hadith book logo

সঠিক আকীদা-বিশ্বাস ও যা এর পরিপন্থী

লেখকঃ শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৭

চতুর্থ নীতি: রাসূলগণের ওপর ঈমান

আল্লাহর প্রেরিত রাসূলগণের ওপরও ব্যাপক ও বিশদভাবে ঈমান স্থাপন করতে হবে। সুতরাং আমরা ঈমান রাখি যে, আল্লাহ তা‘আলা আপন বান্দাদের প্রতি তাদের মধ্যে বহু সংখ্যক রাসূল- শুভসংবাদবাহী, ভীতি প্রদর্শনকারী ও সত্যের পানে আহ্বায়করূপে প্রেরণ করেছেন। যে ব্যক্তি তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে সে সৌভাগ্যের পরশ লাভ করেছে, আর যে তাদের বিরোধিতা করেছে সে হত্যাশা ও অনুশোচনার শিকারে নিপতিত হয়েছে।

রাসূলগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ হলেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আল্লাহ বলেন,

﴿وَلَقَدۡ بَعَثۡنَا فِي كُلِّ أُمَّةٖ رَّسُولًا أَنِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ وَٱجۡتَنِبُواْ ٱلطَّٰغُوتَۖ﴾ [ النحل :36]

“প্রত্যেক জাতির প্রতি আমরা রাসূল পাঠিয়েছি এই আদেশ সহকারে যে, তোমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাগুতের (শয়তান বা শয়তানী শক্তির) ইবাদত থেকে দূরে থাক”। [সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৩৬]

আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,

﴿رُّسُلٗا مُّبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ لِئَلَّا يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَى ٱللَّهِ حُجَّةُۢ بَعۡدَ ٱلرُّسُلِۚ﴾ [ النساء : 165]

“আমি তাদর সবাইকে শুভসংবাদবাহী ও সতর্ককারী রাসূল হিসেবে প্রেবণ করেছি যাতে এ রাসূলগণের আগমণের পর মানুষের পক্ষে আল্লাহর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকে”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৬৫]

আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন,

﴿مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَآ أَحَدٖ مِّن رِّجَالِكُمۡ وَلَٰكِن رَّسُولَ ٱللَّهِ وَخَاتَمَ ٱلنَّبِيِّ‍ۧنَۗ﴾ [ الأحزاب :40]

“মুহাম্মাদ তোমাদের পুরুষদের মধ্যে কারো পিতা নন বরং তিনি তো আল্লাহর রাসূল ও সর্বশেষ নবী”। [সূরা আল-আহ্‌যাব, আয়াত: ৪০]

ঐ সমস্ত নবী–রাসূলগণেরে মধ্যে আল্লাহ যাদের নাম উল্লেখ করেছেন বা যাদের নাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত হয়েছে তাদের প্রতি আমরা বিশদভাবে ও নির্দিষ্ট করে ঈমান স্থাপন করি। যেমন, নূহ, হূদ, সালেহ, ইবরাহীম ও অন্যান্য রাসূলগণ। আল্লাহ তাদের সকলের ওপর, তাদের পরিবারবর্গ ও অনুসারীদের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।