১
মসজিদে গমন শিষ্টাচার ও প্রভাব
লেখকঃ সালেহ ইবন হামেদ আর-রিফা‘ঈ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
৫. মসজিদে বসার ফযীলত
মানুষের সাথে বেহুদা [প্রয়োজন ব্যতীত মোবাইলে কথা বলা। বরং ব্যবহার কারীর উচিৎ হলো মসজিদে প্রবেশের পূর্বে তা বন্ধ করা। কেননা এটা সালাতে মুসল্লীদের বিরক্তির কারণ।] কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। আর জেনে রাখুন যে, সালাতের অপেক্ষায় মসজিদে আপনার বসে থাকার অর্থই হচ্ছে আপনি সালাতের মধ্যেই আছেন। অর্থাৎ আপনার জন্য রয়েছে তেমনি প্রতিদান ও সওয়াব যেমনিভাবে আপনি সালাতে দাঁড়ালে সাওয়াব ও প্রতিদান রয়েছে। আর ফিরিশতারা আপনার জন্য দো‘আ করতে থাকেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«الملائكة تصلي على أحدكم ما دام في مصلاه ما لم يُحدث : اللهم اغفر له، اللهم ارحمْه . لا يزال أحدكم في صلاة ما دامت الصلاة تحبسه، لا يمنعه أن ينقلب إلى أهله إلا الصلاة»
“ফিরিশতাফিরিশতাগণ তোমাদের কারও ওপরসালাত পাঠ করেন, যতক্ষণ সে পবিত্র অবস্থায় সালাতের স্থানে অবস্থান করতে থাকে। (তারা এই বলে দো‘আ করে) হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা কর, তার প্রতি দয়া করো। তোমাদের কেউ সালাতেই আছে বিবেচিত হবে যতক্ষণ সালাতের কারণে আটকে থাকে আর সালাত ব্যতীত কোনো কিছুই তাকে তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে বাধা না দেয়”।[ইমাম বুখারী (রাহ.) বর্ণনা করেছেন।] [সহীহ বুখারী (২/১৪২), হাদীস নং ৬৫৯।]
অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে: ‘‘যতক্ষণ অন্য কাউকে কষ্ট না দেয় ” [সহীহ বুখারী (১/৫৬৪), হাদীস নং ৪৭৭।]
যদি কোনো মানুষ এ অর্থগুলো অনুধাবন করত তাহলে অবশ্যই তার অন্তর ঈমান দ্বারা পরিপূর্ণ হতো। আর তার জিহ্বা আল্লাহর হামদ বর্ণনা ও তার ইহসান ও দয়ার বদৌলতে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করত। আর তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ মহান আল্লাহর সামনে লজ্জায় অবশ্যই অবনত হতো যে তার থেকে মহান আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন এমন কোনো কিছু প্রকাশ পেতো না।
«الملائكة تصلي على أحدكم ما دام في مصلاه ما لم يُحدث : اللهم اغفر له، اللهم ارحمْه . لا يزال أحدكم في صلاة ما دامت الصلاة تحبسه، لا يمنعه أن ينقلب إلى أهله إلا الصلاة»
“ফিরিশতাফিরিশতাগণ তোমাদের কারও ওপরসালাত পাঠ করেন, যতক্ষণ সে পবিত্র অবস্থায় সালাতের স্থানে অবস্থান করতে থাকে। (তারা এই বলে দো‘আ করে) হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা কর, তার প্রতি দয়া করো। তোমাদের কেউ সালাতেই আছে বিবেচিত হবে যতক্ষণ সালাতের কারণে আটকে থাকে আর সালাত ব্যতীত কোনো কিছুই তাকে তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে বাধা না দেয়”।[ইমাম বুখারী (রাহ.) বর্ণনা করেছেন।] [সহীহ বুখারী (২/১৪২), হাদীস নং ৬৫৯।]
অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে: ‘‘যতক্ষণ অন্য কাউকে কষ্ট না দেয় ” [সহীহ বুখারী (১/৫৬৪), হাদীস নং ৪৭৭।]
যদি কোনো মানুষ এ অর্থগুলো অনুধাবন করত তাহলে অবশ্যই তার অন্তর ঈমান দ্বারা পরিপূর্ণ হতো। আর তার জিহ্বা আল্লাহর হামদ বর্ণনা ও তার ইহসান ও দয়ার বদৌলতে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করত। আর তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ মহান আল্লাহর সামনে লজ্জায় অবশ্যই অবনত হতো যে তার থেকে মহান আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন এমন কোনো কিছু প্রকাশ পেতো না।