১
সূফীবাদ কুরআন ও সুন্নাহ-এর মানদণ্ডে
লেখকঃ মুহাম্মাদ জামীল যাইনূ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
সূফীদের নিকট ওলী দ্বারা উদ্দেশ্য
অধিকাংশ মানুষের নিকট ওলী দ্বারা উদ্দেশ্য ঐ ব্যক্তি যার ক্ববরে বড় গম্বুজ থাকে অথবা যাকে মসজিদে দাফন করা হয়। আর কথিত এই ওলীর প্রতি কখনও এমন অসত্য অবান্তর কোনো কোনো কারামত জুড়িয়ে দেওয়া হয়। যাতে (সাধারণ জনগণকে ধোকা দিয়ে) তারা অন্যায়ভাবে মানুষের ধন-সম্পদ আত্মসাৎ ও ভক্ষণ করতে পারে। আর গম্বুজের চিন্তা ও বিদ‘আতী আচার-অনুষ্ঠান যা দ্রুজ নামীয় শি‘আ ফিরকা উদ্ভাবন করেছে এবং তারা নিজেদের নামকরণ করেছে ফাতেমী বলে। যাতে তারা মানুষদেরকে মসজিদ থেকে বিমূখ করতে পারে। আর ঐ সমস্ত গম্বুজ ও বিদ‘আতী আড্ডার মূলতঃ কোনো ভিত্তি নেই; বরং সবই অবান্তর ও মিথ্যা। এমন কি হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর কবরও মিসরে নই। তিনি তো ইরাকে শহীদ হয়েছিলেন। আর মসজিদে দাফন করা ইয়াহূদী ও খৃস্টানদের কাজ; যা থেকে রাসুলল্লাহ সল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন,
«لَعَنَ اللَّهُ اليَهُودَ وَالنَّصَارَى، اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسْجِدًا»
“ইয়াহূদী ও খৃস্টানদের প্রতি আল্লাহর লা‘নত। তারা তাদের নবীদের কবরসমূহকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করেছে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৩০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫২৯।]
কোনো কোনো মানুষ ধারণা করে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার মসজিদেই দাফন করা হয়েছিল। এটি একটি বড় ভ্রান্ত ও মিথ্যা কথা; কেননা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাসগৃহেই দাফনপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। উমাইয়া শাসন পূর্ব পর্যন্ত ৮০ বৎসর কালব্যাপী তাঁর কবর সেই অবস্থায়ই ছিল। অতঃপর উমাইয়া শাসকগণ প্রশস্ত করে কবরকে তাতে শামিল করে নেয়। [তবুও একটি প্রাচীর দ্বারা কবরকে মসজিদ থেকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে রাখা আছে। যাতে কেউ কবরকে মসজিদ হিসেবে গণ্য না করে। -অনুবাদক। যদিও তখনকার জীবিত আলেমগণ সেটার বিরোধিতা করেছিলেন। যেমন, প্রখ্যাত তাবে‘ঈ সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেবসহ আরও অনেকে। [সম্পাদক]]
অনেক মুসলিম তাদের মৃতদেরকে মসজিদে দাফন করে থাকেন। বিশেষতঃ কোনো পীর হলে তো আর কথা নেই। অতঃপর দীর্ঘকাল অতিবাহিত হলেই তাতে গম্বুজ তৈরি করেন এবং তার চতুর্পাশ্বে তাওয়াফ করেন। আর (এভাবেই) তারা শির্কে পতিত হয়ে যান। অথচ মহান আল্লাহ বলেন,
﴿وَأَنَّ ٱلۡمَسَٰجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدۡعُواْ مَعَ ٱللَّهِ أَحَدٗا ١٨﴾ [ الجن : ١٨ ]
“আর নিঃসন্দেহে সাজদার স্থানসমূহ কেবল আল্লাহর। অতএব, আল্লাহর সাথে আর কাউকেও ডেকো না।” [সুরা আল-জিন্ন, আয়াত: ১৮]
ইসলামের মসজিদসমূহ মৃতদের দাফনের কবরস্থান নয়; বরং সেগুলো সালাত ও এককভাবে আল্লাহর ইবাদতের জন্য। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا تُصَلوا إلى الْقُبُورِ، وَلَا تجلسوا عليهَا»
“কবরের দিকে মুখ করে তোমরা সালাত আদায় কর না এবং কবরের উপরে তোমরা বসো না।” [সহীহ মুসলিম।]
হে মুসলিম ভাই! কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করা অথবা তাতে উপবেশন থেকে সতর্ক হউন।
«لَعَنَ اللَّهُ اليَهُودَ وَالنَّصَارَى، اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسْجِدًا»
“ইয়াহূদী ও খৃস্টানদের প্রতি আল্লাহর লা‘নত। তারা তাদের নবীদের কবরসমূহকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করেছে।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৩০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫২৯।]
কোনো কোনো মানুষ ধারণা করে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার মসজিদেই দাফন করা হয়েছিল। এটি একটি বড় ভ্রান্ত ও মিথ্যা কথা; কেননা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাসগৃহেই দাফনপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। উমাইয়া শাসন পূর্ব পর্যন্ত ৮০ বৎসর কালব্যাপী তাঁর কবর সেই অবস্থায়ই ছিল। অতঃপর উমাইয়া শাসকগণ প্রশস্ত করে কবরকে তাতে শামিল করে নেয়। [তবুও একটি প্রাচীর দ্বারা কবরকে মসজিদ থেকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে রাখা আছে। যাতে কেউ কবরকে মসজিদ হিসেবে গণ্য না করে। -অনুবাদক। যদিও তখনকার জীবিত আলেমগণ সেটার বিরোধিতা করেছিলেন। যেমন, প্রখ্যাত তাবে‘ঈ সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেবসহ আরও অনেকে। [সম্পাদক]]
অনেক মুসলিম তাদের মৃতদেরকে মসজিদে দাফন করে থাকেন। বিশেষতঃ কোনো পীর হলে তো আর কথা নেই। অতঃপর দীর্ঘকাল অতিবাহিত হলেই তাতে গম্বুজ তৈরি করেন এবং তার চতুর্পাশ্বে তাওয়াফ করেন। আর (এভাবেই) তারা শির্কে পতিত হয়ে যান। অথচ মহান আল্লাহ বলেন,
﴿وَأَنَّ ٱلۡمَسَٰجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدۡعُواْ مَعَ ٱللَّهِ أَحَدٗا ١٨﴾ [ الجن : ١٨ ]
“আর নিঃসন্দেহে সাজদার স্থানসমূহ কেবল আল্লাহর। অতএব, আল্লাহর সাথে আর কাউকেও ডেকো না।” [সুরা আল-জিন্ন, আয়াত: ১৮]
ইসলামের মসজিদসমূহ মৃতদের দাফনের কবরস্থান নয়; বরং সেগুলো সালাত ও এককভাবে আল্লাহর ইবাদতের জন্য। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا تُصَلوا إلى الْقُبُورِ، وَلَا تجلسوا عليهَا»
“কবরের দিকে মুখ করে তোমরা সালাত আদায় কর না এবং কবরের উপরে তোমরা বসো না।” [সহীহ মুসলিম।]
হে মুসলিম ভাই! কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করা অথবা তাতে উপবেশন থেকে সতর্ক হউন।