১
সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পাঠ সমূহ
লেখকঃ শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
নবম পাঠঃ তাশাহুদের বিবরণ
তাশাহুদ:
التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّـبَاتُ، السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِيْنَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ .
(আত্তাহিয়্যা-তু লিল্লা-হি ওয়াস্ সালা-ওয়া-তু ওয়াত্ তাইয়্যিবা-তু,আস্সালা-মু আলাইকা আইয়্যু হান্নাবিয়্যু ওয়া রাহ্মাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহ। আস্সালা-মু আলাইনা-ওয়া আ‘লা-ইবাদিল্লা-হিস্ সালিহীন। আশ্হাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহ)।
অর্থঃ সকল মৌখিক,শারীরিক ও আর্থিক ইবাদাত আল্লাহর জন্য। হে নাবী! তোমার উপর আল্লাহর রহমাত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের ও আল্লাহর সকল সৎ ব্যক্তিদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। আমি আরোও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। তারপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সলাত পাঠ করবে এবং তাঁর জন্যে বরকতের জিকির">দু’আ করবে
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آَلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آَلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آَلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آَلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ .
(আল্লাহুম্মা সল্লি আ‘লা মুহাম্মাদ, ওয়ালা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা সল্লাইতা আ‘লা ইব্রাহীম, ওয়া আলা আলি ইব্রাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ, ওয়া বারিক আ‘লা মুহাম্মাদ, ওয়া-আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা আ‘লা ইব্রাহীম, ওয়া আলা আলি ইব্রাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ)।
“হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরিবারের উপর রহমাত বর্ষণ কর, যেরূপ ইব্রাহীম (আলাইহিস্ সালাম) ও ইব্রাহীম (আলাইহিস্ সালাম) এর পরিবারের উপর রহমাত বর্ষণ করেছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরিবারের উপর বরকত দান কর। যেরূপ ইব্রাহীম (আলাইহিস্ সালাম) ও ইব্রাহীম (আলাইহিস্ সালাম) এর পরিবারের উপর বরকত দান করেছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত”।
তারপর শেষ বৈঠকে আল্লাহর কাছে জাহান্নামের শাস্তি, কবরের শাস্তি, জীবন-মরণ ও মাসিহুদ্ দাজ্জালের ফিৎনা হতে আশ্রয় চাবে। মুখে বলবেঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ فِـتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ فِـتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন আ‘যাবে জাহান্নামা ওয়া মিন আ‘যাবিল ক্বাবরে, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামাতি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জালি)।
"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জাহান্নামের শাস্তি,কবরের শাস্তি, জীবন-মরণ ও মাসিহুদ্ দাজ্জালের ফিৎনা হতে আশ্রয় চাচ্ছি।"
তারপর দু’আ থেকে বিশেষ করে মাসনূন দুয়া সমূহ থেকে যা খুশি পাঠ করা।
নিন্মের দু’আগুলো মাসনূন দু’আর আন্তর্ভূক্ত:
اَللَّهُمَّ اَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَ حُسْنِ عِبَادَتِكَ
আল্লাহুম্মা আয়ি’ন্নী আ’লা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুস্নি ’ইবাদাতিকা।
"হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমাকে তোমার স্বরণ, কৃতজ্ঞতা আদায় করতে ও ভালভাবে তোমার ইবাদত করার তাওফীক দান কর।
اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي إِنَّك أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতু নাফসী যুলমান কাছিরা। ওয়া লা ইয়াগফিরুয যনূবা ইল্লা আনতা। ফাগফির লী মাগফিরাতাম মিন ’ইনদিকা ওয়ারহামনী। ইন্নাকা আনতাল গফূরুর রহীম
"হে আল্লাহ আমি আমার আত্মার উপর অনেক বেশি যুলুম করেছি। আর তুমি ছাড়া কেউ পাপ মাফ কারী নাই। অতএব তুমি তোমার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি দয়া কর। কারণ তুমি ক্ষমাকারী ও দয়ালু ।"
তবে যোহর, আসর, মাগরিব ও ’ইশার সলাতে প্রথম বৈঠকের মাঝে শাহাদাইনের পর তৃতীয় রাকা’আতের জন্যে দাঁড়াবে। কেউ যদি এতে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরুদ পাঠ করে তবে তা তার জন্যে উত্তম হবে এ ব্যাপারে ব্যাপক অর্থবোধক হাদীছ সমূহ থাকার কারণে। তারপর তৃতীয় রাকা’আতের জন্যে দাঁড়াবে।
التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّـبَاتُ، السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِيْنَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ .
(আত্তাহিয়্যা-তু লিল্লা-হি ওয়াস্ সালা-ওয়া-তু ওয়াত্ তাইয়্যিবা-তু,আস্সালা-মু আলাইকা আইয়্যু হান্নাবিয়্যু ওয়া রাহ্মাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহ। আস্সালা-মু আলাইনা-ওয়া আ‘লা-ইবাদিল্লা-হিস্ সালিহীন। আশ্হাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহ)।
অর্থঃ সকল মৌখিক,শারীরিক ও আর্থিক ইবাদাত আল্লাহর জন্য। হে নাবী! তোমার উপর আল্লাহর রহমাত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের ও আল্লাহর সকল সৎ ব্যক্তিদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। আমি আরোও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। তারপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সলাত পাঠ করবে এবং তাঁর জন্যে বরকতের জিকির">দু’আ করবে
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آَلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آَلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آَلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آَلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ .
(আল্লাহুম্মা সল্লি আ‘লা মুহাম্মাদ, ওয়ালা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা সল্লাইতা আ‘লা ইব্রাহীম, ওয়া আলা আলি ইব্রাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ, ওয়া বারিক আ‘লা মুহাম্মাদ, ওয়া-আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা আ‘লা ইব্রাহীম, ওয়া আলা আলি ইব্রাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ)।
“হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরিবারের উপর রহমাত বর্ষণ কর, যেরূপ ইব্রাহীম (আলাইহিস্ সালাম) ও ইব্রাহীম (আলাইহিস্ সালাম) এর পরিবারের উপর রহমাত বর্ষণ করেছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরিবারের উপর বরকত দান কর। যেরূপ ইব্রাহীম (আলাইহিস্ সালাম) ও ইব্রাহীম (আলাইহিস্ সালাম) এর পরিবারের উপর বরকত দান করেছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত”।
তারপর শেষ বৈঠকে আল্লাহর কাছে জাহান্নামের শাস্তি, কবরের শাস্তি, জীবন-মরণ ও মাসিহুদ্ দাজ্জালের ফিৎনা হতে আশ্রয় চাবে। মুখে বলবেঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ فِـتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ فِـتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ
(আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন আ‘যাবে জাহান্নামা ওয়া মিন আ‘যাবিল ক্বাবরে, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামাতি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জালি)।
"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জাহান্নামের শাস্তি,কবরের শাস্তি, জীবন-মরণ ও মাসিহুদ্ দাজ্জালের ফিৎনা হতে আশ্রয় চাচ্ছি।"
তারপর দু’আ থেকে বিশেষ করে মাসনূন দুয়া সমূহ থেকে যা খুশি পাঠ করা।
নিন্মের দু’আগুলো মাসনূন দু’আর আন্তর্ভূক্ত:
اَللَّهُمَّ اَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَ حُسْنِ عِبَادَتِكَ
আল্লাহুম্মা আয়ি’ন্নী আ’লা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুস্নি ’ইবাদাতিকা।
"হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমাকে তোমার স্বরণ, কৃতজ্ঞতা আদায় করতে ও ভালভাবে তোমার ইবাদত করার তাওফীক দান কর।
اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي إِنَّك أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতু নাফসী যুলমান কাছিরা। ওয়া লা ইয়াগফিরুয যনূবা ইল্লা আনতা। ফাগফির লী মাগফিরাতাম মিন ’ইনদিকা ওয়ারহামনী। ইন্নাকা আনতাল গফূরুর রহীম
"হে আল্লাহ আমি আমার আত্মার উপর অনেক বেশি যুলুম করেছি। আর তুমি ছাড়া কেউ পাপ মাফ কারী নাই। অতএব তুমি তোমার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি দয়া কর। কারণ তুমি ক্ষমাকারী ও দয়ালু ।"
তবে যোহর, আসর, মাগরিব ও ’ইশার সলাতে প্রথম বৈঠকের মাঝে শাহাদাইনের পর তৃতীয় রাকা’আতের জন্যে দাঁড়াবে। কেউ যদি এতে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরুদ পাঠ করে তবে তা তার জন্যে উত্তম হবে এ ব্যাপারে ব্যাপক অর্থবোধক হাদীছ সমূহ থাকার কারণে। তারপর তৃতীয় রাকা’আতের জন্যে দাঁড়াবে।