাহর অপরিসীম অনুগ্রহ রয়েছে। এ অনুগ্রহরাজির সংখ্যা হিসাব করে শেষ করা যাবে না। মহান আল্লাহ বলেন,
﴿وَإِن تَعُدُّواْ نِعۡمَتَ ٱللَّهِ لَا تُحۡصُوهَآۗ ٣٤ ﴾ [ إبراهيم : ٣٤ ]
‘‘তোমরা আমার নে‘য়ামতরাজি গুণে শেষ করতে পারবে না। [আল কুরআন, সূরা ইব্রাহিম : ৩৪।] আল্লাহর অনুগ্রহের স্মরণ ইসলামী দা‘ওয়াহর অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নূহ আলাইহিস সালাম স্বজাতিকে আল্লাহর অনুগ্রহের উল্লেখ করত: দ্বীনের আহবান জানিয়েছেন। বিশেষত: মানব সৃষ্টি ও পৃথিবী সৃষ্টির রহস্য সম্পর্কে চিন্তা গবেষণা করার আহবান জানান। এ মর্মে কুরআনে এসেছে:
﴿ وَقَدۡ خَلَقَكُمۡ أَطۡوَارًا ١٤ أَلَمۡ تَرَوۡاْ كَيۡفَ خَلَقَ ٱللَّهُ سَبۡعَ سَمَٰوَٰتٖ طِبَاقٗا ١٥ وَجَعَلَ ٱلۡقَمَرَ فِيهِنَّ نُورٗا وَجَعَلَ ٱلشَّمۡسَ سِرَاجٗا ١٦ وَٱللَّهُ أَنۢبَتَكُم مِّنَ ٱلۡأَرۡضِ نَبَاتٗا ١٧ ثُمَّ يُعِيدُكُمۡ فِيهَا وَيُخۡرِجُكُمۡ إِخۡرَاجٗا ١٨ وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُمُ ٱلۡأَرۡضَ بِسَاطٗا ١٩ لِّتَسۡلُكُواْ مِنۡهَا سُبُلٗا فِجَاجٗا ٢٠ ﴾ [ نوح : ١٤، ٢٠ ]
‘‘তিনি (আল্লাহ) নানা পর্যায়ে তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে,আল্লাহ কিরূপে সাত আসমান স্তরে স্তরে নির্মাণ করেছেন। আর উহাতে চন্দ্রকে আলো ও সূর্যকে প্রদীপ বানিয়েছেন। আর আল্লাহ তোমাদেরকে মাটি হতে বিষ্ময়করভাবে উৎপন্ন করেছেন। অত:পর এ মাটিতেই তোমাদের সমাধি হবে এবং তা হতে আবার পুনরুত্থিত করবেন। বস্ত্তত: আল্লাহ জমিনকে তোমাদের জন্য শয্যার ন্যায় সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছেন,যাতে তোমরা উহার উম্মুক্ত পথ-ঘাটে চলাচল করতে পার।’’ [আল কুরআন, সূরা নূহ : ১৪-২০।] অত্র আয়াতে কারীমাগুলোর মাধ্যমে সৃষ্টি জগতের স্থাপনা ও শৃংখলার প্রতি দৃষ্টি রেখে এক আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস স্থাপনের আহবান জানানো হয়েছে।
﴿وَإِن تَعُدُّواْ نِعۡمَتَ ٱللَّهِ لَا تُحۡصُوهَآۗ ٣٤ ﴾ [ إبراهيم : ٣٤ ]
‘‘তোমরা আমার নে‘য়ামতরাজি গুণে শেষ করতে পারবে না। [আল কুরআন, সূরা ইব্রাহিম : ৩৪।] আল্লাহর অনুগ্রহের স্মরণ ইসলামী দা‘ওয়াহর অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নূহ আলাইহিস সালাম স্বজাতিকে আল্লাহর অনুগ্রহের উল্লেখ করত: দ্বীনের আহবান জানিয়েছেন। বিশেষত: মানব সৃষ্টি ও পৃথিবী সৃষ্টির রহস্য সম্পর্কে চিন্তা গবেষণা করার আহবান জানান। এ মর্মে কুরআনে এসেছে:
﴿ وَقَدۡ خَلَقَكُمۡ أَطۡوَارًا ١٤ أَلَمۡ تَرَوۡاْ كَيۡفَ خَلَقَ ٱللَّهُ سَبۡعَ سَمَٰوَٰتٖ طِبَاقٗا ١٥ وَجَعَلَ ٱلۡقَمَرَ فِيهِنَّ نُورٗا وَجَعَلَ ٱلشَّمۡسَ سِرَاجٗا ١٦ وَٱللَّهُ أَنۢبَتَكُم مِّنَ ٱلۡأَرۡضِ نَبَاتٗا ١٧ ثُمَّ يُعِيدُكُمۡ فِيهَا وَيُخۡرِجُكُمۡ إِخۡرَاجٗا ١٨ وَٱللَّهُ جَعَلَ لَكُمُ ٱلۡأَرۡضَ بِسَاطٗا ١٩ لِّتَسۡلُكُواْ مِنۡهَا سُبُلٗا فِجَاجٗا ٢٠ ﴾ [ نوح : ١٤، ٢٠ ]
‘‘তিনি (আল্লাহ) নানা পর্যায়ে তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে,আল্লাহ কিরূপে সাত আসমান স্তরে স্তরে নির্মাণ করেছেন। আর উহাতে চন্দ্রকে আলো ও সূর্যকে প্রদীপ বানিয়েছেন। আর আল্লাহ তোমাদেরকে মাটি হতে বিষ্ময়করভাবে উৎপন্ন করেছেন। অত:পর এ মাটিতেই তোমাদের সমাধি হবে এবং তা হতে আবার পুনরুত্থিত করবেন। বস্ত্তত: আল্লাহ জমিনকে তোমাদের জন্য শয্যার ন্যায় সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছেন,যাতে তোমরা উহার উম্মুক্ত পথ-ঘাটে চলাচল করতে পার।’’ [আল কুরআন, সূরা নূহ : ১৪-২০।] অত্র আয়াতে কারীমাগুলোর মাধ্যমে সৃষ্টি জগতের স্থাপনা ও শৃংখলার প্রতি দৃষ্টি রেখে এক আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস স্থাপনের আহবান জানানো হয়েছে।