hadith book logo

সহিহ বুখারী

৬৬. ফাযায়িলুল কোরআন

صحيح البخاري

৬৬/১ পরিচ্ছেদঃ

ওয়াহী কীভাবে অবতীর্ণ হয় এবং সর্বপ্রথম যা অবতীর্ণ হয়েছিল।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, (আরবি) মানে- আমীন। কুরআন পূর্ববর্তী সমস্ত আসমানী গ্রন্থের জন্য আমীন স্বরূপ।
৪৯৭৮
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
আবূ সালামাহ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন,'আয়িশা ও ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় দশ বছর অবস্থান করেন। এ সময় তাঁর প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং মাদীনাহ্‌তেও দশ বছর (তাঁর প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে)।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬০৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬১৪)
৪৯৭৯
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
عُبَيْدُ اللهِ بْنُ مُوْسَى عَنْ شَيْبَانَ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِيْ سَلَمَةَ قَالَ أَخْبَرَتْنِيْ عَائِشَةُ وَابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ قَالَا لَبِثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِمَكَّةَ عَشْرَ سِنِيْنَ يُنْزَلُ عَلَيْهِ الْقُرْآنُ وَبِالْمَدِيْنَةِ عَشْرَ سِنِيْنَ.
আবূ সালামাহ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন,'আয়িশা ও ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় দশ বছর অবস্থান করেন। এ সময় তাঁর প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং মাদীনাহ্‌তেও দশ বছর (তাঁর প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে)।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬০৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬১৪)
৪৯৮০
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
مُوْسَى بْنُ إِسْمَاعِيْلَ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ قَالَ سَمِعْتُ أَبِيْ عَنْ أَبِيْ عُثْمَانَ قَالَ أُنْبِئْتُ أَنَّ جِبْرِيْلَ أَتَى النَّبِيََ صلى الله عليه وسلم وَعِنْدَهُ أُمُّ سَلَمَةَ فَجَعَلَ يَتَحَدَّثُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِأُمِّ سَلَمَةَ مَنْ هَذَا أَوْ كَمَا قَالَ قَالَتْ هَذَا دِحْيَةُ فَلَمَّا قَامَ قَالَتْ وَاللهِ مَا حَسِبْتُهُ إِلَّا إِيَّاهُ حَتَّى سَمِعْتُ خُطْبَةَ النَّبِيِّصلى الله عليه وسلم يُخْبِرُ خَبَرَ جِبْرِيْلَ أَوْ كَمَا قَالَ قَالَ أَبِيْ قُلْتُ لِأَبِيْ عُثْمَانَ مِمَّنْ سَمِعْتَ هَذَا قَالَ مِنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ.
আবূ ‘উসমান (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে অবগত করা হয়েছে যে, একদা জিব্‌রীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আগমন করলেন। তখন উম্মু সালামাহ (রাঃ) তাঁর কাছে ছিলেন। জিবরীল (আঃ) তাঁর সাথে কথা বলতে আরম্ভ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সালামাহ (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলেন, ইনি কে? অথবা তিনি এরকম কোন কথা জিজ্ঞেস করলেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, ইনি দাহইয়া (রাঃ)। তারপর জিব্‌রীল (আঃ) উঠে দাঁড়ালেন। তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর ভাষণে জিব্‌রীল (আঃ)– এর খবর না শুনা পর্যন্ত আমি তাঁকে সে দাহইয়া (রাঃ)– ই মনে করেছি। অথবা তিনি (বর্ণনাকারী) সে রকম কোন কথা বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী মুতামির (রহঃ) বলেন, আমার পিতা (সুলাইমান) বলেছেন, আমি ‘উসমান (রহঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কার নিকট থেকে এ ঘটনা শুনেছেন? তিনি বললেন, উসামাহ ইব্‌নু যায়দের নিকট হতে।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬১৫)
৪৯৮১
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوْسُفَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ حَدَّثَنَا سَعِيْدٌ الْمَقْبُرِيُّ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ النَّبِيُّصلى الله عليه وسلم مَا مِنَ الْأَنْبِيَاءِ نَبِيٌّ إِلَّا أُعْطِيَ مَا مِثْلهُ آمَنَ عَلَيْهِ الْبَشَرُ وَإِنَّمَا كَانَ الَّذِيْ أُوْتِيْتُ وَحْيًا أَوْحَاهُ اللهُ إِلَيَّ فَأَرْجُوْ أَنْ أَكُوْنَ أَكْثَرَهُمْ تَابِعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, প্রত্যেক নবীকে তাঁর যুগের প্রয়োজন মুতাবিক কিছু মুজিযা ‎দান করা হয়েছে, যা দেখে লোকেরা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছে। আমাকে যে মুজিযা দেয়া হয়েছে তা হচ্ছে, ওয়াহী- যা আল্লাহ্‌ আমার ‎প্রতি অবতীর্ণ করেছেন। কাজেই আমি আশা করি, ক্বিয়ামাতের দিন তাদের অনুসারীদের অনুপাতে আমার অনুসারীদের সংখ্যা অনেক ‎অধিক হবে।[৭২৭৪; মুসলিম ১/৭০, হাঃ ১৫২, আহমাদ ৮৪৯৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬১৬)
৪৯৮২
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
عَمْرُوْ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا يَعْقُوْبُ بْنُ إِبْرَاهِيْمَ حَدَّثَنَا أَبِيْ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِيْ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ اللهَ تَعَالَى تَابَعَ عَلَى رَسُوْلِهِ صلى الله عليه وسلم الْوَحْيَ قَبْلَ وَفَاتِهِ حَتَّى تَوَفَّاهُ أَكْثَرَ مَا كَانَ الْوَحْيُ ثُمَّ تُوُفِّيَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدُ.
আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর প্রতি ক্রমাগত ওয়াহী অবতীর্ণ করতে থাকেন এবং তাঁর ইন্তিকালের নিকটবর্তী সময়ে আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর প্রতি সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ওয়াহী অবতীর্ণ করেন। এরপর তাঁর ওফাত হয়। [মুসলিম ৫৪/হাঃ ৩০১৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬১৭)
৪৯৮৩
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
أَبُوْ نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ قَالَ سَمِعْتُ جُنْدَبًا يَقُوْلُ اشْتَكَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يَقُمْ لَيْلَةً أَوْ لَيْلَتَيْنِ فَأَتَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ يَا مُحَمَّدُ مَا أُرَى شَيْطَانَكَ إِلَّا قَدْ تَرَكَكَ فَأَنْزَلَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ{وَالضُّحٰى لا (1) وَاللَّيْلِ إِذَا سَجٰى لا (2) مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلٰى}.
জুনদুব (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হলেন। ফলে এক কি দু’রাত তিনি উঠতে পারেন নি। এক মহিলা তাঁর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আমার মনে হয়, তোমার শয়তান তোমাকে ত্যাগ করেছে। তখন আল্লাহ্‌ অবতীর্ণ করলেন, “শপথ পূর্বাহ্ণের, শপথ রাতের, যখন তা হয় নিঝুম। তোমার প্রতিপালক তোমাকে পরিত্যাগ করেননি এবং তোমার প্রতি বিরূপও হননি।”(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬১৮)
৬৬/২ পরিচ্ছেদঃ

কুরআন কুরায়শ এবং আরবদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে।

যেমন আল্লাহ্‌ বলেছেনঃ “সরল ও সুস্পষ্ট আরবী ভাষায় আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি।” (সূরাহ শু’আরা ২৬/১৯৫) (সূরাহ ত্বাহা ২০/১১৩)
৪৯৮৪
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
أَبُو الْيَمَانِ حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ وَأَخْبَرَنِيْ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ قَالَ فَأَمَرَ عُثْمَانُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ وَسَعِيْدَ بْنَ الْعَاصِ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ الزُّبَيْرِ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ أَنْ يَنْسَخُوْهَا فِي الْمَصَاحِفِ وَقَالَ لَهُمْ إِذَااخْتَلَفْتُمْ أَنْتُمْ وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ فِيْ عَرَبِيَّةٍ مِنْ عَرَبِيَّةِ الْقُرْآنِ فَاكْتُبُوْهَا بِلِسَانِ قُرَيْشٍ فَإِنَّ الْقُرْآنَ أُنْزِلَ بِلِسَانِهِمْ فَفَعَلُوْا.
আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ‘উসমান (রাঃ) যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ), সা’ঈদ ইব্‌নুল ‘আস (রাঃ), ‘আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) এবং ‘আবদুর রহমান ইব্‌নু হারিস ইব্‌নু হিশাম (রাঃ)– কে পবিত্র কুরআন গ্রন্থাগারে লিপিবদ্ধ করার জন্য আদেশ দিলেন এবং তাদেরকে বললেন, আল কুরআনের কোন শব্দের আরাবী হওয়ার ব্যাপারে যায়দ ইবনু সাবিতের সঙ্গে তোমাদের মতভেদ দেখা দিলে তোমরা তা কুরাইশদের ভাষায় লিপিবদ্ধ করবে। কারণ, কুরআন তাদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে। অতএব তাঁরা তা-ই করলেন।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬১৯)
৪৯৮৫
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
أَبُوْ نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا عَطَاءٌ وَقَالَ مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيْدٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِيْ عَطَاءٌ قَالَ أَخْبَرَنِيْ صَفْوَانُ بْنُ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ أَنَّ يَعْلَى كَانَ يَقُوْلُ لَيْتَنِيْ أَرَى رَسُوْلَ اللهِصلى الله عليه وسلم حِيْنَ يُنْزَلُ عَلَيْهِ الْوَحْيُ فَلَمَّا كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالْجِعْرَانَةِ عَلَيْهِ ثَوْبٌ قَدْ أَظَلَّ عَلَيْهِ وَمَعَهُ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ إِذْ جَاءَهُ رَجُلٌ مُتَضَمِّخٌ بِطِيْبٍ فَقَالَ يَا رَسُوْلَ اللهِ كَيْفَ تَرَى فِيْ رَجُلٍ أَحْرَمَ فِيْ جُبَّةٍ بَعْدَ مَا تَضَمَّخَ بِطِيْبٍ فَنَظَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سَاعَةً فَجَاءَهُ الْوَحْيُ فَأَشَارَ عُمَرُ إِلَى يَعْلَى أَنْ تَعَالَ فَجَاءَ يَعْلَى فَأَدْخَلَ رَأْسَهُ فَإِذَا هُوَ مُحْمَرُّ الْوَجْهِ يَغِطُّ كَذَلِكَ سَاعَةً ثُمَّ سُرِّيَ عَنْهُ فَقَالَ أَيْنَ الَّذِيْ يَسْأَلُنِيْ عَنِ الْعُمْرَةِ آنِفًا فَالْتُمِسَ الرَّجُلُ فَجِيْءَ بِهِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَمَّا الطِّيْبُ الَّذِيْ بِكَ فَاغْسِلْهُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ وَأَمَّا الْجُبَّةُ فَانْزِعْهَا ثُمَّ اصْنَعْ فِيْ عُمْرَتِكَ كَمَا تَصْنَعُ فِيْ حَجِّكَ.
ইয়ালা ইব্‌নু ‘উমাইয়াহ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলতেন, হায়! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ হওয়ার সময় যদি তাঁকে দেখতে পারতাম। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘জিয়িররানা’ নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন এবং চাঁদোয়া দিয়ে তাঁর উপর ছায়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন কতিপয় সাহাবী। এমন সময় সুগন্ধি মেখে এক ব্যক্তি এলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ঐ সম্পর্কে আপনার মত কী, যে সুগন্ধি মেখে জুব্বা পরে ইহ্‌রাম বেঁধেছে? কিছু সময়ের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপেক্ষা করলেন, এমনি সময় ওয়াহী এল। ‘উমার (রাঃ) ইয়ালা (রাঃ)– কে ইশারা দিয়ে ডাকলেন। ইয়ালা (রাঃ) এলেন এবং তাঁর মাথা ঐ চাদরের ভেতর ঢোকালেন। দেখলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মুখমণ্ডল লাল রক্তিম বর্ণ এবং কিছু সময়ের জন্য বেশ জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করছেন। তারপর তাঁর থেকে এ অবস্থা সম্পূর্ণরূপে দূর হওয়ার পর তিনি বললেন, প্রশ্নকারী কোথায় যে কিছুক্ষণ পূর্বে আমাকে ‘উমরাহ্‌ সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল? লোকটিকে খুঁজে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর নিকট নিয়ে আসা হল। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে সুগন্ধি তুমি তোমার শরীরে মেখেছ, তা তিনবার ধুয়ে ফেলবে আর জুব্বাটি খুলে ফেলবে। তারপর তুমি তোমার ‘উমরাহ্‌তে ঐ সমস্ত কাজ করবে, যা তুমি হাজ্জের মধ্যে করে থাক।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬১৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬২০)