১
কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে মসজিদের ফযিলত, বিধি-বিধান ও আদাব
লেখকঃ ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
চতুর্থ পরিচ্ছেদ : তিনটি মসজিদের পর সর্বোত্তম মসজিদ হল, মসজিদে কুবা
এর পক্ষে প্রমাণ হলো : আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হাদীস। তিনি বলেন,
« كان النبي صلى الله عليه و سلم يأتي مسجد قباء كل سبتٍ ماشياً وراكباً » وكان عبد الله بن عمر يفعله » .
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি সপ্তাহে একদিন মসজিদে কুবায় পায়ে হেঁটে বা আরোহণ করে উপস্থিত হতেন। আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুকরণ করতেন। মুসলিমের বর্ণনায় হাদিসটি এ শব্দে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كان رسول الله صلى الله عليه و سلم يأتي مسجد قباء، راكباً، وماشياً، فيصلي فيه ركعتين »
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে কুবায় পায়ে হেঁটে ও আরোহণ করে উপস্থিত হতেন এবং তাতে তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন”। [মুত্তাফাকুন আলাইহ : সহীহ বুখারি, মক্কা ও মদীনায় সালাত আদায় করা অধ্যায়, পরিচ্ছেদ, প্রতি শনিবার মসজিদে কুবাতে আগমনের ফযিলত, হাদিস নং ১১৯৩; সহীহ মুসলিম, কিতাবুল হজ, পরিচ্ছেদ : মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় করা ও মসজিদে কুবার ফযিলত, হাদীস- ১৩৯৯।] সাহাল বিন হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«من تطهّر في بيته، ثم أتى مسجد قباء فصلى فيه صلاة كان له كأجر عمرة »
“যে ব্যক্তি স্বীয় গৃহে পবিত্রতা অর্জন করল, অত:পর মসজিদে কুবাতে উপস্থিত হয়ে [দুই রাকাত] সালাত আদায় করল, তার জন্য ওমরা করার সাওয়াব মিলবে। [সুনান নাসায়ী, কিতাবুল মাসাজিদ, মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় করার ফযিলত, হাদিস নং ৭০০, সুনান ইবনু মাযা: ১৪১২, আর শায়খ আলবানী একে সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহ সুনান আন-নাসাঈ ১৫০/১০; সহীহ ইবনে মাযা, ২৩৭/৭।] উসাইদ বিন যুহাইর আল আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন,
«الصلاة في مسجد قباءٍ كعُمرة »
“মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় করা ওমরা আদায় করার সমান”। [সুনান আত- তিরমিযি, কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় প্রসঙ্গে। হাদিস নং ৩২৪; সুনান ইবনু মাযা, সালাত কায়েম করা অধ্যায়, মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় বিষয়ে আলোচনা, হাদিস নং ১৪১১। আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে সহীহ সুনান আত-তিরমিযিতে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন ১০৪/১; সহীহ সুনান ইবনে মাযা; ২৩৭/১।] এ সাওয়াব তার জন্য যে মসজিদে কুবার উদ্দেশ্যে সফর করে নাই বরং সে শুধু মদিনা হতে গিয়ে মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় করে অথবা সে মদিনার মসজিদের উদ্দেশে সফর করেছে এবং সেখান থেকে মসজিদে কুবা যিয়ারত করতে গিয়েছে এবং তাতে সালাত আদায় করেছে। অন্যথায় তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের যিয়ারত করার উদ্দেশ্যে সফর করা জায়েজ নাই। যেমনটি পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।
« كان النبي صلى الله عليه و سلم يأتي مسجد قباء كل سبتٍ ماشياً وراكباً » وكان عبد الله بن عمر يفعله » .
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি সপ্তাহে একদিন মসজিদে কুবায় পায়ে হেঁটে বা আরোহণ করে উপস্থিত হতেন। আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুকরণ করতেন। মুসলিমের বর্ণনায় হাদিসটি এ শব্দে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كان رسول الله صلى الله عليه و سلم يأتي مسجد قباء، راكباً، وماشياً، فيصلي فيه ركعتين »
“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে কুবায় পায়ে হেঁটে ও আরোহণ করে উপস্থিত হতেন এবং তাতে তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন”। [মুত্তাফাকুন আলাইহ : সহীহ বুখারি, মক্কা ও মদীনায় সালাত আদায় করা অধ্যায়, পরিচ্ছেদ, প্রতি শনিবার মসজিদে কুবাতে আগমনের ফযিলত, হাদিস নং ১১৯৩; সহীহ মুসলিম, কিতাবুল হজ, পরিচ্ছেদ : মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় করা ও মসজিদে কুবার ফযিলত, হাদীস- ১৩৯৯।] সাহাল বিন হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«من تطهّر في بيته، ثم أتى مسجد قباء فصلى فيه صلاة كان له كأجر عمرة »
“যে ব্যক্তি স্বীয় গৃহে পবিত্রতা অর্জন করল, অত:পর মসজিদে কুবাতে উপস্থিত হয়ে [দুই রাকাত] সালাত আদায় করল, তার জন্য ওমরা করার সাওয়াব মিলবে। [সুনান নাসায়ী, কিতাবুল মাসাজিদ, মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় করার ফযিলত, হাদিস নং ৭০০, সুনান ইবনু মাযা: ১৪১২, আর শায়খ আলবানী একে সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহ সুনান আন-নাসাঈ ১৫০/১০; সহীহ ইবনে মাযা, ২৩৭/৭।] উসাইদ বিন যুহাইর আল আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন,
«الصلاة في مسجد قباءٍ كعُمرة »
“মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় করা ওমরা আদায় করার সমান”। [সুনান আত- তিরমিযি, কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় প্রসঙ্গে। হাদিস নং ৩২৪; সুনান ইবনু মাযা, সালাত কায়েম করা অধ্যায়, মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় বিষয়ে আলোচনা, হাদিস নং ১৪১১। আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে সহীহ সুনান আত-তিরমিযিতে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন ১০৪/১; সহীহ সুনান ইবনে মাযা; ২৩৭/১।] এ সাওয়াব তার জন্য যে মসজিদে কুবার উদ্দেশ্যে সফর করে নাই বরং সে শুধু মদিনা হতে গিয়ে মসজিদে কুবাতে সালাত আদায় করে অথবা সে মদিনার মসজিদের উদ্দেশে সফর করেছে এবং সেখান থেকে মসজিদে কুবা যিয়ারত করতে গিয়েছে এবং তাতে সালাত আদায় করেছে। অন্যথায় তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের যিয়ারত করার উদ্দেশ্যে সফর করা জায়েজ নাই। যেমনটি পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।