সহিহ বুখারী: হাদিস ২২৮১
৩৭. ইজারা
صحيح البخاري
২/১৯ পরিচ্ছেদঃ
ইসলাম গ্রহণ যদি বিশুদ্ধ না হয় বরং বাহ্যিক আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য বা হত্যার আশংকায় হয়, তবে তার ইসলাম গ্রহণ ।
মহান আল্লাহর এ বাণী অনুযায়ী হবেঃ “আরব মরুবাসীগণ বলে, আমরা ঈমান আনলাম ; আপনি বলে দিন , “তোমরা ঈমান আন নি ; বরং তোমরা বল, ‘আমরা বাহ্যিক দৃষ্টিতে মুসলিম হয়েছি। ” (সূরা হুজ্রাত ৪৯/ ১৪)
আর ইসলাম গ্রহণ খাঁটি হলে তা হবে আল্লাহ তা’আলার এ বাণী অনুযায়ীঃ
{إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الإِسْلاَمُ}
“নিশ্চয়ই ইসলাম আল্লাহর নিকট একমাত্র দ্বীন । ” (সূরা আল-ইমরান ৩/১৯) ; “আর যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দ্বীন অন্বেষণ করবে তবে তা গৃহীত হবে না।” (সূরা আল-ইমরান ৩/৮৫)
২২৮১
সহিহ বুখারীحَدَّثَنَا آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ دَعَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم غُلاَمًا حَجَّامًا فَحَجَمَهُ وَأَمَرَ لَهُ بِصَاعٍ أَوْ صَاعَيْنِ أَوْ مُدٍّ أَوْ مُدَّيْنِ وَكَلَّمَ فِيهِ فَخُفِّفَ مِنْ ضَرِيبَتِهِ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিঙ্গা প্রয়োগকারী এক গোলামকে ডাকলেন। সে তাঁকে শিঙ্গা লাগাল। তিনি তাকে এক সা’ বা দু’ সা’ অথবা এক মুদ বা দু’ মুদ (পারিশ্রমিক) দিতে নির্দেশ দিলেন। এরপর তার ব্যাপারে (তার মালিকের সাথে) কথা বললেন, ফলে তার উপর ধার্যকৃত মাসুল কমিয়ে দেয়া হল।