[১৬১] যে সকল আয়াতের ভাষা প্রাঞ্জল এবং অর্থ নির্ধারণের ব্যপারে কোন অসুবিধা হয় না ও সন্দেহের অবকাশ নেই তাকে ‘মুহ্কাম আয়াত’ বলে।
সহিহ বুখারী: হাদিস ৫০৩৫
৬৬. ফাযায়িলুল কোরআন
صحيح البخاري
২/২৫ পরিচ্ছেদঃ
মুনাফিকের চিহ্ন।
৫০৩৫
সহিহ বুখারীمُوْسَى بْنُ إِسْمَاعِيْلَ حَدَّثَنَا أَبُوْ عَوَانَةَ عَنْ أَبِيْ بِشْرٍ عَنْ سَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ إِنَّ الَّذِيْ تَدْعُوْنَهُ الْمُفَصَّلَ هُوَ الْمُحْكَمُ قَالَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تُوُفِّيَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا ابْنُ عَشْرِ سِنِيْنَ وَقَدْ قَرَأْتُ الْمُحْكَمَ.
সা‘ঈদ ইব্নু যুবায়র (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
যে সকল সূরাকে তোমরা মুফাস্সাল [১৬০] বলো, তা হচ্ছে মুহ্কাম।[১৬১] রাবী বলেন, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যখন আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন, তখন আমার বয়স দশ বছর এবং আমি ঐ বয়সেই মুহ্কাম আয়াতসমূহ শিখে নিয়েছিলাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৬১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬৫)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১৬০] সূরা হুজুরাত থেকে সুরাহ নাস পর্যন্ত সূরাসমূহকে মুফাস্সাল বলা হয়।
[১৬১] যে সকল আয়াতের ভাষা প্রাঞ্জল এবং অর্থ নির্ধারণের ব্যপারে কোন অসুবিধা হয় না ও সন্দেহের অবকাশ নেই তাকে ‘মুহ্কাম আয়াত’ বলে।
[১৬১] যে সকল আয়াতের ভাষা প্রাঞ্জল এবং অর্থ নির্ধারণের ব্যপারে কোন অসুবিধা হয় না ও সন্দেহের অবকাশ নেই তাকে ‘মুহ্কাম আয়াত’ বলে।