আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর আমি ‘উসমান ইবনু আফ্ফান (রাঃ)’র সময়ও হাযির হয়েছি। সেদিন ছিল জুমু’আর দিন। তিনি খুতবা দানের আগে সলাত আদায় করলেন। এরপর তিনি খুতবাহ দিতে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোক সকল ! এটি এমন দিন, যে দিন তোমাদের জন্য দু’টি ঈদ একত্রে হয়ে গেছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে আওয়ালী (মদীনার চার মাইল পূর্বে অবস্থিত) এলাকার যে ব্যক্তি জুমু’আর সলাতের অপেক্ষা করতে চায়, সে যেন অপেক্ষা করে। আর যে ফিরে যেতে চায়, তার জন্য আমি অনুমতি প্রদান করলাম। [১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১] ঈদের খুতবা শোনা ঐচ্ছিক, কেউ ইচ্ছে করলে খুতবা না শুনেই ঈদের মাঠ ত্যাগ করতে পারে। যেমন স্পষ্ট সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছে ‘আবদুল্লাহ বিন সাইব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (আরবী)
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ঈদের জন্য উপস্থিত হয়েছিলাম। আমাদেরকে নিয়ে সলাত আদায়ের পর ঘোষণা দিলেন, আমরা ঈদের সলাত পূর্ণ করে ফেলেছি, যে খুৎবার জন্য বসতে পছন্দ কর সে বস। আর যে চলে যাওয়া পছন্দ কর সে চলে যাও। (সহীহ ইবনু মাজাহ ১২৯০, সহীহ আবূ দাউদ ১১৫৫, হাকিম ১০৯৩, দারাকুতনী ৩০, বাইহাকী আল-কুবরা ৬০১৯)
অনুরূপভাবে জুমু’আহর দিনে হলে সেদিন জুমু’আহ সলাত আদায়ও ঐচ্ছিক। অর্থাৎ জুমু’আহ মসজিদ হতে দূরবর্তী এলাকাবাসী নিজ নিজ ওয়াক্তিয়া মাসজিদে ইচ্ছে করলে জুমু’আর পরিবর্তে যুহরের সলাত আদায় করতে পারবে।
হাদিস ফটো স্টুডিও
ইসলামিক ওয়ালপেপার সার্চ, হাদিস কার্ড ডিজাইন ও ডাউনলোড সুবিধা
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।