১
ইখলাস
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
ইখলাসের স্তরসমূহ:
প্রথম স্তর: আমলের মধ্যে লৌকিকতা বর্জন করা ও তা আল্লাহর দয়ায় ও তাওফিকে হয়েছে বলে মনে করা, প্রতিদান না চাওয়া এবং আমলের কারণে আত্মসন্তুষ্ট না হওয়া; বরং নিজের অক্ষমতা ও স্বল্পতার জন্য সর্বদা লজ্জিত থাকা।
প্রথমত আমলটি আল্লাহর রহমত ও তাওফিকে হয়েছে তার দলিল হলো আল্লাহর বাণী,
﴿ وَلَوۡلَا فَضۡلُ ٱللَّهِ عَلَيۡكُمۡ وَرَحۡمَتُهُۥ مَا زَكَىٰ مِنكُم مِّنۡ أَحَدٍ أَبَدٗا وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ يُزَكِّي مَن يَشَآءُۗ ١ ﴾ [ النور : ٢١ ]
“আর যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া না থাকত, তাহলে তোমাদের কেউই কখনো পবিত্র হতে পারত না; কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন”। [সূরা আন্-নূর: ২১]
দ্বিতীয়ত: আমলকারীর মনে রাখা উচিত যে সে আল্লাহর একজন দাস। আর দাস যা করে তার বিনিময়ে মনিবের কাছে কিছু প্রত্যাশা করতে পারে না।
তৃতীয়ত: নিজের আমলের মধ্যে দোষত্রুটি ও কমতি সর্বদা তালাশ করা।
দ্বিতীয় স্তর: নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করার পরেও আমলের ক্ষেত্রে লজ্জাবোধ করা, নিজেকে মনে করা যে আল্লাহর জন্য যথাযথভাবে কাজটি করা হয় নি। আল্লাহ বলেন,
﴿وَٱلَّذِينَ يُؤۡتُونَ مَآ ءَاتَواْ وَّقُلُوبُهُمۡ وَجِلَةٌ أَنَّهُمۡ إِلَىٰ رَبِّهِمۡ رَٰجِعُونَ ٦٠ ﴾ [ المؤمنون : ٦٠ ]
“আর যারা যা দান করে তা ভীত-কম্পিত হৃদয়ে করে থাকে এজন্য যে, তারা তাদের রবের দিকে প্রত্যাবর্তনশীল”। [সূরা আল-মুমিনূন: ৬০]
সুতরাং মু’মিন সর্বদা আল্লাহর দয়া কামনা করবে এবং নিজের কমতির জন্য নিজেকে দোষারোপ করবে।
তৃতীয় স্তর: আমলটি ইলম অনুযায়ী বিশুদ্ধ হওয়া, যাতে তা বিদ‘আত হতে মুক্ত হয়। [তাহযীবু মাদারিজিস সালেকীন।]
প্রথমত আমলটি আল্লাহর রহমত ও তাওফিকে হয়েছে তার দলিল হলো আল্লাহর বাণী,
﴿ وَلَوۡلَا فَضۡلُ ٱللَّهِ عَلَيۡكُمۡ وَرَحۡمَتُهُۥ مَا زَكَىٰ مِنكُم مِّنۡ أَحَدٍ أَبَدٗا وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ يُزَكِّي مَن يَشَآءُۗ ١ ﴾ [ النور : ٢١ ]
“আর যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়া না থাকত, তাহলে তোমাদের কেউই কখনো পবিত্র হতে পারত না; কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন”। [সূরা আন্-নূর: ২১]
দ্বিতীয়ত: আমলকারীর মনে রাখা উচিত যে সে আল্লাহর একজন দাস। আর দাস যা করে তার বিনিময়ে মনিবের কাছে কিছু প্রত্যাশা করতে পারে না।
তৃতীয়ত: নিজের আমলের মধ্যে দোষত্রুটি ও কমতি সর্বদা তালাশ করা।
দ্বিতীয় স্তর: নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করার পরেও আমলের ক্ষেত্রে লজ্জাবোধ করা, নিজেকে মনে করা যে আল্লাহর জন্য যথাযথভাবে কাজটি করা হয় নি। আল্লাহ বলেন,
﴿وَٱلَّذِينَ يُؤۡتُونَ مَآ ءَاتَواْ وَّقُلُوبُهُمۡ وَجِلَةٌ أَنَّهُمۡ إِلَىٰ رَبِّهِمۡ رَٰجِعُونَ ٦٠ ﴾ [ المؤمنون : ٦٠ ]
“আর যারা যা দান করে তা ভীত-কম্পিত হৃদয়ে করে থাকে এজন্য যে, তারা তাদের রবের দিকে প্রত্যাবর্তনশীল”। [সূরা আল-মুমিনূন: ৬০]
সুতরাং মু’মিন সর্বদা আল্লাহর দয়া কামনা করবে এবং নিজের কমতির জন্য নিজেকে দোষারোপ করবে।
তৃতীয় স্তর: আমলটি ইলম অনুযায়ী বিশুদ্ধ হওয়া, যাতে তা বিদ‘আত হতে মুক্ত হয়। [তাহযীবু মাদারিজিস সালেকীন।]