১
কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে মসজিদের ফযিলত, বিধি-বিধান ও আদাব
লেখকঃ ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
প্রথম পরিচ্ছেদ : মসজিদের অর্থ
যদি মসজিদ শব্দটি দ্বারা উদ্দেশ্য পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়ের জন্য নির্মিত বিশেষ স্থান হয়, তাহলে এর বহুবচন مساجد মাসাজেদ। আর যদি মসজিদ দ্বারা উদ্দেশ্য কপাল রাখার স্থান হয়, তাহলে শব্দটির জিম যবর বিশিষ্ট হবে, অর্থাৎ সেজদা করার স্থান [দেখুন: আল্লামা ইবনে মানজুর, লিসানুল আরব, দাল অধ্যায়, মিম পরিচ্ছেদ, ২০৪-২০৪/৩; আল্লামা সানআনী, সুবুলুস সালাম, ১৭৯/২।]
মোটকথা, মসজিদ শব্দের আভিধানিক অর্থ: সেজদা করার স্থান। পরবর্তীতে এ শব্দের অর্থ ব্যাপকতা লাভ করে এর অর্থ হয়, ঐ ঘর যে ঘরকে মুসলিমদের সালাত আদায় করার উদ্দেশ্যে একত্র হওয়ার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে।
আল্লামা যরকশি রাহিমাহুল্লাহু বলেন, সালাতের কর্মসমূহের মধ্য হতে সেজদা আল্লাহর নৈকট্য লাভের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্ম হওয়াতে সালাত আদায়ের স্থানের নামকে সেজদা থেকেই নেয়া হয়েছে। এ কারণেই মসজিদকে মসজিদ مسجد বলা হয়ে থাকে মারকা مركع বলা হয় না। তারপর বর্তমানে মসজিদ শব্দটি সালাতের জন্য নির্মিত স্থানের সাথেই খাস। এ কারণেই লোকেরা ঈদের সময় সালাত আদায়ের জন্য ঈদ গাহে একত্র হয়; কিন্তু তাকে মসজিদ বলে না [ই’লামুস সাজেদ বি-আহকামিল মাসাজেদ, পৃ: ২৭-২৮। আরও দেখুন : কাজী ’ইয়াজ, মাশারেকুল আনওয়ার, ২০৭/২; আল-আসফাহানী, মুফরাদাতু আলফাযিল কুরআন, পৃ: ৩৯৭; মোল্লা আলী কারী, মিকাতুল মাফাতিহ শারহে মিশকাতু মাসাবিহ, ১২/১০; আত-তিবী, শারহে মিশকাতুল মাসাবিহ, ৩৬৩৫/১১।]
মোটকথা, মসজিদ শব্দের আভিধানিক অর্থ: সেজদা করার স্থান। পরবর্তীতে এ শব্দের অর্থ ব্যাপকতা লাভ করে এর অর্থ হয়, ঐ ঘর যে ঘরকে মুসলিমদের সালাত আদায় করার উদ্দেশ্যে একত্র হওয়ার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে।
আল্লামা যরকশি রাহিমাহুল্লাহু বলেন, সালাতের কর্মসমূহের মধ্য হতে সেজদা আল্লাহর নৈকট্য লাভের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্ম হওয়াতে সালাত আদায়ের স্থানের নামকে সেজদা থেকেই নেয়া হয়েছে। এ কারণেই মসজিদকে মসজিদ مسجد বলা হয়ে থাকে মারকা مركع বলা হয় না। তারপর বর্তমানে মসজিদ শব্দটি সালাতের জন্য নির্মিত স্থানের সাথেই খাস। এ কারণেই লোকেরা ঈদের সময় সালাত আদায়ের জন্য ঈদ গাহে একত্র হয়; কিন্তু তাকে মসজিদ বলে না [ই’লামুস সাজেদ বি-আহকামিল মাসাজেদ, পৃ: ২৭-২৮। আরও দেখুন : কাজী ’ইয়াজ, মাশারেকুল আনওয়ার, ২০৭/২; আল-আসফাহানী, মুফরাদাতু আলফাযিল কুরআন, পৃ: ৩৯৭; মোল্লা আলী কারী, মিকাতুল মাফাতিহ শারহে মিশকাতু মাসাবিহ, ১২/১০; আত-তিবী, শারহে মিশকাতুল মাসাবিহ, ৩৬৩৫/১১।]