১
মসজিদে গমন শিষ্টাচার ও প্রভাব
লেখকঃ সালেহ ইবন হামেদ আর-রিফা‘ঈ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
৭. প্রথম কাতারে যাওয়ার প্রতিযোগিতার শিষ্টাচার হতে
প্রিয় মুসলিম ভাই, প্রথম কাতারে সালাত আদায় করার দ্বারা ফযীলত লাভের ব্যাপারে যা তুমি জানতে পেরেছো তা যেন তোমাকে অন্যের অধিকারে সীমালঙ্ঘন করার উৎসাহি না করে। ফলে কখনো কখনো তুমি বিলম্বে এসে দ্বিতীয় কাতারে তোমার যেসব ভাই বসেছে তাদের অধিকারের প্রতি লক্ষ্য না রেখে প্রথম কাতারে লাফিয়ে পড়বে। অথচ দ্বিতীয় রাকা‘আতে যারা আছে তারা প্রথম কাতারে সালাত আদায়ের ব্যাপারে তোমার মতই অথবা আরও অধিক উৎসাহী। প্রথম কাতারে অবস্থানকৃত তোমার ভাইদের ওপর সঙ্কীর্ণ হওয়ার ভয় ব্যতীত অন্য কোনো কিছুই তাদেরকে সামনে অগ্রসর হওয়া থেকে নিষেধ করে না। নিঃসন্দেহ তোমার এ কাজ তাদেরকে কষ্ট দেয় এবং তাদের অন্তরে ঘৃণা জন্মায়। আর এজন্য তোমার ওপর প্রতিদানের চেয়ে অধিক অপরাধ লিপিবদ্ধ করা হবে।”
তোমার সাথে অন্য কেউ এরূপ করলে তা কেমন হতো -এ ব্যাপারে তুলনা করে দেখো। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«لا يؤمن أحدكم حتى يحب لأخيه ما يحب لنفسه» .
‘‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে তা অপরের জন্য পছন্দ করবে”। [ইমাম বুখারী রহ. এটি বর্ণনা করেছেন।] [সহীহ বুখারী (১/৫৭), হাদীস নং ১৩।]
আর মানুষের মধ্যে এমন কিছু মানুষ আছে যারা কাতারে আসে এবং তা এমন পরিপূর্ণ যে সেখানে কোনো ফাঁকা স্থান নেই। অতঃপর সে জোর করে প্রবেশ করে, ফলে সে ডান ও বাম দিকের মুসল্লীদের কষ্ট দেয় এবং তাদেরকে সংকীর্ণ করে এবং তাদের সালাতের খুশু‘ নষ্ট করে দেয়।
অতএব, ভালো কাজে উৎসাহি মুসলিমের উচিৎ হলো এসব কাজ থেকে বিরত থাকা যাতে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে তার ও অন্যের ক্ষতি সাধিত হয়।
তোমার সাথে অন্য কেউ এরূপ করলে তা কেমন হতো -এ ব্যাপারে তুলনা করে দেখো। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«لا يؤمن أحدكم حتى يحب لأخيه ما يحب لنفسه» .
‘‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ না সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে তা অপরের জন্য পছন্দ করবে”। [ইমাম বুখারী রহ. এটি বর্ণনা করেছেন।] [সহীহ বুখারী (১/৫৭), হাদীস নং ১৩।]
আর মানুষের মধ্যে এমন কিছু মানুষ আছে যারা কাতারে আসে এবং তা এমন পরিপূর্ণ যে সেখানে কোনো ফাঁকা স্থান নেই। অতঃপর সে জোর করে প্রবেশ করে, ফলে সে ডান ও বাম দিকের মুসল্লীদের কষ্ট দেয় এবং তাদেরকে সংকীর্ণ করে এবং তাদের সালাতের খুশু‘ নষ্ট করে দেয়।
অতএব, ভালো কাজে উৎসাহি মুসলিমের উচিৎ হলো এসব কাজ থেকে বিরত থাকা যাতে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে তার ও অন্যের ক্ষতি সাধিত হয়।