১
কুরআনের আলোকে নূহ আলাইহিস সালামের দা‘ওয়াহ কার্যক্রম
লেখকঃ ড. মোঃ আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
কুরআনের আলোকে নূহ আলাইহিস সালামের দা‘ওয়াহ কার্যক্রম
নবী-রাসূলগণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম মানব। মহান লক্ষ্যকে সামনে রেখে আল্লাহ তা‘আলা যুগে যুগে অগণিত নবী-রাসূল এ পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। পৃথিবীতে এমন কোন জনপদ ও জনগোষ্ঠী নেই যাদের কাছে আল্লাহ তা‘আলা কোন না কোন নবী-রাসূল পাঠাননি। এ প্রসংগে আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
‘‘আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে,তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাগুত থেকে বেঁচে থাক।’’
মানুষ সীমাবদ্ধ জ্ঞানের অধিকারী। এ জ্ঞান দ্বারা সমুদয় বস্তুর প্রকৃত ও সম্যক জ্ঞান লাভ অসম্ভব। আর আল্লাহ তা‘আলাও মানুষকে স্বল্প জ্ঞানের অধিকারী করেছেন। স্বল্প জ্ঞানের মানুষ জানে না যে কিসের উপর তাদের মঙ্গল-অমঙ্গল নির্ভর করে। সৃষ্টি জীবের কোনটি মানুষের উপকারী ও কোনটি অপকারী। ফলে এ সকল জটিল সমস্যা হতে মানুষকে মুক্তি দানের জন্য আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় অসীম কৃপায় নবী-রাসূল প্রেরণের মাধ্যমে মানুষকে তা বলে দিয়েছেন। আর নবী-রাসূলগণের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা মানুষের প্রতি সবচেয়ে বড় ও কার্যকর রহমতের যে বারিধারা বর্ষণ করেন তা হল, স্বীয় সত্ত্বার প্রতি ঈমান আনয়ন ও তাঁর প্রতি ঐকান্তিক দাসত্বের স্বীকৃতি গ্রহণ। এ কারণেই সকল নবী-রাসূলকে তিনি এ দুটি বিষয় সম্পাদনের জোরালো নির্দেশ প্রদান করেছেন এবং উম্মতগণকে এ দু’টি বিষয়ের প্রতি দা‘ওয়াত দেয়ার জোর তাকিদ দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
﴿ وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِيٓ إِلَيۡهِ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعۡبُدُونِ ٢٥ ﴾ [ الأنبياء : ٢٥ ]
‘‘আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ করেছি তাঁকে এই আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই ইবাদত কর [আল কুরআন, সূরা আল আম্বিয়া: ২৫।]।’’
উক্ত আদেশপ্রাপ্ত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল নবী-রাসূলের মধ্যে পাঁচজন রাসূল উল্লেখযোগ্য, যাদেরকে আল কুরআনে ( أولو العزم ) হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে [মুহাম্মদ আলী আস্-সাবুনী, সাফওয়াতুত্ তাফাসীর, দারুল কুরআন, বৈরুত ১৪০১ হি. ১৯৮১ খৃ. পৃ.৪৫০।]। তাঁরা হলেন: (১) নূহ আলাইহিস সালাম, (২) ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম, (৩) মূসা আলাইহিস সালাম, (৪) ঈসা আলাইহিস সালাম এবং (৫) মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এঁদের মধ্যে নূহ আলাইহিস সালাম প্রথম প্রেরিত রাসূল ও দা‘ঈ। বর্তমান প্রবন্ধে তাঁর সংক্ষিপ্ত পরিচয়, ব্যক্তিত্ব,দা‘ওয়াহ কার্যক্রম ও পদ্ধতিসহ আজকের যুগের দা‘ঈদের জন্য কি কি শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে সে সম্পর্কে আলোকপাত করব।
‘‘আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে,তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাগুত থেকে বেঁচে থাক।’’
মানুষ সীমাবদ্ধ জ্ঞানের অধিকারী। এ জ্ঞান দ্বারা সমুদয় বস্তুর প্রকৃত ও সম্যক জ্ঞান লাভ অসম্ভব। আর আল্লাহ তা‘আলাও মানুষকে স্বল্প জ্ঞানের অধিকারী করেছেন। স্বল্প জ্ঞানের মানুষ জানে না যে কিসের উপর তাদের মঙ্গল-অমঙ্গল নির্ভর করে। সৃষ্টি জীবের কোনটি মানুষের উপকারী ও কোনটি অপকারী। ফলে এ সকল জটিল সমস্যা হতে মানুষকে মুক্তি দানের জন্য আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় অসীম কৃপায় নবী-রাসূল প্রেরণের মাধ্যমে মানুষকে তা বলে দিয়েছেন। আর নবী-রাসূলগণের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা মানুষের প্রতি সবচেয়ে বড় ও কার্যকর রহমতের যে বারিধারা বর্ষণ করেন তা হল, স্বীয় সত্ত্বার প্রতি ঈমান আনয়ন ও তাঁর প্রতি ঐকান্তিক দাসত্বের স্বীকৃতি গ্রহণ। এ কারণেই সকল নবী-রাসূলকে তিনি এ দুটি বিষয় সম্পাদনের জোরালো নির্দেশ প্রদান করেছেন এবং উম্মতগণকে এ দু’টি বিষয়ের প্রতি দা‘ওয়াত দেয়ার জোর তাকিদ দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
﴿ وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِيٓ إِلَيۡهِ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعۡبُدُونِ ٢٥ ﴾ [ الأنبياء : ٢٥ ]
‘‘আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ করেছি তাঁকে এই আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই ইবাদত কর [আল কুরআন, সূরা আল আম্বিয়া: ২৫।]।’’
উক্ত আদেশপ্রাপ্ত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল নবী-রাসূলের মধ্যে পাঁচজন রাসূল উল্লেখযোগ্য, যাদেরকে আল কুরআনে ( أولو العزم ) হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে [মুহাম্মদ আলী আস্-সাবুনী, সাফওয়াতুত্ তাফাসীর, দারুল কুরআন, বৈরুত ১৪০১ হি. ১৯৮১ খৃ. পৃ.৪৫০।]। তাঁরা হলেন: (১) নূহ আলাইহিস সালাম, (২) ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম, (৩) মূসা আলাইহিস সালাম, (৪) ঈসা আলাইহিস সালাম এবং (৫) মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এঁদের মধ্যে নূহ আলাইহিস সালাম প্রথম প্রেরিত রাসূল ও দা‘ঈ। বর্তমান প্রবন্ধে তাঁর সংক্ষিপ্ত পরিচয়, ব্যক্তিত্ব,দা‘ওয়াহ কার্যক্রম ও পদ্ধতিসহ আজকের যুগের দা‘ঈদের জন্য কি কি শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে সে সম্পর্কে আলোকপাত করব।