১
সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পাঠ সমূহ
লেখকঃ শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ.) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
দশম পাঠঃ সলাতের সুন্নাত সমূহ
সলাতের সুন্নাত সমূহঃ
১। প্রারম্ভিক জিকির">দু’আ (ছানা) পাঠ করা।
২। ডান হাতকে বাম হাতের উপর করে দণ্ডায়মান অবস্থায় রুকুর পূর্বে ও পরে বুকের উপর রাখা।
৩। দু’হাতের আঙ্গুল মিলিত ও দণ্ডয়মান অবস্থায় অবস্থায় কাধঁ বা দু’কানের লতি পর্যন্ত উত্তলন করা তাকবীরাতুল ইহরামের সময়, রুকু’ করার সময়, রুকু’হতে উঠার সময় ও প্রথম বৈঠক হতে তৃতীয় রাকা’আতের জন্যে দাঁড়ানের সময়।
৪। রুকু’ ও সিজাদার তাসবীহ একের অধিক পাঠ করা।
৫। দুই সিজদার মাঝে মাগফিরাতের দু’আ একবারে অধিক পাঠ করা।
৬। রুকু'তে মাথাকে পিঠের বরাবর রাখা।
৭। সিজদা রত অবস্থায় বাহুদ্বয়কে পার্শদ্বয় হতে, পেটকে উরুদ্বয় হতে ও উরুদ্বয়কে পায়ের নলীদ্বয় হতে দূরে রাখা।
৮। সিজদার সময় জমিন হতে হস্তদ্বয়কে উঁচু রাখা।
৯। প্রথম বৈঠকে ও দুই সিজাদার মাঝে ডান পা খাড়া রেখে বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসা।
১০। তিন ও চার রাক’আত বিশিষ্ট সলাতের শেষ বৈঠকে তাওয়াররুক করা। তাওয়াররুকের নিয়ম হল, বাম পাকে ডান পায়ের নলীর নিচে রাখা অত:পর ডান পায়ের পাতা খাড়া রেখে নিতম্বের উপর বসা।
১১। প্রথম ও দ্বিতীয় বৈঠকে তাশাহুদের বসে শুরু থেকে শেষপর্যন্ত শাহাদত আঙ্গুলী দ্বারা ইঙ্গিত করা ও দু’আর সময় নড়ানো।
১২। প্রথম বৈঠকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার পরিবারের উপর এবং ইব্রাহীম ও ইব্রাহীম আলাইহিস সলাতু ওয়াস সালামের পরিবারের উপর সলাত ও বরকত বর্ষণ করা। অর্থাৎ দুরুদে ইবরাহীম পাঠ করা।
১৩। শেষ বৈঠকে দু’আ করা।
১৪। ফজরের সলাতে, জুমু’আর সলাতে, দুই ঈদের সলাতে, বৃষ্টি প্রার্থনার সলাতে এবং মাগরিব ও এশার সলাতের প্রথম দু’ রাক’আতে উচ্চ স্বরে কিরাত পড়া।
১৫। জহর, আসর ও মাগরিবের তৃতীয় রাক’আতে এবং এশার সলাতের শেষ দুই রাক’আতে অনুচ্চ স্বরে কিরাত পড়া।
১৬। সূরা ফাতিহা ছাড়া কুরআনের অন্য স্থান থেকে পাঠ করা।
সলাতের যে সুন্নাতগুলো আমরা উল্লেখ করেছি তা ছাড়াও হাদীসে বর্ণিত অন্যান্য সুন্নাতগুলো প্রতি লক্ষ্য রাখা। যেমনঃ ইমাম, মুক্তাদী ও একা একা সলাত আদায়কারীর রুকু’ হতে উঠে রব্বানা ওয়া লাকাল হামদু এর অতিরিক্ত পাঠ করা। এটি সুন্নাত। আরও তার (সলাতের সুন্নাতের) অন্তর্ভূক্ত হল: রুকু’র সময় হস্তদ্বয়ের অঙ্গুলিগুলো প্রসারিত অবস্থায় হাটুদ্বয়ের উপর রাখা।
১। প্রারম্ভিক জিকির">দু’আ (ছানা) পাঠ করা।
২। ডান হাতকে বাম হাতের উপর করে দণ্ডায়মান অবস্থায় রুকুর পূর্বে ও পরে বুকের উপর রাখা।
৩। দু’হাতের আঙ্গুল মিলিত ও দণ্ডয়মান অবস্থায় অবস্থায় কাধঁ বা দু’কানের লতি পর্যন্ত উত্তলন করা তাকবীরাতুল ইহরামের সময়, রুকু’ করার সময়, রুকু’হতে উঠার সময় ও প্রথম বৈঠক হতে তৃতীয় রাকা’আতের জন্যে দাঁড়ানের সময়।
৪। রুকু’ ও সিজাদার তাসবীহ একের অধিক পাঠ করা।
৫। দুই সিজদার মাঝে মাগফিরাতের দু’আ একবারে অধিক পাঠ করা।
৬। রুকু'তে মাথাকে পিঠের বরাবর রাখা।
৭। সিজদা রত অবস্থায় বাহুদ্বয়কে পার্শদ্বয় হতে, পেটকে উরুদ্বয় হতে ও উরুদ্বয়কে পায়ের নলীদ্বয় হতে দূরে রাখা।
৮। সিজদার সময় জমিন হতে হস্তদ্বয়কে উঁচু রাখা।
৯। প্রথম বৈঠকে ও দুই সিজাদার মাঝে ডান পা খাড়া রেখে বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসা।
১০। তিন ও চার রাক’আত বিশিষ্ট সলাতের শেষ বৈঠকে তাওয়াররুক করা। তাওয়াররুকের নিয়ম হল, বাম পাকে ডান পায়ের নলীর নিচে রাখা অত:পর ডান পায়ের পাতা খাড়া রেখে নিতম্বের উপর বসা।
১১। প্রথম ও দ্বিতীয় বৈঠকে তাশাহুদের বসে শুরু থেকে শেষপর্যন্ত শাহাদত আঙ্গুলী দ্বারা ইঙ্গিত করা ও দু’আর সময় নড়ানো।
১২। প্রথম বৈঠকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার পরিবারের উপর এবং ইব্রাহীম ও ইব্রাহীম আলাইহিস সলাতু ওয়াস সালামের পরিবারের উপর সলাত ও বরকত বর্ষণ করা। অর্থাৎ দুরুদে ইবরাহীম পাঠ করা।
১৩। শেষ বৈঠকে দু’আ করা।
১৪। ফজরের সলাতে, জুমু’আর সলাতে, দুই ঈদের সলাতে, বৃষ্টি প্রার্থনার সলাতে এবং মাগরিব ও এশার সলাতের প্রথম দু’ রাক’আতে উচ্চ স্বরে কিরাত পড়া।
১৫। জহর, আসর ও মাগরিবের তৃতীয় রাক’আতে এবং এশার সলাতের শেষ দুই রাক’আতে অনুচ্চ স্বরে কিরাত পড়া।
১৬। সূরা ফাতিহা ছাড়া কুরআনের অন্য স্থান থেকে পাঠ করা।
সলাতের যে সুন্নাতগুলো আমরা উল্লেখ করেছি তা ছাড়াও হাদীসে বর্ণিত অন্যান্য সুন্নাতগুলো প্রতি লক্ষ্য রাখা। যেমনঃ ইমাম, মুক্তাদী ও একা একা সলাত আদায়কারীর রুকু’ হতে উঠে রব্বানা ওয়া লাকাল হামদু এর অতিরিক্ত পাঠ করা। এটি সুন্নাত। আরও তার (সলাতের সুন্নাতের) অন্তর্ভূক্ত হল: রুকু’র সময় হস্তদ্বয়ের অঙ্গুলিগুলো প্রসারিত অবস্থায় হাটুদ্বয়ের উপর রাখা।