১
ইখলাস
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
রিয়ার তিনটি সূক্ষ্ম দিক:
প্রথমত: আবু হামেদ গাযালী রহ. খফি রিয়া সম্পর্কে আলোচনায় বলেছেন, এর চেয়েও খফি কিছু রিয়া আছে যা ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত প্রকাশ করতে চান না এমনকি তার আনুগত্য প্রকাশেও খুশি হন না, তবে মানুষ তার সাথে মিলিত হলে তিনি চান যে, তারা প্রথমে সালাম করুক বা মানুষ তার সাথে হাসি খুশি ও সম্মানের সাথে সাক্ষাৎ করুক, তার প্রশংসা করুক বা তারা তার প্রয়োজন দূর করুক অর্থাৎ তার অবস্থা এমন যে, তিনি সুপ্তভাবে তাদের আনুগত্যে ও সম্মান কামনা করেন। অথচ সে এরূপ না করলেও মানুষ তাকে যথাযথ সম্মান করত। [আল-ইহইয়া, ৩/৩০৫-৩০৬।]
দ্বিতীয়ত: ইখলাসকে দুনিয়াবী উদ্দেশ্য যথা প্রজ্ঞা, সম্মান, পার্থিব ধন সম্পদ ইত্যাদি হাসিলের মাধ্যম বানানো।
তৃতীয়ত: ইবন রজব রহ. বলেছেন, মানুষের মাঝে কেউ নিজেকে দোষারোপ করে; যাতে মানুষ তার বিনয় নম্রতা দেখে তাকে আরো সম্মান ও প্রশংসা করে। এটা খুব সূক্ষ্ম রিয়া। আমাদের সৎপূর্বসূরীরা এ ব্যাপারে সতর্ক করে গেছেন। মুতাররিফ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন শিখখির রহ. বলেছেন, “মানুষের নিজের প্রশংসার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে লোকের সামনে নিজের দোষারোপ করবে যেন সে এ নিন্দার দ্বারা নিজের সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি করল, আর এটা আল্লাহর কাছে খুবই বোকামী কাজ”। [কিতাবুল ইখলাস ওয়াশশির্ক, ডঃ আব্দুল আযীয আব্দুল লতিফ, পৃষ্ঠা ৪৬।] বস্তুত আল্লাহর আনুগত্যের উপর ধৈর্যধারণ করা তিন প্রকারের। আনুগত্য করার পূর্বে, আনুগত্য করার সময় ও আনুগত্য করার পরে ধৈর্যধারণ করা।
চতুর্থত: কখনও কেউ নিজে রিয়া করাকে অপছন্দ করে তবে অন্য কেউ তার আমলের কথা উল্লেখ করে প্রশংসা করে তখন তার অপছন্দতা লক্ষ্য করা যায় না বরং আনন্দ অনুভব করে এবং এতে ইবাদতের কিছু কষ্ট লাঘব হয় বলে তার মনে হয়। এটাও সুক্ষ্ন রিয়া [আল-ইখলাস, আল-‘আওয়ায়িশাহ, পৃষ্ঠা ৭১।]
দ্বিতীয়ত: ইখলাসকে দুনিয়াবী উদ্দেশ্য যথা প্রজ্ঞা, সম্মান, পার্থিব ধন সম্পদ ইত্যাদি হাসিলের মাধ্যম বানানো।
তৃতীয়ত: ইবন রজব রহ. বলেছেন, মানুষের মাঝে কেউ নিজেকে দোষারোপ করে; যাতে মানুষ তার বিনয় নম্রতা দেখে তাকে আরো সম্মান ও প্রশংসা করে। এটা খুব সূক্ষ্ম রিয়া। আমাদের সৎপূর্বসূরীরা এ ব্যাপারে সতর্ক করে গেছেন। মুতাররিফ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন শিখখির রহ. বলেছেন, “মানুষের নিজের প্রশংসার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে লোকের সামনে নিজের দোষারোপ করবে যেন সে এ নিন্দার দ্বারা নিজের সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি করল, আর এটা আল্লাহর কাছে খুবই বোকামী কাজ”। [কিতাবুল ইখলাস ওয়াশশির্ক, ডঃ আব্দুল আযীয আব্দুল লতিফ, পৃষ্ঠা ৪৬।] বস্তুত আল্লাহর আনুগত্যের উপর ধৈর্যধারণ করা তিন প্রকারের। আনুগত্য করার পূর্বে, আনুগত্য করার সময় ও আনুগত্য করার পরে ধৈর্যধারণ করা।
চতুর্থত: কখনও কেউ নিজে রিয়া করাকে অপছন্দ করে তবে অন্য কেউ তার আমলের কথা উল্লেখ করে প্রশংসা করে তখন তার অপছন্দতা লক্ষ্য করা যায় না বরং আনন্দ অনুভব করে এবং এতে ইবাদতের কিছু কষ্ট লাঘব হয় বলে তার মনে হয়। এটাও সুক্ষ্ন রিয়া [আল-ইখলাস, আল-‘আওয়ায়িশাহ, পৃষ্ঠা ৭১।]