১
হিল্লা বিয়ে
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
এক. ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস :
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ : " لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُحِلَّ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ ". قَالَ أَبُو عِيسَى : هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
ইব্ন মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিল্লাকারী এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে লানত করেছেন।” ইমাম তিরমিজি রাহিমাহুল্লাহ বলেন : এ হাদিসটি হাসান সহিহ। তিনি আরো বলেন : এ হাদিসটি একাধিক সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করা হয়েছে, এ হাদিস মোতাবেকই আহলে ইলমদের আমল, যেমন ওমর ইব্ন খাত্তাব রাদিআল্লাহু আনহু, উসমান ইব্ন আফ্ফান রাদিআল্লাহু আনহু ও আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর রাদিআল্লাহু আনহু প্রমূখ ও অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম। সাহাবাদের পরবর্তী যুগের ফুকাহায়ে কেরাম তথা তাবেয়িগণও এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম সুফিয়ান সাওরি রাহিমাহুল্লাহ, ইব্নুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহ, শাফেয়ি রাহিমাহুল্লাহ, আহমদ ইব্ন হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ ও ইসহাক রাহিমাহুল্লাহ প্রমূখদেরও অনুরূপ অভিমত। ইমাম তিরমিজি রাহিমাহুল্লাহ বলেন : আমি জারুদ ইব্ন ‘মুআজ’-কে ইমাম ‘ওয়াকি’ থেকে বর্ণনা করতে শোনেছি, তিনিও অনুরূপ বলেছেন, তিনি বলেছেন : এ হাদিসের ফলে যুক্তিবাদীদের কথা বাইরে নিক্ষেপ করা উচিত। ‘জারুদ’ বলেন : ‘ওয়াকি’ বলেছেন : আর সুফিয়ান রাহিমাহুল্লাহ বলেন : যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীকে হিল্লা করার নিয়তে বিয়ে করে, অতঃপর তাকে স্থায়ীভাবে নিজের কাছেই রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তার জন্য তাকে রাখা বৈধ হবে না, যতক্ষণ না তাকে নতুন করে বিয়ে করে”।
সূত্র : জামে তিরমিজি : (পৃ.৪২৫), হাদিস নং : (১০৩৪), প্রকাশক : দারু ইহ্ইয়াউত তুরাসিল আরাবি, বইরুত। এ হাদিসটি সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিতভাবে আরো বর্ণনা করেন ইমাম আহমদ : (৪২৮৩), (৪২৮৪), (৪৪০৩), নাসায়ি ফি সুনানিল কুবরা : (৩/৩২৫) ইব্ন আবি শায়বাহ : (৭/২৯২), দারামি : (২২৫), বায়হাকি : (৭/৩৩৯) প্রমুখগণ।
হাফেজ ইব্ন হাজার আসকালানি রাহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেন, ইব্ন মাসউদ থেকে বর্ণিত এ হাদিসটি ইব্নুল কাত্তান ও ইব্ন দাকিকিল ঈদ বুখারির শর্ত মোতাবেক সহিহ ও বিশুদ্ধ বলেছেন। “তালখিস” : (৩/৩৭২),
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ থেকে বর্ণিত এ হাদিসের আরো একটি সনদ উল্লেখ করেছেন ইমাম আহমদ : (৪৩০), শাশি : (২/২৮৬,৮৬২) আবু ইয়ালা : (৮/৫৬৮,৫০৫৪) বগভি ফি শারহিস সুন্নাহ : (৫/৭৮,২২) এবং ইসহাক ইব্ন রাহওয়েহ তার মুসনাদ গ্রন্থে। দেখুন : নসবুর রায়াহ লিয-যায়লায়ি : (৩/২৩৯), এ সনদের একজন বর্ণনাকারী আাবুল ওয়াসেল ‘মজহুল’ (অপরিচিত), তার কারণে এ সনদটি দুর্বল। দেখুন : আল-ইকমাল : (পৃ:৫৬১), হাফেজ ইব্ন হাজার ‘তাজিলিল মানফাআ’ (পৃ:৫২৭) গ্রন্থে এ সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছেন।
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ থেকে বর্ণিত এ হাদিসের আরো একটি সনদ উল্লেখ করেছেন আব্দুর রাজ্জাক তার ‘মুসান্নাফ’ : (৬/২৬৭) গ্রন্থে। এ সনদের একজন বর্ণনাকারী ‘হারেস’ এর কারণে এ হাদিসটি দুর্বল। দেখুন : “আল-মাজমা” : (৪/১১) লিল হায়সামি।
ইব্ন মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিল্লাকারী এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে লানত করেছেন।” ইমাম তিরমিজি রাহিমাহুল্লাহ বলেন : এ হাদিসটি হাসান সহিহ। তিনি আরো বলেন : এ হাদিসটি একাধিক সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করা হয়েছে, এ হাদিস মোতাবেকই আহলে ইলমদের আমল, যেমন ওমর ইব্ন খাত্তাব রাদিআল্লাহু আনহু, উসমান ইব্ন আফ্ফান রাদিআল্লাহু আনহু ও আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর রাদিআল্লাহু আনহু প্রমূখ ও অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম। সাহাবাদের পরবর্তী যুগের ফুকাহায়ে কেরাম তথা তাবেয়িগণও এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম সুফিয়ান সাওরি রাহিমাহুল্লাহ, ইব্নুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহ, শাফেয়ি রাহিমাহুল্লাহ, আহমদ ইব্ন হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ ও ইসহাক রাহিমাহুল্লাহ প্রমূখদেরও অনুরূপ অভিমত। ইমাম তিরমিজি রাহিমাহুল্লাহ বলেন : আমি জারুদ ইব্ন ‘মুআজ’-কে ইমাম ‘ওয়াকি’ থেকে বর্ণনা করতে শোনেছি, তিনিও অনুরূপ বলেছেন, তিনি বলেছেন : এ হাদিসের ফলে যুক্তিবাদীদের কথা বাইরে নিক্ষেপ করা উচিত। ‘জারুদ’ বলেন : ‘ওয়াকি’ বলেছেন : আর সুফিয়ান রাহিমাহুল্লাহ বলেন : যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীকে হিল্লা করার নিয়তে বিয়ে করে, অতঃপর তাকে স্থায়ীভাবে নিজের কাছেই রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তার জন্য তাকে রাখা বৈধ হবে না, যতক্ষণ না তাকে নতুন করে বিয়ে করে”।
সূত্র : জামে তিরমিজি : (পৃ.৪২৫), হাদিস নং : (১০৩৪), প্রকাশক : দারু ইহ্ইয়াউত তুরাসিল আরাবি, বইরুত। এ হাদিসটি সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিতভাবে আরো বর্ণনা করেন ইমাম আহমদ : (৪২৮৩), (৪২৮৪), (৪৪০৩), নাসায়ি ফি সুনানিল কুবরা : (৩/৩২৫) ইব্ন আবি শায়বাহ : (৭/২৯২), দারামি : (২২৫), বায়হাকি : (৭/৩৩৯) প্রমুখগণ।
হাফেজ ইব্ন হাজার আসকালানি রাহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেন, ইব্ন মাসউদ থেকে বর্ণিত এ হাদিসটি ইব্নুল কাত্তান ও ইব্ন দাকিকিল ঈদ বুখারির শর্ত মোতাবেক সহিহ ও বিশুদ্ধ বলেছেন। “তালখিস” : (৩/৩৭২),
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ থেকে বর্ণিত এ হাদিসের আরো একটি সনদ উল্লেখ করেছেন ইমাম আহমদ : (৪৩০), শাশি : (২/২৮৬,৮৬২) আবু ইয়ালা : (৮/৫৬৮,৫০৫৪) বগভি ফি শারহিস সুন্নাহ : (৫/৭৮,২২) এবং ইসহাক ইব্ন রাহওয়েহ তার মুসনাদ গ্রন্থে। দেখুন : নসবুর রায়াহ লিয-যায়লায়ি : (৩/২৩৯), এ সনদের একজন বর্ণনাকারী আাবুল ওয়াসেল ‘মজহুল’ (অপরিচিত), তার কারণে এ সনদটি দুর্বল। দেখুন : আল-ইকমাল : (পৃ:৫৬১), হাফেজ ইব্ন হাজার ‘তাজিলিল মানফাআ’ (পৃ:৫২৭) গ্রন্থে এ সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছেন।
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ থেকে বর্ণিত এ হাদিসের আরো একটি সনদ উল্লেখ করেছেন আব্দুর রাজ্জাক তার ‘মুসান্নাফ’ : (৬/২৬৭) গ্রন্থে। এ সনদের একজন বর্ণনাকারী ‘হারেস’ এর কারণে এ হাদিসটি দুর্বল। দেখুন : “আল-মাজমা” : (৪/১১) লিল হায়সামি।