১
মসজিদে গমন শিষ্টাচার ও প্রভাব
লেখকঃ সালেহ ইবন হামেদ আর-রিফা‘ঈ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
২. শরীর ও কাপড় পরিচ্চন্ন রাখার ব্যাপারে উৎসাহদান
শরীর ও পরিধেয় বস্ত্রের পবিত্রতার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া। এ ব্যাপারে মূল বক্তব্য হলো, আল্লাহ তা‘আলার বাণী,
﴿يَٰبَنِيٓ ءَادَمَ خُذُواْ زِينَتَكُمۡ عِندَ كُلِّ مَسۡجِدٖ وَكُلُواْ وَٱشۡرَبُواْ وَلَا تُسۡرِفُوٓاْۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلۡمُسۡرِفِينَ ٣١﴾ [ الاعراف : ٣١ ]
“হে আদম সন্তানেরা! তোমাদের বেশভূষা গ্রহণ করো প্রত্যেক সাজদাহস্থলে, আর খাও ও পান করো কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয় তিনি অপব্যয়কারীদের পছন্দ করেন না। [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৩১]
ইবন কাসীর রহ. বলেন, ‘‘এ আয়াত এবং রাসূলের সুন্নাতে অনুরূপ যা এসেছে তা দ্বারা বুঝা যায় যে, সালাতের সময় সৌন্দর্য অবলম্বন মুস্তাহাব। আর বিশেষতঃ জুম‘আর দিন ও ঈদের দিন। আর সুগন্ধি গ্রহণ; কেননা তাও সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত এবং মিসওয়াক করা; কেননা এটিও সৌন্দর্যের পূর্ণতা প্রদানকারী” [তাফসীরে ইবন কাসীর, ২/২১০।]
অনুরূপভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কষ্টদায়ক দুর্গন্ধযুক্ত কিছু থেকে মসজিদসমূহকে সংরক্ষণ করার আদেশ করেছেন। তিনি বলেন,
«من أكل البصل والثوم والكرات فلا يقربن مسجدنا؛ فإن الملائكة تتأذى مما تتأذى منه بنو آدم»
“যে ব্যক্তি পিঁয়াজ ও রসুন এবং পিয়াজ জাতীয় সবজি খেয়েছে তাদের কেউ যেন আমার মসজিদের নিকটবর্তী না হয়। কেননা আদম সন্তান যাতে কষ্ট পায় ফিরিশতারাও তাতে কষ্ট পায়”। [সহীহ মুসলিম (১/৩৯৫), হাদীস নং ৫৬৪।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন যে,
«من أكل من هذه البقلة فلا يقربن مسجدنا حتى يذهب ريحها يعني الثوم»
“যে এ জাতীয় তরকারী খায় সে তার গন্ধ দুরীভূত হওয়ার আগে যেন আমাদের মসজিদসমূহের নিকটবর্তী না হয়।” অর্থাৎ রসুন। [প্রাগুক্ত (১/৩৯৫), হাদীস নং ৫৬৪।]
আর এর ওপর কিয়াস করে বলা যায় যে, প্রত্যেক কষ্টদায়ক গন্ধ যা মুসল্লীদের কষ্ট দেয়ও তার এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত, যেমন ধুমপান ও অন্যান্য।
অতএব, মুসলিমের ওপর কর্তব্য হলো, সে তার শরীর ও কাপড় পবিত্র রাখবে এবং সকল অপছন্দনীয় দুর্গন্ধ দুর করবে। বিশেষ করে ঘুম থেকে উঠার পর এবং যেসব জিনিষ দুর্গন্ধময় তা গ্রহণ ও ব্যবহার করার সময় যেমন, পেঁয়াজ ও অনুরূপ অন্যান্য। আর এগুলো দুর করতে সুগন্ধি ও মিসওয়াক ব্যবহার বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
﴿يَٰبَنِيٓ ءَادَمَ خُذُواْ زِينَتَكُمۡ عِندَ كُلِّ مَسۡجِدٖ وَكُلُواْ وَٱشۡرَبُواْ وَلَا تُسۡرِفُوٓاْۚ إِنَّهُۥ لَا يُحِبُّ ٱلۡمُسۡرِفِينَ ٣١﴾ [ الاعراف : ٣١ ]
“হে আদম সন্তানেরা! তোমাদের বেশভূষা গ্রহণ করো প্রত্যেক সাজদাহস্থলে, আর খাও ও পান করো কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয় তিনি অপব্যয়কারীদের পছন্দ করেন না। [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ৩১]
ইবন কাসীর রহ. বলেন, ‘‘এ আয়াত এবং রাসূলের সুন্নাতে অনুরূপ যা এসেছে তা দ্বারা বুঝা যায় যে, সালাতের সময় সৌন্দর্য অবলম্বন মুস্তাহাব। আর বিশেষতঃ জুম‘আর দিন ও ঈদের দিন। আর সুগন্ধি গ্রহণ; কেননা তাও সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত এবং মিসওয়াক করা; কেননা এটিও সৌন্দর্যের পূর্ণতা প্রদানকারী” [তাফসীরে ইবন কাসীর, ২/২১০।]
অনুরূপভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কষ্টদায়ক দুর্গন্ধযুক্ত কিছু থেকে মসজিদসমূহকে সংরক্ষণ করার আদেশ করেছেন। তিনি বলেন,
«من أكل البصل والثوم والكرات فلا يقربن مسجدنا؛ فإن الملائكة تتأذى مما تتأذى منه بنو آدم»
“যে ব্যক্তি পিঁয়াজ ও রসুন এবং পিয়াজ জাতীয় সবজি খেয়েছে তাদের কেউ যেন আমার মসজিদের নিকটবর্তী না হয়। কেননা আদম সন্তান যাতে কষ্ট পায় ফিরিশতারাও তাতে কষ্ট পায়”। [সহীহ মুসলিম (১/৩৯৫), হাদীস নং ৫৬৪।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন যে,
«من أكل من هذه البقلة فلا يقربن مسجدنا حتى يذهب ريحها يعني الثوم»
“যে এ জাতীয় তরকারী খায় সে তার গন্ধ দুরীভূত হওয়ার আগে যেন আমাদের মসজিদসমূহের নিকটবর্তী না হয়।” অর্থাৎ রসুন। [প্রাগুক্ত (১/৩৯৫), হাদীস নং ৫৬৪।]
আর এর ওপর কিয়াস করে বলা যায় যে, প্রত্যেক কষ্টদায়ক গন্ধ যা মুসল্লীদের কষ্ট দেয়ও তার এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত, যেমন ধুমপান ও অন্যান্য।
অতএব, মুসলিমের ওপর কর্তব্য হলো, সে তার শরীর ও কাপড় পবিত্র রাখবে এবং সকল অপছন্দনীয় দুর্গন্ধ দুর করবে। বিশেষ করে ঘুম থেকে উঠার পর এবং যেসব জিনিষ দুর্গন্ধময় তা গ্রহণ ও ব্যবহার করার সময় যেমন, পেঁয়াজ ও অনুরূপ অন্যান্য। আর এগুলো দুর করতে সুগন্ধি ও মিসওয়াক ব্যবহার বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।